Karnataka election 2023: সিদ্দারামাইয়া নাকি শিবকুমার, কর্নাটকে কংগ্রেস জিতলে কুর্সি কার? জোর জল্পনা
একাধিক বুথ ফেরত সমীক্ষা আভাস দিয়েছে কংগ্রেস সংখ্যগরিষ্ঠতা নিয়ে কর্নাটক নির্বাচন জিততে চলেছে। ফলে ভোট পরবর্তী সময়ে চর্চা চলছে কে হবেন মুখ্যমন্ত্রী? সিদ্দারামাইয়া নাকি শিবকুমার, কর্নাটকে কংগ্রেস জিতলে কুর্সিতে বসবহেন কে, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জল্পনার পারদ চড়ছে।
সিদ্দারমাইয়া বনাম ডি কে শিবকুমার। কর্নাটকে বিজেপির বিরুদ্ধে জয় সম্পন্ন হলে কংগ্রেসকে সামলাতে হবে এই লড়াই। পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন? তা নিয়ে কংগ্রেসের অন্দরে ঝড় উঠতে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে। কংগ্রেস যদি সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায় বা সরকার গঠনের মতো পরিস্থিতি তৈরি হয় তাহলে এটাই হতে চলেছে তাদের পরবর্তী মাথাব্যথার কারণ।

শিবকুমার ভোক্কালিগা সম্প্রদায়ের নেতা। এই মুহূর্তে তিনিই প্রদেশ কংগ্রেসের মূল কাণ্ডারি। তাঁর হাত ধরেই কংগ্রেস আবার ঘুরে দাঁড়িয়েছে কর্নাটকে। এবার বহু আকাঙ্খিত জয় পেলে তাই কংগ্রেসের মুখ্যমন্ত্রী পদে তিনি যে একজন প্রধান দাবিদার, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।
আবার সিদ্দারামাইয়া পিছিয়ে পড়া সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি। কর্নাটকে পরিষদীয় দলের নেতা ও মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে গ্রহণযোগ্যতায় তিনিই সবচেয়ে এগিয়ে। এমনকী বিজেপি, জেডিএস ও কংগ্রেস নেতৃত্বের মধ্যে তাঁকেই পছন্দের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে বেছে নিয়েছে বিভিন্ন জনমত সমীক্ষা।

এই অবস্থায় কর্নাটকে কংগ্রেস জিতলে, যে গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টির কাছে মুখ্যমন্ত্রী চয়ন একটা বড়ো মাথাব্যথার কারণ হবে, তা বলাই যায়।
কংগ্রেস এবার কাউকেই মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে প্রজেক্ট করেনি। বারবার তারা বলেছেন, আমরা বুঝেছি মানুষ এবার কংগ্রেসের সঙ্গে আছেন। কংগ্রেসের জয় স্রেফ সময়ের অপেক্ষা। বিজেুপি এবার ক্ষমতায় ফিরছে না তা নিশ্চিত। তাই আমরা এবার দল হিসেবে জিততে চাই। কাউকে মুখ্যমন্ত্রী মুখ কররা প্রয়োজন নেই আমাদের দলে। আমরা সবাই মিলে একযোগে বিজেপিতে হটাতে চাই।
কিন্তু নির্বাচন শেষে জয়ের পর তো মুখ্যমন্ত্রী বেছে নিতেই হবে। সিদ্দারামাইয়া নিজেই ঘোষণা করেছেন এটাই তাঁর শেষ নির্বাচন। তাই কংগ্রেস জিতলে ৭৫ বছর বয়সি নেতাকে যে উপেক্ষা করা হবে না, তা বলাই বাহুল্য। কিন্তু তা করতে গিয়ে কি কংগ্রেস প্রধান ডিকে শিবকুমারকে অবজ্ঞা করা হবে, সে প্রশ্নও উঠছে।

কংগ্রেসের দাবি, কংগ্রেস কখনই মুখ্যমন্ত্রী প্রজেক্ট করেনি। বিশেষ করে কর্নাটকে মুখ্যমন্ত্রী মুখ খাঁড়া করে ভোট করেনি তারা। এটা খুবই গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে হয়। নির্বাচিত বিধায়করা সিদ্ধান্ত নেন এবং তাঁদের মতামত ব্যক্ত করেনষ। সেভাবেই নেতা নির্বাচিত হয় পরিষদীয় দলের। তারপর দলের 'হাইকমান্ড' সিদ্ধান্ত নেয়।
তা সত্ত্বেও কংগ্রেস সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলে দলের অন্দরে যে শীর্ষ পদের লড়াই বাড়বে, তা নিশ্চিত। সিদ্দারামাইয়া মোস্ট সিনিয়র লিডার। তাঁর সরকার চালানোর অভিজ্ঞতা রয়েছে। ডিকে শিবকুমার এক্ষেত্রে তাঁর চ্যালেঞ্জার। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে হবে 'হাইকমান্ড'কে। সোনিয়া-রাহুলকে এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে হবে। আর শিবকুমার তাঁদের কথা শোনেন।
প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শিবকুমার বলেন, নবনির্বাচিত বিধায়কদের দ্বারা মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী নির্বাচিত হবেন। 'হাইকমান্ড' যেমন সিদ্ধান্ত নেবে, সেটাই মনে নেবে সবাই। শিবকুমার বর্তমান কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে ও রাহুল গান্ধী তথা সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গে সুসম্পর্ক রয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications