সরকার অথবা দলে গুরুত্বপূর্ণ পদ চান সিধু, খারিজ করলেন অমরিন্দর
বিবাদ যেন কিছুতেই মিটছে না। সিধু আর অমরিন্দরের যেন সাপে নেউলে দশা হয়েছে। আবারও সম্মুখ সমরে কংগ্রেসের এই দুই নেতা।
বিবাদ যেন কিছুতেই মিটছে না। সিধু আর অমরিন্দরের যেন সাপে নেউলে দশা হয়েছে। আবারও সম্মুখ সমরে কংগ্রেসের এই দুই নেতা। সেই লোকসভা ভোটের আগে থেকে শুরু। যেকটি রাজ্যে কংগ্রেস একটু ভাল ফল করেছে তার মধ্যে পাঞ্জাব অন্যতম। কিন্তু গ্রামীণ এলাকায় ভোট কমেছে কংগ্রেসের। এই অবস্থায় হাইকমান্ডের কাছে একটু কোনঠাসা হয়ে আছেন অমরিন্দর।

লোকসভা ভোটের আগে অমরিন্দর অভিযোগ করেছিলেন, মুখ্যমন্ত্রী হতে চাইছেন সিধু। অমরিন্দরের সেই অভিযোগে ওজন কতটা ছিল সেটা তখন বোঝা না গেলেও সেই অভিযোগ যে অমূলক ছিল না সেটা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে। সিধু এবার উপ মুখ্যমন্ত্রীর পদ দাবি করে চলেছেন সিধু। সেটা না হলে পাঞ্জাব কংগ্রেসের সভাপতির পদ চান তিনি। কিন্তু কোনও মূল্যেই সিধুকে এর কোনও পদ দিতে চান না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন অমরিন্দর।
রাহুল গান্ধীর কাছে আগেও পাঞ্জাবের উপ মুখ্যমন্ত্রীর পদ দাবি করেছিলেন সিধু। সেসময় রাহুল সে দাবি খারিজ করে দেন। তখন রাহুল জানিয়েছিলেন রাজ্যের শক্তিমন্ত্রীর পদে তিনি বেশি যোগ্য। তাঁকে সেই পদই দেওয়া হয়।
তার পরেই সিধু দাবি করেন পাঞ্জাবের সভাপতি পদ। কারণ এই মুহূর্তে এই পদ ফাঁকা পড়ে রয়েছে। গুরুদাশপুর লোকসভা কেন্দ্র থেকে বিজেপি প্রার্থী সানি দেওয়লের কাছে হারের পর সভাপতি পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন সুনীল জাকহার। অমরিন্দর যদিও সেই জাকহারের পদত্যাগ পত্র গ্রহণ না করার জন্য রাহুলকে আবেদন জানিয়েছেন। এই সুযোগের সদব্যবহার করে সিধু সেই পদ দাবি করেছেন। আর সিধুকে কোনও ভাবেই সেই সুযোগ দিতে নারাজ অমরিন্দর।












Click it and Unblock the Notifications