প্রাথমিক ধাক্কা কাটিয়ে সুবজ সঙ্কেত শেয়ারবাজারে! আশার আলো বিনিয়োগকারীদের চোখে
শুক্রবার বাজারের লেনদেন শুরু হতেই ৩ হাজার পয়েন্ট পতনের জেরে ৩০ হাজারের নিচে চলে গিয়েছিল সূচক। সেই প্রাথমিক ধাক্কা কাটিয়ে ফের উর্ধ্বমুখী শেয়ারবাজার। দিনের লেনদেন গড়াতেই ফের ৩৯৬০ পয়েন্ট উঠে যায় সেনসেক্স। এর জেরে ধসের আতঙ্ক থেকে রেহাই পান বিনিয়োগকারীরা। দুপুর নাগাদ সেনসেক্স বেড়ে দাঁড়ায় ৩৩,৭৩৫ পয়েন্ট।

সেনসেক্সের প্রাথমিক পতনের কারণ কী?
বিশেষজ্ঞদের মত, করোনা ভাইরাসের জেরে কোনও ভাবেই ভরসা রাখতে পারছেন না বিনিয়োগকারীরা। শুক্রবার শেয়ারবাজারে লেনদেন চালু হতেই তাই ফের বড় পতন দেখা যায় সেনসেক্সে। এদিন এই সূচকের পতনের মধ্যেই ৪৫ মিনিট বন্ধ হয়ে যায় প্রথামিক লেনদেন। ৪৫ মিনিট পর ফের লেনদেন চালু হলে ফের সূচক পড়তে শুরু করে। বাজারে লেনদেন চালু হওয়ার এক ঘণ্টা যেতে না যেতেই ৩০০০ পয়েন্ট পতন হয় সেনসেক্সে।

নিফটিও আপাতত উর্ধ্বমুখী
এদিকে সেনসেক্সের পাশাপাশি এদিন নিফটির পতনও হয় বড় অঙ্কের। শেয়ার বাজারে লেনদেন চালু হতেই ৭৫২.৯ পয়েন্ট পডড়ে যায় নিৎটি। এর জেরে ৯ হাজারেরও নিচে চলে যায় নিফটি। প্রথম ঘণ্টা শেষে নিফটি গিয়ে ঠেকে ৮৮৩০.৯ পয়েন্টে। তবে সেনসেক্সের পাশাপাশি নিফটিও সবুজ কাটায় চলছে বর্তমানে।

তবে এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলে নিম্নমুখী শেয়ার বাজার
এমএসসিআইয়ের এশিয়া-প্যাসিফিক শেয়ারের ব্রডকাস্ট ইন্ডেক্স অনুযায়ী জাপানের বাইরের দেশগুলিতে ২০১৯ সালের প্রথম দিকের থেকে খারাপ অবস্থায় চলে গেছে শেয়ার সূচক। জাপানের শেয়ারের সূচকে পতন হয়েছে ১০ শতাংশের। গতকালও এই পতন লক্ষ্য করা গিয়েছিল। গতকাল সূচক সর্বনিম্ন পর্যায় ৪.১ শতাংশ হ্রাস পায় বাজার এবং জাপানের নিকিকের শেয়ার ৫.৩ শতাংশ হ্রাস পেয়েছিল। অস্ট্রেলিয়ার বেঞ্চমার্ক ৭.৪ শতাংশ নেমে যায়, দক্ষিণ কোরিয়ার কোস্পিআই ৪.৬ শতাংশ কমে গিয়ে সাড়ে চার বছরের মধ্যে সবচেয়ে খারাপ অবস্থায় পৌঁছেছে।












Click it and Unblock the Notifications