Sharad Vs Ajit: আগে থেকেই পরিকল্পনা অজিত পাওয়ারের! দল রক্ষায় শারদের হাতিয়ার মোদীর 'বিবৃতি'
অনেক আগে থেকেই পরিকল্পনা করেছিলেন অজিত পাওয়ার। গত ২ জুলাই একনাথ শিন্ডের নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকারে যোগ দিয়েছিলেন দলের জাতীয় সভাপতি হিসেবে। তার আগে গত ৩০ জুন নির্বাচন কমিশনের কাছে দলের প্রতীকের জন্য দরকারও করেছিলেন ( Sharad Vs Ajit)।
শারদ পাওয়ার কংগ্রেস ভেঙে ১৯৯৯ সালে ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টি তৈরি করেছিলেন। সেই দলের প্রতীক ঘড়ি। কিন্তু দলের কর্তৃত্ব আর প্রতীক এখন শারদ পাওয়ারের হাতছাড়া হওয়ার পথে। কেননা অজিত পাওয়ার নির্বাচন কমিশনে প্রমাণ পেশ করেছেন সংগঠন থেকে বিধায়ক বেশিরভাগ তাঁরই দিকে( Sharad Vs Ajit)।

অজিত পাওয়ার আগেই পাশে পেয়েছিলেন দলেরই ৪০ জন বিধায়ককে। তাঁদের হলফনামা জমা দিয়েছিলেন নির্বাচন কমিশনে। ফলে ৩০ জুনের নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামাতেই প্রকাশ হচ্ছে, কাকা শারদ পাওয়ারকে সরানোর পরিকল্পনা অজিত পাওয়ারের ছিল অনেক আগে থেকেই।
উল্লেখ করা প্রয়োজন ২০১৯-এ অজিত পাওয়ার যখন শারদ পাওয়ারের বিরুদ্ধে প্রথমবার বিদ্রোহ ঘোষণা করেন এবং দেবেন্দ্র ফড়নবিশের সঙ্গে উপমুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন, সেই সময় দলের মধ্যে সমর্থন না পেয়ে তিনি পিছু হটতে বাধ্য হয়েছিলেন। তাই এবার আর ভুল নয়, অনেক আগে থেকেই পরিকল্পনা করেছিলেন অজিত পাওয়ার।
অজিত পাওয়ার এবং বিদ্রোহী অপর চার বিধায়ক মহারাষ্ট্র সরকারে যোগদান করেন ২ জুলাই। একদিন পরেই তাঁরা দলের শীর্ষ নেতৃত্বে পরিবর্তনের কথা জানিয়েছিলেন। সেই সময় জয়ন্ত পাতিলকে সরিয়ে সুনীল তাটকরেকে মহারাষ্ট্র ইউনিটের সভাপতি নিযুক্ত করে।
শারদ পাওয়ার গোষ্ঠী অজিত পাওয়ারের বিদ্রোহ সামনে আসার একদিন পরেই ৩ জুলাই নির্বাচন কমিশনে একটি আবেদন দাখিল করে। দলের দখল নিয়ে কোনও নির্দেশ দেওয়ার আগে, তাদের মন্তব্য যেন শোনা হয়, সেই আবেদন করা হয় নির্বাচন কমিশনের কাছে।

এদিন শারদ পাওয়ার মুম্বইতে দলের কর্মীদের আশ্বস্ত করে বলেছেন, দলের প্রতীক তাদের কাছেই রয়েছে ( Sharad Vs Ajit)। এদিন শারদ পাওয়ারে পাশাপাশি অজিত পাওয়ারও দলের শক্তি প্রদর্শনে আলাদা বৈঠক করেছেন। যেখানে অজিত পাওয়ারের বৈঠকে ৩০ জন বিধায়ক উপস্থিত ছিলেন, সেখানে শারদ পাওয়ার শিবিরে উপস্থিত বিধায়কের সংখ্যাটা ছিল ১৪।
অজিত পাওয়ার গোষ্ঠীর দাবি ৫৩ জন এনসিপি বিধায়কের মধ্যে কমপক্ষে ৩৮ জনের সমর্থন রয়েছে, তাদের দিকে। অন্যদিকে শারদ পাওয়ার গোষ্ঠীর পক্ষে ১৫ জনের। পরিস্থিতি বুঝতে বিন্দুমাত্র অসুবিধা না হওয়া শারদ পাওয়ার এদিন নতুন এনসিপি তৈরির ডাক দিয়েছেন। তিনি বলেছেন অতীতে ৬৮ জন বিধায়কের ৬২ জন চলে যাওয়ার পর কেউই নতুন করে নির্বাচিত হতে পারেননি।
অজিত পাওয়ার এদিন নিজের কাকাকে তীব্র আক্রমণ করেছেন। তিনি বলেছেন, আইএএস অফিসাররা ৬০ বছরে অবসর নেন। বিজেপি নেতারা ৭৫ বছর বয়সে অবসর নেন। কিন্তু কেন শারদ পাওয়ার ৮৩ বছর বয়সেও অবসর নেন না, সেই প্রশ্ন তোলেন অজিত পাওয়ার।
অন্যদিকে শারদ পাওয়ার তাঁর ভাইপো পাল্টা আক্রমণ করে বিজেপির সঙ্গে হাত মেলনোর তীব্র বিরোধিতা করেছেন ( Sharad Vs Ajit)। তিনি অজিত পাওয়ারকে মনে করিয়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মোদী সম্প্রতি এনসিপিকে দুর্নীতিগ্রস্ত দল বলেছিলেন।












Click it and Unblock the Notifications