সর্ষের মধ্যেই ভূত, ইপিএফ-এ কোটি কোটি টাকার জালিয়াতিতে শুরু তদন্ত
এবার কর্মচারি প্রভিডেন্ট ফান্ডের মতো সংস্থাতেও কোটি কোটি টাকা জালিয়াতির অভিযোগ। মুম্বইয়ের একটি আঞ্চলিক কার্যালয়ে ইপিএফ(epf)-এর সেভিংস থেকে কয়েক কোটি টাকা তুলে (fraudulant withdrawal) নেওয়া হয়েছে। এব্যাপারে সংস্থার
এবার কর্মচারি প্রভিডেন্ট ফান্ডের মতো সংস্থাতেও কোটি কোটি টাকা জালিয়াতির অভিযোগ। মুম্বইয়ের একটি আঞ্চলিক কার্যালয়ে ইপিএফ(epf)-এর সেভিংস থেকে কয়েক কোটি টাকা তুলে (fraudulant withdrawal) নেওয়া হয়েছে। এব্যাপারে সংস্থার বেশ কয়েকজন আধিকারিক যুক্ত রয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

ইপিএফ-এ জালিয়াতি
সূত্রের খবর অনুযায়ী, বুধবার পর্যন্ত এই ধরনের টাকা তুলে নেওয়ার কাণ্ডে প্রায় ৩৭ কোটি টাকা হাতবদল হয়েছে। যার অধিকাংশই ইপিএফ থেকে আংশিক টাকা তুলে নেওয়ার মতো ঘটনা।
এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় যোগসাজসের অভিযোগে চার আধিকারিককে সাসপেন্ড করা হয়েছে। লেনদেন যাচাই করে দেখতে মুম্বইয়ে ইপিএফও-র কান্দিভ্যালি অফিসে একটি অডিট টিমও পাঠানো হয়েছে। ইপিএফও জানিয়েছে, এই ঘটনায় প্রশাসনিক ও ফৌজদারি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি টাকা উদ্ধার করতে চেষ্টা চালানো হচ্ছে।
একটি সূত্র থেকে জানা গিয়েছে, যেসব অ্যাকাউন্ট থেকে জালিয়াতি করা হয়েছে, সেইসব অ্যাকাউন্টে দীর্ঘদিন টাকা জমা পড়েনি। পাশাপাশি সেইসব অ্যাকাউন্ট থেকে ভুয়ো আবেদন দাখিল করে টাকা তুলে নেওয়ার মতো ঘটনা ঘটেছে। শীর্ষ আধিকারিকরা মনে করছেন, এইসব ক্ষেত্রে হয় কর্মীরা বিদেশ চলে গিয়েছেন, কিংবা ওইসব কর্মী অ্যাকাউন্ট একসঙ্গে না করেই চাকরি পরিবর্তন করেছেন।

জড়িত কর্মী-আধিকারিকদের একাংশ
আরও জানা গিয়েছে, যেসব অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা সরানো হয়েছে, সেগুলির ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ ব্যালেন্স সরানো হয়েছে এনইএফটির মাধ্যমে। এই ধরনের সুবিধা দেওয়া থাকে জুনিয়ার অফিসার, ক্লার্ক, সোশ্যাল সিকিউরিটি অ্যাসিস্ট্র্যান্টদের কাছে। এঁরাই এই ধরনের আবেদনের বিবেচনা করে থাকেন।
এদিকে প্রতারণার ঘটনা সামনে আসার পর থেকে মুম্বইয়ের আঞ্চলিক অফিসের অধীনের অফিসগুলিতে টাকা তোলার প্রক্রিয়ায় বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। পাশাপাশি পরামর্শ দিয়ে বলা হয়েছে কোনও কর্মী যেন ক্লেম সেটেলমেন্টের ক্ষেত্রে সাবধানী থাকেন। কেননা এই একই ধরনের ঘটনা অন্য যে কোনও জায়গায় ঘটতে পারে।

কর্তৃপক্ষের তরফে আশ্বস্ত করার চেষ্টা
তবে এব্যাপারে কেন্দ্রীয় পিএম কমিশনার সুনীল বারথলের অফিস থেকে বলা হয়েছে, যেসব অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে, সেগুলি 'নন এক্সিসটেন্ট অ্যাকাউন্ট'। বাকি ইপিএফও সদস্যদের টাকা নিরাপদে রয়েছে বলে আশ্বাস্ত করা হয়েছে। অর্থাৎ ইপিএফ-এর তরফে দাবি করা হয়েছে অস্তিত্বহীন অ্যাকাউন্ট থেকেই টাকা সরানো হয়েছে, কিন্তু বর্তমান ইপিএফ সদস্যদের ক্ষেত্রে তা হয়নি।
পাশাপাশি এইসব ক্ষেত্রে যেসব কর্মী কিংবা আধিকারিক যুক্ত বলে সন্দেহ, তাঁদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

নির্দেশিকা জারি
আধিকারিকদের উদ্দেশে নির্দেশিকা জারি করে বলা হয়েছে, আগে দেখা গিয়েছে জালিয়াতিতে যুক্ত রয়েছে ইপিএফওর কর্মী কিংবা বাইরের লোকেরাও। এসব ক্ষেত্রে আধিকারিকদের বলা হয়েছে, মাঝে মধ্যেই অভিযান করতে। কোনও কর্মী এবং আধিকারিক যাতে অন্যের আইডি ও পাসোয়ার্ড না ব্যবহার করেন, তার জন্যও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
খবরের ডেইলি ডোজ। ডাউনলোড Bengali Oneindia App












Click it and Unblock the Notifications