Shri Ram’s Story:মাদ্রাসার পাঠক্রমেও এবার ভগবান রামচন্দ্রের জীবন দর্শন, কোন রাজ্যে নিল এমন বিরল সিদ্ধান্ত?
২২ জানুয়ারি অযোধ্যায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে রাম মন্দির। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী রামলালার মূর্তিতে প্রাণ প্রতিষ্ঠা করেন। ভগবান শ্রী রামচন্দ্রের মন্দির প্রতিষ্ঠা উপলক্ষ্যে গোটা প্রচুর সংখ্যায় হিন্দু ধর্মাবলম্বী মানুষরা উৎসবে মেতে ছিলেন। ধর্মের ভেদাভেদ ভুলে রাম আবেগ মোহিত মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষরাও। উত্তরাখণ্ডের মাদ্রাসার পাঠক্রমেও এবার যুক্ত হতে চলেছে ভগবান শ্রী রামচন্দ্র।
মাদ্রাসা আধুনিকীকরণ কর্মসূচীর' অংশ হিসাবে মার্চ মাসে শুরু হওয়া অধিবেশন থেকে উত্তরাখণ্ড ওয়াকফ বোর্ডের অধিভুক্ত মাদ্রাসার জন্য নতুন পাঠ্যসূচিতে ভগবান রামের জীবনও অন্তর্ভুক্ত হতে চলেছে, এমনটাই সিদ্ধান্ত নিয়েছে সেই রাজ্যের ওয়াকফ বোর্ড। সম্প্রতি ওয়াকফ বোর্ডের সেই রাজ্যের চেয়ারম্যান শাদাব শামস বলেছেন, মাদ্রাসা ছাত্রদের নবী মোহাম্মদের পাশাপাশি শ্রী রামের জীবনের গল্প শেখানো হবে।

রাজ্যে ওয়াকফ বোর্ডের অধীনে উত্তরাখণ্ডে ১১৭টি মাদ্রাসা রয়েছে যার মধ্যে দেরাদুন, হরিদ্বার, উধম সিং নগর এবং নৈনিতাল জেলার মতো জেলাগুলির মাদ্রাসায় প্রাথমিকভাবে নতুন পাঠ্যক্রম চালু করা হবে, শামস জানিয়েছেন।
তাঁর কথায়, "এই বছরের মার্চ থেকে আমাদের মাদ্রাসা আধুনিকীকরণ কর্মসূচির অংশ হিসাবে ওয়াকফ বোর্ডের অর্ন্তভুক্ত মাদ্রাসায় শ্রী রামের অধ্যয়ন চালু করা হবে। কেউ যে সিংহাসন ছেড়ে দিয়ে বনে গিয়ে বাবাকে প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে সাহায্য করেছে! শ্রী রামের মত ছেলে কে না চায়।' ভগবান শ্রী রামচন্দ্রের জীবন শুধুমাত্র হিন্দুদেরই নয় সমস্ত ধর্মের মানুষের কাছে একটি অনুপ্রেরণা।
বিংশ শতকের মুসমিল দার্শনিক আল্লামা ইকবালের বক্তব্য তুলে ধরে তিনি বলেন, হিন্দুস্তান ভগবান রামের অস্তিত্ব নিয়ে গর্বিত, মানুষ তাঁকে হিন্দের নেতা বলে মনে করে।' একইসঙ্গে এই বিজেপি নেতা বলেন, আমি যদি বিরোধীদের ভয় পেতাম, আমি মুসলিম হয়েও বিজেপিতে থাকতাম না। আমি দুর্বলের কাছে মাথা নত করতে প্রস্তুত যদি তারা সঠিক হয় এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে ভয় না পায়, তারা যত শক্তিশালীই হোক না কেন।'
গত ২২ জানুয়ারি শুধু হিন্দুরাই নন, এই মুহূর্তটিকে উৎসবের মতো উদযাপন করেছেন দেশজুড়ে মুসলিম রাষ্ট্রীয় মঞ্চের কর্মীরা। জয় শ্রী রাম স্লোগান শোনা যায় মুসলিমদের কণ্ঠেও। মুসলিম রাষ্ট্রীয় মঞ্চের কর্মীরা একে অপরকে অভিনন্দন জানান। আজমীরের খাজা মঈনুদ্দিন চিশতি, হযরত কুতুবউদ্দিন বখতিয়ার কাকীসহ দেশের বহু দরগা, মাজার ও মাদ্রাসায় প্রদীপ প্রজ্বলন করা হয়।












Click it and Unblock the Notifications