সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীয়ের পেটে চাপ নির্মম স্বামীর, তারপর যা ঘটল
সন্দেহ ছিল মাতৃগর্ভে লালিত হচ্ছে কন্যা ভ্রুণ। আর তার জেরেই সাত মাসের এক গর্ভবতী মহিলার পেটে চাপ দিয়ে ভ্রুণ বার করতে গিয়ে , ওই মহিলাকেই মেরে ফেলল তাঁর স্বামী ও দেওর।
সন্দেহ ছিল মাতৃগর্ভে লালিত হচ্ছে কন্যা ভ্রুণ। আর তার জেরেই সাত মাসের এক গর্ভবতী মহিলার পেটে চাপ দিয়ে ভ্রুণ বার করতে গিয়ে , ওই মহিলাকেই মেরে ফেলল তাঁর স্বামী ও দেওর। এই নারকীয় ঘটনা ঘটেছে পাঞ্জাবের ঝান্ডি গ্রামে। ঘটনায় দু ই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে, তাদের বিরুদ্ধে হত্যা, অবৈধ গর্ভপাত সমেত একাধিক ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
ভাই নির্মল সিং এর সঙ্গে আঁতাত করে ইরভিন্দর সিং তার স্ত্রীকে নির্মমভাবে হত্যা করার পর, ওই মৃত ভ্রুণ ও তার স্ত্রী দুজনকেই বাড়ি লাগোয়া জমিতে ফেলে দেয়। তারপর মৃতদেহের ওপর মাটি চাপা দিয়ে দেয় দুই ভাই। পাঞ্জাব পুলিশ সূত্রে একথা জানানো হয়েছে।
পুলিশের দাবি, স্ত্রীর ওপর এই নারকীয় অত্যাচার চালানোর সময়, স্ত্রীর হাত পা বেঁধে রাখে ইরভিন্দর। অত্যাচার চলাকালীন ওই মহিলার আর্তনাদ শুনতে পান আশেপাশের লোকেরা। পররে দিন মহিলার খোঁজ না পেয়ে পাড়া পরশিরা খবর দেন মহিলার ববা রবিন্দর সিংকে। এরপর রবিবন্দ মেয়ের খোঁজ করে সদুত্তর না পেয়ে, পুলিশে খবর দিলে উঠে আসে ঘটনার সত্যতা।
মৃতা মহিলার বাবা জানিয়েছেন , ওই মহিলার প্রথম সন্তান মেয়ে হওয়ায়,অনেকদিন ধরেই তাঁর ওপর অত্যাচার চালাত স্বামী ইরভিন্দর। এমনকী গর্ভে কন্যা ভ্রুন রয়েছে সন্দেহ করে তাকে গর্ভপাত করতেও জোর করা হয় বলে দাবি মৃতার বাবা রবিন্দরের।












Click it and Unblock the Notifications