কংগ্রেসের সঙ্গে জোট গড়েও নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলের সমর্থনে শিবসেনা
মোদী বিরোধী হয়েও হিন্দুত্ববাদের প্রশ্নে সেই গেরুয়া রংই ধরে রাখল শিবসেনা। সংসদে নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলের সমর্থন জানাবে শিবসেনা, টুইট করে জানিয়েছে সঞ্জয় রাউত।
মোদী বিরোধী হয়েও হিন্দুত্ববাদের প্রশ্নে সেই গেরুয়া রংই ধরে রাখল শিবসেনা। সংসদে নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলের সমর্থন জানাবে শিবসেনা, টুইট করে জানিয়েছে সঞ্জয় রাউত। এতে কিছুটা হলেও জাতীয় রাজনীতির স্তরে অস্বস্তিতে পড়বে কংগ্রেস।

সংসদে মোদীর পাশে শিবসেনা
যতই মোদীর বিরুদ্ধে বিষোদ্গার করুক না কেন হিন্দুত্ববাদের প্রশ্নে েয গৈরিক শিবির এখনও এক, সেটা প্রমাণ হয়ে গিল শিবসেনার এই সিদ্ধান্তে। শিবসেনা নেতা সঞ্জয় রাউত টুইট করে জানিয়েছেন তাঁরা সংসদ নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলের সমর্থন জানাবেন। তিনি জানিেয়ছেন শরণার্থী হিন্দুদের নাগরিকত্ব দেওয়া অত্যন্ত জরুরি। তবে এই বিল সংশোধন করে অমিত শাহ ভোট ব্যাঙ্ক বাড়ানোর যে পরিকল্পনা করছেন তাকে তাঁরা সমর্থন করেন না।

অস্বস্তিতে কংগ্রেস
শিবসেনার এই সিদ্ধান্তে কিছুটা হলেও অস্বস্তিতে পড়েছে কংগ্রেস শিবির। কারণ মহারাষ্ট্রে এই শিবসেনার সঙ্গে জোট গড়েই সরকার গড়েছে তারা। জোট হলেও শিবসেনা যে হিন্দুত্ববাদ ছাড়তে নারাজ সেটা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে এই সিদ্ধান্তে। কাজেই ভবিষ্যতে মহারাষ্ট্রে এই নিয়ে সমস্যা বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। অনেকেই শিবসেনা-কংগ্রেস-এনসিপি জোট সরকারের স্থায়ীত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলে হিন্দুত্বের জিগির
নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলে বাংলাদেশ, পাকিস্তান এবং আফগানিস্তান থেকে আসা অমুসলিম সম্প্রদায়ের বাসিন্দাদের নাগরিকত্ব দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। ৮ বছরের জায়গায় নাগরিকত্ব পাওয়ার জন্য ৬ বছর বসবাস করা জরুরি বলে সংশোধনীতে করা হয়েছে। এক্ষেত্রে হিন্দুত্ববাদ নতুন করে মাথাচারা দেবে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। কারণ এই বিলের আওতায় মুসলিম সম্প্রদায়কে রাখা হয়নি। বিরোধিতার কারণে উত্তর পূর্বের রাজ্যগুলিকে আওতা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications