কলকাতায় মমতা-নীতীশের বৈঠকের দিনই বিরোধী ঐক্য নিয়ে বড় মন্তব্য! পাওয়ারের কথায় জল্পনা তীব্র
২০২৪-এর লক্ষে বিরোধী ঐক্যকে জোরদার করতে অখিলেশ যাদব, কুমারস্বামীর পর এবংর নীতীশ-তেজস্বীর সঙ্গে বৈঠক করলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে সেই একইদিনে এনসিপি সুপ্রিমো শারদ পাওয়ারের মন্তব্যে শুরু হয়েছে জল্পনা।
অমরাবতীতে করা সাংবাদিক সম্নেলনে শারদ পাওয়ারকে ২০২৪-এর সাধারণ নির্বাচনে লড়াই নিয়ে প্রশ্ন করা হয়েছিল। মহা বিকাশ আঘাধি মহারাষ্ট্রে একসঙ্গে লড়াই করতে কিনা, তা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে পাওয়ার জানান, তারা মহা বিকাশ আঘাধির অংশ। তাদের একসঙ্গে কাজ করার ইচ্ছা রয়েছে। কিন্তু রাজনীতিতে একার ইচ্ছার গুরুত্ব নেই বলেছেন তিনি।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, মহারাষ্ট্রে বর্তমানে রাজনৈতিক অস্থিরতা চলছে। তারই মধ্যে এনসিপি সুপ্রিমো শারদ পাওয়ারের মন্তব্য যথেষ্টই তাৎপর্যপূর্ণ। তিনি বলেছেন, ২০২৪-এর নির্বাচনে তারা একসঙ্গে থাকবেন কিনা তা নিয়ে কিছু বলা যাচ্ছে না।
শারদ পাওয়ার এমন একটা সময়ে এই মন্তব্য করলেন, যে সময় মহারাষ্ট্রে তাঁর ভাইপো অজিত পাওয়ারের বিজেপিতে যোগদান নিয়ে আলোচনা চলছে। সাংবাদিক সম্মেলনে শারদ পাওয়ার বলেন, মহারাষ্ট্রের নাশকতার রাজনীতি চলছে। এতে রাজ্যের ক্ষতি হচ্ছে। তিনি বলেছেন নাশকতার রাজনীতি যাঁরা করছেন করুন, কিন্তু তাঁদেরকে যা করার করতে হবে।

তবে মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী একনাখ শিন্ডে পাওয়ারের মন্তব্যকে স্বাগত জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, পাওয়ার অভিজ্ঞ নেতা। তাঁর বক্তব্যে গাম্ভীর্য আছে বলেও মন্তব্য করেছেন শিন্ডে। শেষে তিনি বলেছেন যে ভাবতে চায়, তাকে ভাবতে দিতে হবে।
রবিবার মহা বিকাশ আঘাধির অন্যতম দল শিবসেনা উদ্ধব গোষ্ঠীর অন্যতম নেতা সঞ্জয় রাউত বলেছেন, খুব তাড়াতাড়ি মহারাষ্ট্রের বর্তমান সরকারের পতন হতে চলেছে। এই সময়েই অজিত পাওয়ারের বিজেপিতে যোগ দেওয়ার কথা বলছে। একটি সূত্রের খবর এনসিপির ৫৩ জন বিধায়কের মধ্যে ৩০-৩৪ জন শিন্ডে -ফড়নবিশ সরকারের অংশ হতে পারেন।

সূত্রের খবর অনুযায়ী, এনসিপির প্রফুল্ল প্যাটেল, সুনীল তাটকারে, ছগন ভুজবল এবং ধনঞ্জয় মুন্ডের মতো অনেকের সমর্থন রয়েছে অজিত পাওয়ারের পিছনে। তবে এনসিপিতে ভাঙন নিয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে শারদ পাওয়ার বলেন, যদি কঠোর অবস্থান নিতে হয়, তাহলে তারা তা নেবেন।
বর্তমানে মহারাষ্ট্র বিধানসভায় ২৮৮ জন সদস্যের মধ্যে এনডিএ জোটের বিধায়ক সংখ্যা ১৬২ (বিজেপি ১০৫, শিবসেনা শিন্ডে ৪০, প্রখর জনশক্তি পার্টি ২, অন্যরা ৩ এবং নির্দলীয় ১২ জন সদস্য রয়েছে।
অন্যদিকে এনভিএ-র বিধায়ক সংখ্যা ১২১ (এনসিপি ৫৩, কংগ্রেস ৪৫, উদ্ধব গোষ্ঠীর শিবসেনা ১৭, এসপি ২ এবং অন্যরা ৪)।












Click it and Unblock the Notifications