আপ থেকে ইস্তফা দিলেন শাজিয়া ইলমি, ক্যাপ্টেন গোপীনাথ

দল ছাড়ার সিদ্ধান্ত, এবং কেনই বা এই সিদ্ধান্ত শনিবার নয়াদিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠক করে জানান শাজিয়া। তিনি বলেন, দল নিজের দিশা হারিয়েছে। শুধউ ধরনা আর বিক্ষোভ করে কোনও দল এগোতে পারে না। আপ থেকে আমার যে আশা ছিল তা ক্ষীণ হচ্ছে ক্রমশ। দলের অভ্যন্তরে কয়েকজনই সব সিদ্ধান্ত নেয়, বাকিদের মতের কোনও দাম নেই। দলের অভ্যন্তরে গণতন্ত্র নেই। একইসঙ্গে দলের প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়ালের সমালোচনা করে ইলমি বলেন, অরবিন্দের উচিত দলের কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে আরও বেশি সময় কাটানো। তিনি বলেন, আম আদমি পার্টি অনকগুলি ভুল করেছে। এবং আপের পরিকল্পনায় যত শীঘ্র সম্ভব পরিবর্তন আনতে হবে।
এদিন সাংবাদিক সম্মেলনে শাজিয়া আরও জানান, দলে স্বরাজের মন্ত্র আওড়ানো হলেও স্বরাজের নীতিই মানা হয় না দলে। আপাতত কী করবেন সে বিষয়ে স্পষ্ট করে না বললেও নিজের পেশা সাংবাদিকতাতেই ফিরে যাওয়ার আভাস দিয়েছেন শাজিয়া। একইসঙ্গে এও জানিয়ে দিয়েছেন আগামী দিনে দলে কোনও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা দেওয়া হলে তিনি দলে ফিরতে পারেন।
লোকসভা নির্বাচনে গাজিয়াবাদ থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন শাজিয়া। তাঁর বিপরীতে ছিলেন কংগ্রেস রাজ বব্বর ও বিজেপির ভিকে সিং। বিজেপি প্রার্থীর কাছে বিশাল ভোটের ব্যবধানে হারেন ইলমি। এই হারের পরই আপের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে শুরু করেন তিনি। তিনি বলেন, আম আদমি পার্টি অনকগুলি ভুল করেছে। এবং আপের পরিকল্পনায় যত শীঘ্র সম্ভব পরিবর্তন আনতে হবে।
লোকসভা নির্বাচনের প্রার্থীদের কেন্দ্র ঠিক করা নিয়েও দলের সঙ্গে মতবিরোধ হয় সাজিয়ার। দিল্লি কেন্দ্র থেকে দাঁড়াতে চেয়েছিলেন শাজিয়া। কিন্তু 'বহিরাগত' আশুতোষ এবং আশিস খেতনকে দিল্লিতে টিকিট দিয়ে তাঁকে রায় বারেলির টিকিট দেওয়ায় কিছুটা ক্ষুণ্ণ হয়েছিলেন তিনি। পরে তাকে গাজিয়াবাদের টিকিট দেওয়া হয়। দলে তাকে প্রাপ্য সম্মান দেওয়া হচ্ছে না বলেও মনে হতে শুরু করে তার।
অরবিন্দ কেজরিওয়ালের ঘণিষ্ঠ বলেই পরিচিত শাজিয়া ইলমি। সাজিয়ার দল থেকে ইস্তফা দেওয়াটা দলের পক্ষে ক্ষতি বলেই মনে করছেন আপের একাংশ কর্মী-সমর্থকরা। বিশেষ করে যখন দলের প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়াল ২ সপ্তাহের জন্য হাজতবাসে গিয়েছেন।












Click it and Unblock the Notifications