'এক আজনবি হাসিনা সে..' শ্রীনগরে শশী থারুরের কণ্ঠে কিশোর কুমারের গান ! ভাইরাল ভিডিও
ভাষাগতভাবে শব্দ চয়নের ক্ষেত্রে ও শুদ্ধ ইংরেজি শব্দ ব্যবহারের ক্ষেত্রে শশী থারুরের পারদর্শিতা সর্বজনবিদিত। শিক্ষা জগতে র অন্যতম বিশিষ্ট ব্যক্তি হিসাবেও শশী থারুরের নাম বেশ পরিচিত। সাহিত্য থেকে সংস্কৃতিক জগত সমস্ত দিকেই এই তারকা রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের প্রবল দখল রয়েছে। এহেন শশী থারুর এবার কাশ্মীরের বুকে দাঁড়িয়ে গেয়ে ফেললেন কিশোর কুমারের গান। নেপথ্যে কোন কারণ?

শ্রীনগরে শশী থারুরের গান
শ্রীনগরে শশী থারুর দূরদর্শন কেন্দ্রে এক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন। সেখানে সংসদীয় কমিটির সদস্য হিসাবে তিনি যোগ দেন। প্রসঙ্গ, তথ্য় ও প্রযুক্তি সংক্রান্ত সংসদীয় কমিটির সদস্য হিসাবে শশী থারুর সেখানে অংশগ্রহণ করেন। আর অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েই কার্যত মাত করে দেন শশী থারুর। হাতে মাইক্রোফোন নিয়ে শশী থরুর শুরু করে দেন বলিউডের নামী এক হিট গান। এরপর সেই গান সে সোশ্যাল মিডিয়ায়।

'এক আজনবি হাসিনা সে'
বলিউডের হিট নম্বর 'এক আজনবি হাসিনা সে , ইউ মুলাকাত হো গ্যায়ি'। কিশোর কুমারের কণ্ঠে ১৯৭৪ সালে এই গানটি মুক্তি পায়। ফিল্মের নাম 'আজনবি'। রাজেশ খান্না ও জিনাত আমনের ওপর চিত্রায়িত এই গান নিয়ে রীতিমতো ব্লকবাস্টার হিট ছিল। সেই গানই এবার উঠে এল শশী থারুরের কণ্ঠে। শ্রীনগরের দুরদর্শনের স্টুডিওতে গানটি গেয়ে ফেললেন শশী থারুর।
Recommended Video

কেন গানটি গাইলেন কংগ্রেস নেতা?
রাজনৈতিক ময়দানে তিনি পর পর যুক্তি সাজিয়ে বহু তর্ক বিতর্কে অংশ নেন। তখনও মাইক্রোফোনের সামনে গম্ভীর , ক্ষোভে ফেটে পড়া প্রতিবাদী কংগ্রেস নেতা শশী থারুরকে দেখা যায়। তবে সেই শশী থারুরের থেকে এই 'গায়ক' শশী থারুর আলাদা। কেরলের এই সাংসদ স্পষ্ট হিন্দিতে এই গান গেয়েছেন কবল কমিটির সদস্যদের জন্য। শ্রীনগর দূরদর্শনের এক অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে এই গানটি তিনি গান। এরপর সেই অনুষ্ঠানের অংশের ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেন শশী। আর তা মুহূর্তে ভাইরাল হয়ে যায়।
|
সংস্কৃতিপ্রেমী শশীর কণ্ঠে কিশোরের গান
দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্ট সটিফেন্স কলেজের ছাত্র শশী থারুর। কলেজে পড়াকালীন কুইজ , নাটক সহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক দিকে নিজের পারদর্শিতা তুলে ধরেছেন শশী। বহু বছর সেন্ট স্টিফেন্সে পড়াকালীন সেখানের ছাত্র ইউনিয়নের নেতাও ছিলেন তিনি। পরবর্তীকালে ইন্টারন্যাশনাল রিলেসান্স নিয়ে বিদেশে পড়াশোনা করেন শশী। ফ্লেচার স্কুল থেকে ২২ বছর বয়সে তিনি ডক্টরেট উপাধি পান। যা কার্যত রেকর্ড ছিল। এহেন শশী যে নিজের সংস্কৃতির প্রতি ভালোবাসাকে আষ্টেপিষ্টে ধরে রেখেছেন, তার প্রমাণ দিচ্ছে এই ভিডিও।












Click it and Unblock the Notifications