বিজেপির টার্গেটে এবার বিরোধী শিবিরের ‘হেভিওয়েট’, বিরাট ধাক্কা দিতে কৌশলী চাল
ছত্তিশগড়ে বিধানসভা ভোটের আগেই ওস্তাদের মার দিয়েছে বিজেপি। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী কংগ্রেসকে জোর ধাক্কা দিয়ে খোদ প্রদেশ কংগ্রেসের কার্যকরী সভাপতিকেই নিজেদের দলে এনেছে বিজেপি।
ছত্তিশগড়ে বিধানসভা ভোটের আগেই ওস্তাজদের মার দিয়েছে বিজেপি। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী কংগ্রেসকে জোর ধাক্কা দিয়ে খোদ প্রদেশ কংগ্রেসের কার্যকরী সভাপতিকেই নিজেদের দলে এনেছে বিজেপি। এবার মিশন উত্তরপ্রদেশ। উত্তরপ্রদেশে কংগ্রেসের বাড়া ভাতে ছাই দিতে বিজেপির লক্ষ্যে শিবলাল যাদব। লোকসভা ভোটের আগে অত্যন্ত কৌশলী সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে বিজেপি।

ছত্তিশগঢ় কংগ্রেসের কার্যকরী সভাপতি রামদয়াল উইকে দলে নিয়ে কংগ্রেসে ভাঙন ধরানোর পর উত্তরপ্রদেশে সমাজবাদী পার্টিতে বাঙন ধরানোর লক্ষ্যে নেমেছেন অমিত শাহ ব্রিগেড। অখিলেশ সমাজবাদী পার্টির সর্বজনগ্রাহ্য নেতা হয়ে ওঠায় শিবলাল যাদবকে দলে চাইছে বিজেপি। সেইমতো বিজেপি টার্গেট করে এগোচ্ছে।
সম্প্রতি মায়াবতীর নামে বরাদ্দ হওয়া বাংলো ছিনিয়ে নিয়ে শিবলাল যাদবকে দেওয়া হচ্ছে। তার উপর শিবলালকে জেড ক্যাটাগরির নিরাপত্তাও দেওয়া হয়েছে। এই দুই পদক্ষেপের পিছনে বিজেপির অভিসন্ধি রয়েছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। বিজেপিও মনে করছে, দলে একঘরে হয়ে থাকা শিবলাল যাদবকে তুলে নিয়ে সমাজবাদী পার্টিকে দ্বিখণ্ডিত করে দিতে।
তাহলেই ফের বিরোধী ভোটে থাবা বসিয়ে ফেলা যাবে। এবং গো বলয়ে তাঁদের জয়ের পথ মসৃণ হয়ে যাবে। একইসঙ্গে বিজেপি মায়াবতীকে ভাঙানোর চেষ্টাও করে চলেছে। এমনিতেই মায়াবতীকে কংগ্রেস থেকে দূরে সরিয়ে রাখতে সমর্থ হয়েছে বিজেপি। আসন্ন বিধানসভা ভোটে কোথাও কংগ্রেসের সঙ্গে মায়াবতীর দলের জোট হচ্ছে না। তাতে বেশ আশ্বস্ত বিজেপি।
এদিকে মায়াবতী ও অখিলেশ একসঙ্গে কংগ্রেসের প্রতি অনাস্থা প্রকাশ করেছে। দুজনের কেউই কোনও রাজ্যে কংগ্রেসের সঙ্গে জোটে যায়নি। স্বভাবতই কংগ্রেস বেশ চাপে। লোকসভার আগে সেমিফাইনাল যুদ্ধও তাঁদের একা একা লড়তে হচ্ছে। এটাও বিজেপির পক্ষে ইতিবাচক বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
যদিও অধিকাংশ সমীক্ষা রিপোর্ট বলছে, এবার মধ্যপ্রদেশ, ছত্তিশগড় ও রাজস্থানে কংগ্রেস সরকার আসতে চলেছে। আর এই তিন রাজ্যে বিজেপি হারলে লোকসভায় বিপাকে পড়তে পারে। সেই কারণেই এখন থেকে বিপক্ষ শিবিরকে ভাঙনের পথ নিয়েছে বিজেপি।












Click it and Unblock the Notifications