জারি সেনসেক্স পতনের রেকর্ড! করোনা-ইয়েস ব্যাঙ্ক আতঙ্কে শেয়ার বাজারে ধসের ইঙ্গিত
ইয়েস ব্যাঙ্ক ও করোনা ভাইরাসের জেরে ধাক্কা খেয়েই চলেছে শেয়ার বাজার। গত সপ্তাহের বৃহস্পতিবারই বড় ধাক্কা খেয়েছিলেন ইয়েস ব্যাঙ্কের আমানতকারীরা। এরপর থেকে শুক্রবার থেকেই বড় পতন শুরু হয় বাজারে। শুক্রবার বাজার খুলতেই ১৪০০ পয়েন্ট পড়ে যায় সূচক। আর সেই রেশ ধরে রেখে সপ্তাহের শুরুতেই ফের বড় পতন লক্ষ্য করা গেল বাজারে।

বছরে সব থেকে নিচে সেনসেক্স
এর আগে শুক্রবার ২০২০ সালে সব থেকে নিচে নেমে যায় সেনসেক্স। সেই রেকর্ডকে ভেঙে আজ আরও নিচে নামল সূচক। আজ শেয়ার বাজারে লেনদেন শুরু হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই ১১৩৯.৭১ পয়েন্ট পতন হয় সেনসেক্সে।দিনের লেনদেন আরও গড়াতে আরও বড় পতন দেখা যায়। ১৭০০ পয়েন্ট পড়ে যায় সেনসেক্স। এর জেরে সূচক গিয়ে দাঁড়ায় ৩৫৮৫৭.৮১ পয়েন্টে। নিফটিও পড়ে ৪৬৪ পয়েন্ট। এর জেরে নিফটি দাঁড়ায় ১০,৫২৫.৪৫ পয়েন্টে।

ইয়েস ব্যাঙ্ক-করোনা ভাইরাস আতঙ্কের জের
বৃহস্পতিবার আরবিআইয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ইয়েস ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্ট থেকে মাথা পিছু ৫০ হাজারের বেশি টাকা তোলা যাবে না আগামী একমাস। পাশাপাশি করোনা ভাইরাসের প্রকোপে বিশ্বজুড়ে মন্দা তো রয়েছে। এরই জেরে ফের বড় পতন দেখা গেল শেয়ার বাজারে। আজ শেয়ার বাজার খুলতেই সেনসেক্সে বড় পতন দেখা যায়। পতন হয় নিফটিতেও।

পতন হয়েছে বিশ্ব বাজারে
এদিকে ইউরোপীয় এবং মার্কিন স্টক মার্কেটগুলিতে আবার সূচকে হ্রাস লক্ষ্য করা গিয়েছিল গত সপ্তাহের শেষ লগ্নে। বিশেষজ্ঞদের মত, চিনের বাইরে করোনা ছড়িয়ে পড়ার খবর আসতেই এই পতন হয়েছে।

বড় আশঙ্কার মুখে এশিয়ার অর্থনীতি
অর্থনীতিবিদদের একাংশের মতে, এশিয়া প্যাসেফিক অঞ্চলের অর্থনীতি রীতিমতো ঝুঁকির মুখে পড়েছে করোনা ভাইরাস আরও ছড়িয়ে পড়ায়৷ পর্যটন শিল্পের পাশাপাশি এই ভাইরাসের জেরে বন্ধ হয়ে গিয়েছে চিনের আমদানি রফতানিও। এর জেরে এই অঞ্চলের অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে বিস্তর। যদি আগামী কয়েক সপ্তাহে চিনের উহান শহরে এই মহামারী তাড়াতাড়ি নিয়ন্ত্রণ না করা যায় তবে বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় ধস নামবে বলে আশঙ্কা অর্থনীতিবিদ ও বিশেষজ্ঞদের৷












Click it and Unblock the Notifications