কোর্ট চত্বরে 'মোস্ট ওয়ান্টেড' গ্যাংস্টারকে গুলি আততায়ীদের! দিল্লিতে মৃত ৪
কোর্ট চত্বরে 'মোস্ট ওয়ান্টেড'কে গুলি আততায়ীদের! চরম চাঞ্চল্য দিল্লিতে
কোর্ট চত্বরে বড়সড় গুলি চলনার ঘটনা ঘটে গেল রাজধানী দিল্লিতে। দিনে দুপুরে আইনজীবীর বেশে চত্বরে প্রবেশ করে আততায়ীরা। তারপর দিল্লির মোস্ট ওয়ান্টেড জিতেন্দ্রকে লক্ষ্য করে ২ আততায়ী গুলি চালায় বলে খবর। ঘটনায় ৩ জন আক্রান্ত। জিতেন্দ্রকে পুলিশ আদালতে নিয়ে যাওয়ার সময়ই এই ঘটনা ঘটে। শেষ পাওয়া খবরে জানা গিয়েছে এই গ্যাংস্টার যুদ্ধের পরিণামে অন্ততপক্ষে ৪ জন মারা গিয়েছেন। ঘটনার জেরে দিল্লির রোহিণী আদালত চত্বরে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে যায়।

জানা গিয়েছে উত্তর দিল্লির আদালত কক্ষের মধ্যে দুই গ্যাংস্টারের মধ্যে প্রবল সংঘাত শুরু হয়। সূত্র মারফৎ জানা গিয়েছে, আগে থেকেই দিল্লির মোস্ট ওয়ান্টেড গ্যাংস্টার জিতেন্দ্রকে আদালতে আনা হবে বলে জানত বিরোধী পক্ষের গ্যাংস্টাররা। এদিকে, জিতেন্দ্র আদালতে আসতেই কক্ষের মধ্য়ে ততক্ষণে আইনজীবীর বেশে লুকিয়ে ছিল আততায়ীরা। সেই সময়ই টার্গেটে শান দিয়ে চলে গুলি। মুহূর্তে মারা যায় জিতেন্দ্র। এরপরই বাকি দুই আততায়ীকে লক্ষ্য করে গুলি করে পুলিশ। দুই আততায়ী তখনই মাটিতে লুটিয়ে যায়। পরে জানা গিয়েছে তারা মারা গিয়েছে। উল্লেখ্য, ২ বছর আগে, গ্যাংস্টার জিতেন্দ্র মান গোগীকে গুরুগ্রাম থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
মূলত, গ্যাংস্টার যুদ্ধের জেরে এদিন কোর্ট চত্বরে পর পর ৪ জনের মৃত্যু হয়। প্রসঙ্গত, যারা গোগীকে টার্গেট করে মেরেছে, তারা টিল্লু তাজপুরিয়া গ্যাংয়ের সদস্য বলে জানা যায়। এদিকে, আদালত চত্বরে এই ঘটনায় এক মহিলা আইনজীবী আহত হন। এই গোটা ঘটনায় এদিন দিল্লির বুকে অন্ত পক্ষে ৩৫ থেকে ৪০ রাউন্ড গুলি চলে। এক নিমেষে শেষ হয় একাধিক প্রাণ। প্রসঙ্গত, দিল্লির যে মোস্ট ওয়ান্টেড গ্যাংস্টারকে খুন করতে এদিন বিরোধী গ্যাংয়ের আততায়ীরা কোর্টে হাজির হয়, সেই গোগীকে দিল্লির পুলিশের স্পেশ্যাল সেল যখন ২ বছর আগে গুরুগ্রাম থেকে গ্রেফতার করে, তখন গোগী কার্যত দিল্লির ত্রাস হয়ে উঠেছে। তার গ্রেফতারর সময় বিপুল কার্তুজ উদ্ধার হয়েছিল। জিতেন্দ্র গোগীর সঙ্গে সেদিন কুলদীপ ফাজ্জাও গ্রেফতার হয়। যে কুলদীপও ছিল কুখ্যাত গ্যাংস্টার। এদিকে, দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ে এককালে প্রথম হওয়া গোগী হিংসার রাস্তা বেছে নিতেই ধীরে ধীরে সে দিল্লির ত্রাস হয়। পরে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে কুলদীপ ফাজ্জা জেল থেকে পালিয়ে যায়। জানা যাচ্ছে গোগী ও ফাজ্জার দখলে দিল্লি জুড়ে প্রায় ৫০ জনের একটি নেটওয়ার্ক রয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications