অজিত পাওয়ার বিজেপিতে যোগ দিলে সরকারে থাকবে না শিবসেনা, পাল্টা চাপ শিন্ডের
অজিত পাওয়ার এনসিপি বিধায়কদের নিয়ে বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন বলে জল্পনা তৈরি হয়েছেল দুদিন ধরে। কিন্তু এনসিপি বিধায়করা বা অজিত পাওয়ার যদি যোগ দেন বিজেপিতে তবে মহারাষ্ট্র সরকারে থাকবে না শিবসেনা, সাফ জানিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডে।
শিবসেনার একনাথ শিন্ডে শিবিরের পক্ষ থকে পাল্টা চাপ তৈরি করে বিজেপিকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে তাদের অবস্থান। যদিও অজিত পাওয়ার বিজেপিতে যোগদানের সম্ভাবনা জলাঞ্জলি দেওয়ার পর এনসিপিতে বিভাজনের জন্য বিজেপির দিকে আঙুল তুলেছে। আবরা শিন্ডেও বিজেপিকে সাবধান করে দিয়েছেন।

অজিত পাওয়ারকে দিয়ে এনসিপি ভাঙিয়ে বিজেপি শক্তি বাড়াতে চাইছে মহারাষ্ট্রে। চাইছে মহারাষ্ট্রে রাজপাট পুরোপুরি নিজেদের হাতে তুলে নিতে। তাই সতর্ক শিবসেনার একনাথ শিন্ডে গোষ্ঠী। তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, বিজেপি এনসিপি ভাঙিয়ে দল বাড়ালে শিবসেনা সরে দাঁড়াবে মহারাষ্ট্র সরকার থেকে।
একনাথ গোষ্ঠীর শিবসেনা মুখপাত্র সঞ্জয় শিরসাট জানিয়েছেন, তাঁরা আত্মবিশ্বাসী যে শরদ পাওয়ারের নেতৃত্বাধীন জাতীয়তাবাদী কংগ্রেস পার্টি বা এনসিপি সরাসরি বিজেপির সাথে যাবে না। তবে যদি তারা যায়, কবে এ বিষয়ে আমাদের নীতি পরিষ্কার। এনসিপি এমন একটি দল যারা বিশ্বাসঘাতকতা করে। আমরা ক্ষমতায় থাকলেও এনসিপির সঙ্গে থাকব না।
এমনকী বিজেপি যদি এনসিপিকে তাদের সঙ্গে নেয়, মহারাষ্ট্র তা পছন্দ করবে না। আমরা তাই আগে থেকে সরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। উদ্ধব ঠাকরের নেতৃত্বে অবিভক্ত শিবসেনা থাকাকালীন আমদের সঙ্গে বিরোধ ছিল কংগ্রেস এবং এনসিপির হাত ধরা নিয়ে। আমরা তা পছন্দ করছিলাম না। এবারও তাই আমরা ওই পথে হাঁটব না।

শিরসাত বলেন, অজিত পাওয়ার এমনও কিছু বলেননি যার অর্থ তিনি এনসিপিতে থাকতে চান না। আমরা কংগ্রেস-এনসিপি সঙ্গ ছেড়ে দিয়েছিলাম কারণ আমরা তাদের সাথে থাকতে চাইনি। অজিত পাওয়ার যদি এনসিপি ছেড়ে দেন, আমরা তাকে স্বাগত জানাব। তিনি যদি এনসিপি নেতাদের একটি গোষ্ঠীর সঙ্গে আসেন তবে আমরা সরকারে থাকব না।
সঞ্জয় শিরসাত সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডের নেতৃত্বাধীন শিবসেনার মুখপাত্র নিযুক্ত হয়েছেন। তিনি অজিত পাওয়ার নিয়ে সাবধানী পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন। কারণ আগেও একবার অজিত পাওয়ার বিজেপির হাত ধরে উপমুখ্যমন্ত্রী হয়ে বসেছিলেন মহারাষ্ট্রে। তাই সতর্ক একনাথ শিন্ডের শিবসেনা শিবির।

এর আগে অজিত পাওয়ারের সঙ্গে হাত মিলিয়ে ২০১৯ সালে দেবেন্দ্র ফড়নবিশের সরকার শপথ নিয়েছিল। আড়াই বছর পর শরদ পাওয়ার বলেছিলেন যে এটি রাষ্ট্রপতির শাসন প্রত্যাহার করা জন্য করা হয়েছিল। শিরসাত বলেন, অজিত পাওয়ার আজ পর্যন্ত এই বিষয়টি স্পষ্ট করেননি।












Click it and Unblock the Notifications