শিনা বোরা কাণ্ডে নয়া ট্যুইস্ট : তিন বছর আগের দেহাবশেষের সঙ্গে মিলল না ডিএনএ
মুম্বই, ২১ সেপ্টেম্বর : ফের নয়া চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এল শিনা বোরা হত্যাকাণ্ডে। একে তদন্ত নিয়ে টালমাটাল অবস্থা হয়ে রয়েছে। তার মধ্যে ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা যা রিপোর্ট দিয়েছেন তাতে মামলা আরও জটিল হল বলেই মনে করা হচ্ছে। [নতুন পুলিশ কমিশনারের সঙ্গে ব্যক্তিগত সম্পর্ক পিটার-ইন্দ্রাণীর!]
বিওয়াইএল নায়ার হাসপাতালের ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা মুম্বইয়ের খার থানার আধিকারিকদের জানিয়েছেন, ২০১২ সালে যে দেহাবশেষ উদ্ধার করা হয়েছিল, এবং কিছুদিন আগে দেহাবশেষের যে নমুনা জেজে হাসপাতাল সূত্রে পাওয়া গিয়েছে, সেই দুটি নমুনা সম্ভবত এক নয়। [শিনা হত্যাকাণ্ড : ইন্দ্রাণী ব্রিটিশ নাগরিক, এই শর্তে ছাড়া পেতে পারেন!]

নায়ার হাসপাতালের বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, নমুনাটি শিনা বোরার নাও হতে পারে। আর এই মন্তব্য ঘিরেই আবর্তিত হয়েছে তীব্র রহস্য। কারণ ইতিমধ্যেই শিনা ও ইন্দ্রাণী মুখার্জীর ডিএনএ মিলিয়ে নয়া রিপোর্ট তৈরি করেছে পুলিশ। সাম্প্রতিক সময়ে পাওয়া দেহাবশেষের নমুনা ইন্দ্রাণীর সঙ্গে মিলে গেলেও পুরনো নমুনা ও নতুন নমুনা মিলছে না। [ঠিক কী কারণে শিনাকে খুন করে ইন্দ্রাণী? জেনে নিন]
এর আগে পেন পুলিশের তরফে জানানো হয়েছিল ডান হাতের হাড়, দুটি দাঁত ও চুলের নমুনা জেজে হাসপাতালের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল। সেটি গত ২৮ অগাস্ট খার পুলিশের হাতে হাতে তুলে দিয়েছে বলে দাবি করেছে জেজে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষও। [ইন্দ্রানী-শিনাকে পর্দায় আনার তোড়জোড় পরিচালক অগ্নিদেব চট্টোপাধ্যায়ের]
নায়ার হাসপাতালের দাবি, দুটি আলাদা আলাদা দেহের নমুনা এসে পৌঁছেছে তাদের হাতে। পেন পুলিশের কাছ থেকে পাওয়া রিপোর্টে খার পুলিশ স্টেশন থেকে আসা হাড়, দাঁত ও চামড়ার নমুনা মিলছে না। "এটা পরিষ্কার যে, দুটি আলাদা দেহের নমুনা এসে পৌঁছেছে আমাদের হাতে", এমনটাই জানিয়েছেন এক চিকিৎসক। [ শিনা বোরা হত্যা : জেনে নিন কার ফোনে পুলিশের জালে ইন্দ্রাণী]
পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে, ২০১২ সালের পরে প্রায় তিনবছর ধরে যেহেতু দেহাবশেষের অংশ জেজে হাসপাতালের কাছে পড়েছিল, সেহেতু তা অন্য কিছুর সঙ্গে বদলে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সেজন্যই ফের একবার তা পরীক্ষা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
যদিও এত হাই প্রোফাইল হত্যাকাণ্ডে এমন চরম গাফিলতি কি করে হয় তা নিয়েই উঠছে প্রশ্ন।












Click it and Unblock the Notifications