মধ্যপ্রদেশে কমলনাথের ইস্তফা, কংগ্রেস হাইকমান্ডের ভূমিকায় উঠছে নানা প্রশ্ন
মধ্যপ্রদেশে আস্থাভোটের আগে মুখ্যমন্ত্রী কমলনাথ ইস্তফা দিতেই কংগ্রেস হাইকমান্ডের ভূমিকা স্পটলাইটের সামনে। দলের অনেকেই বলছেন, সরকারকে বাঁচাতে যেসব ব্যবস্থা গ্রহণের দরকার ছিল, তা করেনি কংগ্রেসের সর্বে
মধ্যপ্রদেশে আস্থাভোটের আগে মুখ্যমন্ত্রী কমলনাথ ইস্তফা দিতেই কংগ্রেস হাইকমান্ডের ভূমিকা স্পটলাইটের সামনে। দলের অনেকেই বলছেন, সরকারকে বাঁচাতে যেসব ব্যবস্থা গ্রহণের দরকার ছিল, তা করেনি কংগ্রেসের সর্বোচ্চ নেতৃত্ব।

কমলনাথ, দিগ্বিজয়ের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন
সরকারের বাঁচাতে কমলনাথ এবং দিগ্বিজয় চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু তাঁদের সেই চেষ্টা দলেরই অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের কারণে সঠিকভাবে কাজ করেনি। এছাড়াও উত্তরাখণ্ডের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী হরিশ রাওয়াত এবং এআইসিসির সাধারণ সম্পাদক মুকুল ওয়াসনিককে সেখানে পাছানো হলেও তা যথেষ্ট ছিল না। মুকুল ওয়াসনিক ব্যক্তিগত কারণে ফিরে এলেও, দল সেই সময় প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পবন কুমার বনসালকে সেখানে পাঠায়।

দিল্লিতে কি কোনও বৈঠক হয়েছিল, উঠছে প্রশ্ন
কংগ্রেসের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব জানিয়েছিল সেখানে দুই বড় নেতা রয়েছেন, তাঁরাই বিষয়টি ম্যানেজ করবেন। কিন্তু দিল্লিতে কি এই সংকট নিয়ে কোনও বৈঠক হয়েছিল, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন, কংগ্রেসের সিনিয়র নেতারা। কেন গোলাম নবি আজাদ, একে অ্যান্টনি কিংবা আহমেদ প্যাটেলের মতো নেতাদের ভোপালে পাঠানো হল না, তা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন।

কর্নাটক, মেঘালয়, মহারাষ্ট্রের সঙ্গে তুলনা
এব্যাপারে গতবছর কর্নাটকে কংগ্রেস-জেডিএস সরকারের পতনের সময়কার কথা তুলে ধরা হচ্ছে। সেই সময় গোলাম নবি আজাদ এবং বিকে হরিপ্রসাদের মতো নেতাকে সেখানে পাঠানো হয়েছিল। অন্যদিকে ২০১৮-তে মেঘালয় সরকার গঠন নিয়ে সেখানে পাঠানো হয়েছিল আহমেদ প্যাটেল, কমলনাথ, সিপি যোশীর মতো নেতাকে। অন্যদিকে মহারাষ্ট্রে সরকার গঠনের সময়ও কেসি বেনুগোপাল এবং মল্লিকার্জুন খার্গের মতো নেতাকে সেখানে পাঠানো হয়েছিল।

কংগ্রেসের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বে সুযোগ নিয়েছে বিজেপি
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক নেতা বলছেন সমস্যাটা ছিল কংগ্রেসের অভ্যন্তরে। আর তারই সুযোগ নিয়েছে বিজেপি। সিনিয়র নেতাদের যদি আগেই পাঠানো যেত সেখানে, তাহলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা যেত বলে মনে করছেন দলের একাংশের নেতারা।












Click it and Unblock the Notifications