স্বামী কংগ্রেসে, স্ত্রী অখিলেশের দলে, ‘স্টার’ দম্পতিই এখন মোদী-বিরোধী জোটের প্রতীক
বিজেপিতে বিদ্রোহীর খাতায় নাম লিখিয়েছিলেন অনেকদিন আগেই। তিনি যে এবার বিজেপির বিরুদ্ধে প্রার্থী হবেন, তাও জানা গিয়েছিল বহুদিন।
বিজেপিতে বিদ্রোহীর খাতায় নাম লিখিয়েছিলেন অনেকদিন আগেই। তিনি যে এবার বিজেপির বিরুদ্ধে প্রার্থী হবেন, তাও জানা গিয়েছিল বহুদিন। সেইমতোই নিজের কেন্দ্র পাটনা সাহিব থেকে বলিউড স্টার শত্রুঘ্ন সিনহা প্রার্থী হয়েছেন কংগ্রেসের টিকিটে। এবার তাঁর স্ত্রী-র সপা-যোগে স্পষ্ট হল এই সিনহা-দম্পতিই মোদী বিরোধী জোটের প্রতীক হয়ে উঠেছেন।

উত্তরপ্রদেশে আদতে মহাজোট
আসলে উত্তরপ্রদেশে আদতে মহাজোট হয়েছে কি না, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে ভিন্নমত রয়েছে। আদতে সপা-বসপা-আলএলডি আসন সমঝোতা করেছে। কংগ্রেস সেই সমঝোতায় নেই। তাঁরা এককভাবে লড়ছে। তেমনই রাহুল ও সোনিয়ার বিরুদ্ধে প্রার্থী দেয়নি বুয়া-ভাতিজার মহাজোট। আর এদিন একইভাবে সমাজবাদী পার্টির তরফ থেকেই শত্রুঘ্ন সিনহার স্ত্রী পুনমের বিরুদ্ধে প্রার্থী না দেওয়ার আহ্বান জানালেন অখিলেশ।

মোদী বিরোধী জোটের পরিকল্পনা
আর এটাও পরিষ্কার যে, অখিলেশ আহ্বান না জানালেও কংগ্রেস প্রার্থী দিত না শত্রুঘ্ন সিনহার স্ত্রীর বিরুদ্ধে। কারণ এসবই মোদী বিরোধী জোটের পরিকল্পনা, তা বুঝতে বাকি নেই রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের। শুধু ভোট পরবর্তী জোটের ভাবনা নয়, প্রাক-নির্বাচনী জোটও যে হয়েছে অঙ্ক কষে তা স্পষ্ট এই সমীকরণে।

বেশ কিছু আসনে প্রার্থী দেবে না কংগ্রেস
কংগ্রেসের পক্ষ থেকেও বেশ কিছু আসনে প্রার্থী দেওয়া হবে না, এটা আগেও জানিয়েছিলেন রাহুল। যদিও মায়াবতী কংগ্রেসের সেই সিদ্ধান্তে সোচ্চার হয়েছিলেন, তবু এটাকে রাজনীতি বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। উত্তরপ্রদেশে কংগ্রেসকে যে জোটের বাইরে রাখা হয়েছে পরিকল্পনা করেই, তাও মনে করছে একাংশ।

রাজনাথের বিরুদ্ধে পুনম
উল্লেখ্য, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের বিরুদ্ধে লোকসভা ভোটে লড়তে সমাজবাদী পার্টিতে যোগ দিয়েছেন শত্রুঘ্ন সিনহার স্ত্রী পুনম সিনহা। সপার টিকেটে উত্তরপ্রদেশের লখনউ থেকে তিনি ভোটে লড়বেন। মঙ্গলবার, সপা সুপ্রিমো অখিলেশ যাদবের স্ত্রী ডিম্পল যাদবের উপস্থিতিতে তিনি যোগদান করেন।
[আরও পড়ুন:বাম-তৃণমূল-বিজেপির নির্বাচনী ইস্তেহারের বিভিন্ন বিষয়ের তুলনা একনজরে]

একের বিরুদ্ধে একের অঙ্ক
৬ মে লখনউ কেন্দ্রে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ১৮ এপ্রিল পুনম সিনহা মনোনয়ন জমা দেবেন বলে জানানো হয়েছে। ভোট কাটকাটি রুখতে কংগ্রেসকে আবেদনের পাশাপাশি অখিলেশ মনে করছেন, সেখানকার পাঁচ লাখেরও বেশি কায়স্থ এবং সিন্ধি ভোটের অধিকাংশই তাদের দিকে আসবে। রাজনাথ সিংকে চ্যালেঞ্জ জানানোর পক্ষে তা যথেষ্ট।
[আরও পড়ুন:পশ্চিমবঙ্গ লোকসভা নির্বাচন ২০১৯-এর সব রকমের আপডেট পেতে ক্লিক করুন এই লিঙ্কে]












Click it and Unblock the Notifications