জয়পুরের দূর্গে যুবকের মৃত্যুতে চাঞ্চল্যকর মোড়, মৃত্যুর পিছনে নেই 'পদ্মাবতী' বিরোধিতা
নাহারগড় দূর্গে যে ব্যাক্তির ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়েছে , তাঁর নাম চেতন সাইনি। এক সর্বভারতীয় পত্রিকার দাবি অনুযায়ী, স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে তাঁকে খুন করে সেখানে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে।
রাজস্থানের নাহারগড় দূর্গের ছাদ থেকে আজ সকালেই এক যুবকের ঝুলন্ত দেহ পাওয়া যায়। দূর্গের আশপাশে পড়ে থাকা পাথরে কাঠ কয়লা দিয়ে লেখা থাকে ,'আমরা শুধু পুতুল টাঙাইনা পদ্মাবতী...'। তা থেকে প্রাথমিকভাবে মনে হয় যে কেউ পদ্মাবতী ছবির প্রতিবাদ জানিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। কিন্তু না, আসল ঘটনা অন্য কিছু, আপাতত তদন্তের গতি তাইই বলছে।

নাহারগড় দূর্গে যে ব্যাক্তির ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়েছে , তাঁর নাম চেতন সাইনি। এক সর্বভারতীয় পত্রিকার দাবি অনুযায়ী, স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে তাঁকে খুন করে সেখানে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। কারণ নাহারগড়দূর্গের ছাদে উঠে কেই এভাবে আন্তহত্যা করতে পারবেন না। অন্যদিকে, পাথরে যে সমস্ত লেখা উদ্ধার হয়েছে তাতে 'পদ্মাবতী' নামটির উল্লেখ থাকায় প্রথমে মনে হয়েছিল , আত্মহত্যা কোনও বিক্ষুব্ধ কেউই করেছেন। কিন্তু তারপরে দেখা গিয়েছে, যাঁরা 'পদ্মাবতী' নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এই হত্যা তাঁদের দিকেই ছুঁড়ে দেওয়া কোনও সুপ্ত বার্তা।
খুনিরা কখনওই এটিকে আত্মহত্যা হিসাবে দেখাতে চায়নি। তারা খুন করে মৃতদেহ 'টাঙিয়ে' দেওয়ার বিষয়টির ওপরেই বেশি জোর দিয়েছে। পাথরে লেখা বিষয়গুলি ভালো করে দেখলে এমনই ধারনা উঠে আসছে বলে দাবি , ওই সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যটির। তাদের দাবি, পাথরের লেখাগুলির মধ্যে বহুবার বহু রকমের উর্দু শব্দের উল্লেখ থাকায়,গোটা ঘটনার নেপথ্যে সাম্প্রদায়িকতার গন্ধ পাচ্ছেন তদন্তকারীরা। তবে ঘটনার আরও পরত যে সামনে আসা বাকি সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই। গোটা ঘটনায় ২ থেকে ৩ জনের ওপর সন্দেহ রয়েছে পুলিশের।












Click it and Unblock the Notifications