সিদ্দারামাইয়াই কর্নাটকের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী, শিবকুমার ভূমিকা কী হবে জল্পনা
কংগ্রেস কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে সিদ্দারামাইয়ার নামই চূড়ান্ত করতে চলেছে. শীঘ্রই ঘোষণা করা হবে তাঁর নাম। সূত্রের খবর, সিদ্দারামাইয়ার অভিজ্ঞতাকেই গুরুত্ব দিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে তাঁকে বেছে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কংগ্রেস হাইকম্যান্ড শিবকুমারকে আশ্বস্ত করতে সমর্থ হয়েছেন, আগামীর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে।
দৌড়ে সিদ্দারামাইয়াই এগিয়ে ছিলেন বলে রাজনৈতিক মহলের অভিমত ছিল। কংগ্রেস তাই চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিল শিবকুমারকে বোঝানোর। কংগ্রেস সতর্ক যে কর্নাটকের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী নিয়োগ করতে গিয়ে ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনে দলের সম্ভাবনায় যেন কোনো ক্ষতি না হয়।

রাহুল গান্ধী-সহ কংগ্রেসের শীর্ষ নেতারা বুধবার সিদ্দারামাইয়া এবং ডি কে শিবকুমারের সাথে দেখা করেন। এদিনই ছিল পরবর্তী কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী চূড়ান্ত করার শেষ দিন। কারণ আগামীকাল বৃহস্পতিবার নয়া মুখ্যমন্ত্রী শপথ নেবেন, তা ইতিমধ্যেই চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছে।
বুধবার চতুর্থ দিনে প্রবেশ করেছিল কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচন বিতর্ক। পার্টি প্রধান মল্লিকার্জুন খাড়গে মঙ্গলবার সিদ্দারামাইয়া ও শিবকুমারের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক করেছেন। সূত্রের খবর, পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে ৭৫ বছর বয়সী সিদ্দারামাইয়াই এগিয়ে রয়েছে।

সূত্রের খবর, সিদ্দারামাইয়াই সঙ্গে রয়েছে বেশিরভাগ বিধায়কের সমর্থন। এখন কাজ হল শিবকুমারকে বাগে আনা। এবং তাঁকে সিদ্দারামাইয়ার মন্ত্রিসভাতে গুরুত্বপূর্ণ স্থান দেওয়াও কংগ্রেসের উদ্দেশ্য। কিন্তু খাড়গের সঙ্গে বৈঠকে শিবকুমার এই যুদ্ধে পিছপা হবেন না বলে জানিয়ে দিয়েছেন।
সিদ্দারামাইয়া সোমবার থেকে দিল্লিতে রয়েছেন। সেখানে তিনি শীর্ষ পদের জন্য দৌড়ে এগিয়ে রয়েছেন বলেই জল্পনা। রাজনৈতিক মহল মনে করছে, শিবকুমার মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সির জন্য সেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই চালালেও বিদ্রোহের পথে হাঁটবেন না। দল চাইলে তাঁকে দায়িত্ব দেবে। তিনি পিছপা হবেন না।

শিবকুমার জানান, আমরা ঐক্যবদ্ধ। আমি কাউকে বিভক্ত করতে চাই না। তারা আমাকে পছন্দ করুক বা না করুক, আমি একজন দায়িত্বশীল মানুষ। আমি পিছন থেকে ছুরিকাঘাত করব না। আমি ব্ল্যাকমেইল করবও না। এমন কিছু করব না যে, আগামী বছরের সাধারণ নির্বাচনে দলের সম্ভাবনাকে প্রভাবিত করে।
সিদ্দারামাইয়া ২০১৮ সাল পর্যন্ত পূর্ণ মেয়াদ কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন। তিনি রাজ্য পরিচালনায় অভিজ্ঞ। সেদিক দিয়ে তিনি এগিয়ে। আর শিবকুমারের সাংগঠনিক ক্ষমতা শক্তিশালী। তিনি তার পরিচয় দিয়েছেন ২০২৩-এর নির্বাচনে। ফলে দুই প্রতিদ্বন্দ্বীর দুই গুণ রয়েছে। এমতাবস্থায় অভিজ্ঞতাকেই প্রাধান্য দল কংগ্রেস।












Click it and Unblock the Notifications