Sharad Vs Ajit: চারবার ব্যর্থ NCP-BJP জোট! 'দ্বিচারি' কাকা শরদকে নিশানা অজিত পাওয়ারের
বুধবার মুম্বইতে দু-জায়গায় এনসিপির দুই গোষ্ঠী অনুগতদের নিয়ে বৈঠক করে। সেই দুই বৈঠকে সংখ্যার নিরিখে এগিয়ে অজিত পাওয়ার। অজিত পাওয়ারের পাশে দলের অন্তত ৩০ জন বিধায়ক রয়েছেন। সেই বৈঠকে অজিত পাওয়ার কাকা শরদ পাওয়ারের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ (Sharad Vs Ajit) শানিয়েছেন।
মুম্বইতে শক্তি প্রদর্শনের সভায় অজিত পাওয়া বলেছেন, কাকা ডাবল গেম খেলছেন। মহারাষ্ট্রের উপ মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ সিনিয়র পাওয়ার দ্বিচারিতার কারণে একবার নয় চারবার বিজেপির সঙ্গে জোট তৈরির চেষ্টা ব্যর্থ হয়। ২০১৪, ২০১৭, ২০১৯ এবং ২০২২-এই বারবার জোটের জন্য উভয়পক্ষের আলোচনাও হয়।

২০১৪-তে দেবেন্দ্র ফড়নবিশ মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার সময় তাদের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে যেতে বলা হয়েছিল। সেখানে যোগ দেওয়ার কথা না থাকলেও, কেন তাদেরকে সেখানে যেতে বলা হয়েছিল, সেই প্রশ্ন করেছেন অজিত পাওয়ার।
এরপর ২০১৭। সেই বছরে এনসিপি আবার বিজেপির সঙ্গে হাত মেলানোর চেষ্টা করেছিল। অজিত পাওয়ারের দাবি, বৈঠকে ছগন ভুজবল, জয়ন্ত প্যাটেল এবং অন্য সিনিয়র নেতারা উপস্থিত ছিলেন। বিজেপির তরফে দেবেন্দ্র ফড়নবিশ, চন্দ্রকান্ত পাতিলের মতো নেতারা উপস্থিত ছিলেন। সেই বৈঠকে ক্যাবিনেট পোর্টফোলিও এবং অন্য মন্ত্রীদের দফতর নিয়েও আলোচনা হয়েছিল।
সেই সময় বিজেপি শিবসেনাকে ছাড়তে অস্বীকার করেছিল। কেননা তার আগের পঁচিশ বছর ধরে বিজেপির সঙ্গী ছিল শিবসেনা। অন্যদিকে এনসিপি আবার শিবসেনাকে সাম্প্রদায়িক দল মনে করত সেই সময়। যে কারণে আলোচনা শুরু হলেও এনসিপি পিছিয়ে যায় (Sharad Vs Ajit)।

২০১৯-এর পরিস্থিতি বর্ণনা করতে গিয়ে মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ার বলেছেন, লোকসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার পরে পরিস্থিতি তীব্র ছিল। এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে বিজেপি ও এনসিপি নেতাদের বৈঠক হয়। সেই বৈঠকে দেবেন্দ্র ফড়নবিশ, প্রফুল প্যাটেল এবং তিনি উপস্থিত ছিলেন বলে জানিয়েছেন অজিত পাওয়ার।
এই ধরনের পাঁচটি বৈঠকের পরেই চুপ থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়। তাহলে ২০১৭-তে শিবসেনাকে সাম্প্রদায়িক বলার পরে দুই বছরের মধ্যে কি তাদের মধ্যে কোনও পরিবর্তন কিছু হয়েছিল, প্রশ্ন করেছেন অজিত পাওয়ার।
২০২২-এর পরিস্থিতির কথা বলতে গিয়ে অজিত পাওয়ার বলেছেন, শিবসেনার মধ্যের কিছু অস্থিরতার কথা তিনি উদ্ধব ঠাকরের কাছে তুলে ধরেছিলেন। সেই সময় ৫৩ জন এনসিপি বিধায়ক ছাড়াও বিধান পরিষদের ৯ জন সদস্য একটি চিঠিতে সই করেছিলেন, যাতে তারা সরকারের অংশ হতে পারেন।
সেই সময় বিজেপি ইন্ডোরে বৈঠকের জন্য আমন্ত্রণ জানায়। অন্যদিকে শারদ পাওয়ার বলেছিলেন এই ধরনের ঘটনা মিডিয়ার সামনে আসা উচিত নয়। অজিত পাওয়ার বলেছেন, শরদ পাওয়ার তাঁকে ভিলেন হিসেবে পরিচিত করতে চাইলেও, তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা অটুট রয়েছে (Sharad Vs Ajit) বলে জানিয়েছেন মহারাষ্ট্রের নতুন উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ার।












Click it and Unblock the Notifications