জনসংখ্যার থেকে আধার কার্ডধারীর সংখ্যা বেশি দেশের ৭টি রাজ্যে! তথ্য প্রকাশে শুরু এনআরসি তরজা
আনুমানিক জনসংখ্যা থেকে আধার কার্ডধারী বেশি দেশের ৭ রাজ্যে! তথ্য প্রকাশে শুরু এনআরসি তরজা
আনুমানিক মোট জনসংখ্যার চেয়ে আধার কার্ডধারীদের সংখ্যা বেশি ভারতের ৭টি রাজ্যে। বৃহস্পতিবার এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য রাজ্যসভায় প্রকাশ করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সঞ্জয় ধোত্রে। তবে এই আশঙ্কাবাণী প্রকাশ করেও মন্ত্রী জানান, এই অসামঞ্জস্যটি আধার কার্ডধারীদের মৃত্যুর পরও সেই কার্ডগুলি থেকে যাওয়াতে হয়ে থাকতে পারে।

এনআরসি তরজা
এদিকে এনআরসি নিয়ে বিরোধীরা সুর চড়ালেও এই তথ্য উঠে আসায় দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থার উপর বড় প্রশ্ন চিহ্ন দেখা দিয়েছে। বিরোধীদের প্রথম থেকেই এনআরসির বিরুদ্ধে সুর চড়ানোর পিছনে মূল দাবি ছিল যে গরিব মানুষের পক্ষে আধার কার্ড থাকা সম্ভব নয়। সেই ক্ষেত্রএ কী করে তারা তাদের নাগরিকত্ব প্রমাণ করবে। কিন্তু কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর এহেন তথ্য প্রকাশে বিরোধীদের কী প্রতিক্রিয়া হয় তাই দেখার।

বাংলাদেশ ফিরছে অবৈধ অনুপ্রবেশকারী
এর আগে গতমাসেই বিএসএফ-এর তরফে জানানো হয়েছিল যে সিএএ পরবর্তী সময়ে ব্যপক সংখ্যায় বেআইনি বাংলাদেশী অনুপ্রবেশকারী ভারত ছেড়ে নিজেদের দেশে ফিড়ছেন। দক্ষিণ বঙ্গ ফ্রন্টিয়ারের বিএসএফ-এর আইজি ওয়াইবি খুরানিয়া এই বিষয়ে বলেন, 'সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে অবৈধ বাংলাদেশী অভিবাসীরা অনেক সংখ্যায় ফিরে যাচ্ছে সেদেশে। মূলত গত এক মাসে এই ফইরে যাওয়ার সংখ্যাটি বেড়েছে। শুধুমাত্র জানুয়ারিতেই আমরা ২৬৮ অবৈধ বাংলাদেশী অভিবাসীকে গ্রেফতার করেছি। তাদের বেশিরভাগই প্রতিবেশী দেশে পালানোর চেষ্টা করছিল।'

সিএএ নিয়ে তরজা
নতুন লাগু হওয়া নাগরিকত্ব সংশোধিত আইনের শর্ত, ৩১ ডিসেম্বর ২০১৪ বা তার আগে বাংলাদেশ, পাকিস্তান এবং আফগানিস্তান থেকে ধর্মীয় কারণে অত্যাচারিত হয়ে যে সমস্ত অমুসলিম শরণার্থীরা ভারতে এসেছেন, তাঁদের প্রত্যেককেই নাগরিকত্ব দেওয়া হবে। অর্থাৎ, হিন্দু, খ্রিস্টান, শিখ, বৌদ্ধ, পারসি বা জৈন ধর্মের যেই লোকেরা ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বরের আগে থেকে ভারতে বসবাস করেছেন, তারা ভারতের নাগরিকত্ব পেয়ে যাবেন। বিলটি ৩১১-৮০ ব্যবধানে পাশ হয়। বুধবার রাজ্যসভায় এটি পাশ হয় ১২৫-৮২ ব্যবধানে। তবে আইনটি সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে পাশ করলেও এটিকে বিভেদ সৃষ্টিকারী আখ্যা দিয়ে পথে নেমেছে বিরোধীরা।

সিএএ নিয়ে তরজা
নতুন লাগু হওয়া নাগরিকত্ব সংশোধিত আইনের শর্ত, ৩১ ডিসেম্বর ২০১৪ বা তার আগে বাংলাদেশ, পাকিস্তান এবং আফগানিস্তান থেকে ধর্মীয় কারণে অত্যাচারিত হয়ে যে সমস্ত অমুসলিম শরণার্থীরা ভারতে এসেছেন, তাঁদের প্রত্যেককেই নাগরিকত্ব দেওয়া হবে। অর্থাৎ, হিন্দু, খ্রিস্টান, শিখ, বৌদ্ধ, পারসি বা জৈন ধর্মের যেই লোকেরা ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বরের আগে থেকে ভারতে বসবাস করেছেন, তারা ভারতের নাগরিকত্ব পেয়ে যাবেন। বিলটি ৩১১-৮০ ব্যবধানে পাশ হয়। বুধবার রাজ্যসভায় এটি পাশ হয় ১২৫-৮২ ব্যবধানে। তবে আইনটি সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে পাশ করলেও এটিকে বিভেদ সৃষ্টিকারী আখ্যা দিয়ে পথে নেমেছে বিরোধীরা।












Click it and Unblock the Notifications