'মোদী যদি বারাণসীতে প্রার্থী হতে পারেন, তাহলে আসানসোল আমি কেন পারব না', বহিরাগত ইস্যুতে তোপ শত্রুঘ্নর
'মোদী যদি বারাণসীতে প্রার্থী হতে পারেন, তাহলে আসানসোল আমি কেন পারব না', বহিরাগত ইস্যুতে তোপ শত্রুঘ্নর
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী গুজরাতের লোক হয়ে যদি বারাণসীতে প্রার্থী হতে পারেন তাহলে তিনি কেন বাংলায় প্রার্থী হতে পারবেন না। বহিরাগত ইস্যুতে বিজেপিকে পাল্টা আক্রমণ শত্রুঘ্ন সিনহার। আজই আসানসোল কেন্দ্রের জন্য মনোনয়ন পত্র জমা িদয়েছেন তিনি। এই কেন্দ্রে শত্রুঘ্ন সিনহার প্রতিপক্ষ বিজেপির অগ্নিমিত্রা পল। বিধানসভায় এই কেন্দ্রে জয়ী হয়েছিলেন সেখানে এবার তাঁকেই লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থী করেছে বিজেপি।

বাবুল সুপ্রিয়র পদত্যাগের পর আসানসোলকে ধরে রাখতে মরিয়া বিজেপি। বাবুল সুপ্রিয় নিজে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন। তাঁকে তৃণমূল কংগ্রেস বালিগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রে প্রার্থী করেছে। সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের মৃত্যুর পর এই কেন্দ্রটি ফাঁকা হয়ে গিয়েছিল। সেই কেন্দ্রে বাবুল সুপ্রিয়র উপরেই আস্থা রেখেছে তৃণমূল কংগ্রেস। তিনি আজ মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। একুশের বিধানসভা ভোটের আগেই তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়েছিলেন শত্রুঘ্ন সিনহা। তাঁকে আসানসোলের টিকিট দিয়েছে শাসক দল।
শত্রুঘ্ন সিনহাকে আসানসোল কেন্দ্রের টিিকট েদওয়ার পরেই বিজেপি তাঁকে বহিরাগত বলে নিশানা করেছে। বিহারি বাবু বলে কটাক্ষ করতেও ছড়েননি। এই বহিরাহত ইস্যুতে সামনে রেখেই আসানসোলে প্রচার শুরু করেছে বিজেপি। তাই সোমবার মনোনয়ন পত্র পেশ করতে যাওয়ার আগে বিজেপিকে মোক্ষম জবাব দিয়েছেন শত্রুঘ্ন সিনহা। তিনি তীব্র নিশানা করে বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী যদি বারাণসী থেকে প্রার্থী হতে পারেন তাহলে তিনি কেন বাংলার আসানসোল থেকে প্রার্থী হতে পারবেন না। রবিবার বিকেলেই অন্ডাল বিমানবন্দরে পৌঁছন তিনি। সেখানে তাঁকে স্বাগত জানাতে গিয়েছিলেন মন্ত্রী মলয় ঘটক। শত্রুঘ্ন সিনহা বলেছেন তিনি সবসময় বাংলার উন্নয়নের পাশে ছিলেন এবং থাকবেন। এদিকে বিজেপি কিন্তু তাঁকে বহিরাগত তকমা দিয়েই প্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন আসানসোলে। বিজেপির বঙ্গ সভাপতি সুকান্ত মজুমদার এবং অগ্নিমিত্রা পলও শত্রুঘ্ন সিনহাকে বহিরাগত বলে নিশানা করেছেন।
এদিকে আবার তৃণমূলের অন্দরে জল্পনা শুরু হয়েছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে চাপে রাখতেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাইরে থেকে প্রার্থী এনে আসানসোলে দাঁড় করিয়েছেন। সম্প্রতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়েক সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে চলে এসেছিল। অভিষেকের সর্বভারতীয় সম্পাদকের পদ অবলুপ্ত করেছিলেন তিনি। অভিষেকের ক্ষমতা খর্ব করতেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তিনি। তার পরেই শত্রুঘ্ন সিনহাকে আসানসোল কেন্দ্রের টিকিট দেওয়ার কথা ঘোষণা করে তৃণমূল কংগ্রেস। এদিকে শত্রুঘ্নকে নিয়ে নতুন করে বহিরাগত রাজনীতি শুরু করেছে বিজেপি।












Click it and Unblock the Notifications