উৎপাদনে গতি বাড়াচ্ছে সিরাম-ভারত বায়োটেক! কিন্তু করোনা যুদ্ধে হতাশা বাড়াচ্ছে মে মাসের টিকাকরণ
উৎপাদনে গতি বাড়াচ্ছে সিরাম-ভারত বায়োটেক! কিন্তু করোনা যুদ্ধে হতাশা বাড়াচ্ছে মে মাসের টিকাকরণ
করোনার তৃতীয় পর্বের ঢেউ যে অবশ্যম্ভাবী, সেকথা বারে বারে বলছেন বিশেষজ্ঞরা। এদিকে দ্রুত টিকাকরণ ছাড়া ভারতে করোনা আগ্রাসন ঠেকানো যে কার্যত অসম্ভব সে কথা মানছেন সকলেই। এদিকে জোগান ও চাহিদার আকাশ পাতাল পার্থক্যই বর্তমানে ভাবাচ্ছে সকলকে। এদিকে বর্তমানে ভারতে প্রতিদিন গড়ে ২৭ কোটি করোনা টিকা ডোজ তৈরি হচ্ছে বলে জানা যাচ্ছে। যা বর্তমান চাহিদার কাছে কার্যত নগন্য।

যদিও বর্তমানে কোভিশিল্ড, কোভ্যাক্সিনের পাশাপাশি ভারতে রাশিয়ার করোনা টিকা স্পুটনিক-ভি-কেও টিকাকরণে কাজে লাগানো হচ্ছে। যদিও তারপরেও মে মাসের প্রথম তিন সপ্তাহে ভারতে দৈনিক গড়ে ১৬.২ লক্ষ করে টিকা ডোজ দেওয়া সম্ভব হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। যা লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় অনেকটাই কম।আর তাতেই নতুন করে বাড়ছে উদ্বেগ।
যদিও কেন্দ্রের পরিসংখ্যান অনুযায়ী বর্তমানে দেশে প্রতিমাসে সাড়ে ৬ কোটি কোভিশিল্ডের ডোজ তৈরি করছে সিরাম ইন্সস্টিটিউট। সেখানে মাসে ২ কোটি কোভ্যাক্সিনের ডোজ তৈরি করছে ভারত বায়োটেক। যা দ্রুত আরও প্রায় ৫ কোটি ডোজ বৃদ্ধির কথা ভাবা হচ্ছে বলে খবর। এদিকে বর্তমানে দেশে গড়ে প্রতিমাসে ৩০ লক্ষ্য স্পুটনিক-ভি তৈরির লক্ষ্যমাত্রা ছিল জানা যাচ্ছে। যা বাড়িয়ে দেড় কোটি করা হচ্ছে।
যদিও সিরামের দাবি আগামী একমাসে কোভিশিল্ড তৈরির পরিমাণ ৫-৬ কোটি থেকে বেড়ে ৭ কোটি হয়ে যাবে। অন্যদিকে ভারত বায়োটেকের দাবি এপ্রিলে তারা ২ কোটি কোভ্যাক্সিন বানালেও মে মাসে তা বড়ে ৩ কোটিতে পৌঁছে যাবে। এদিকে কো-উইন পোর্টালের পরিসংখ্যান বলছে মে মাসের প্রথম ২২ দিনে ভারতে এখনও পর্যন্ত ৩.৬ কোটি টিকা ডোজ দেওয়া হয়েছে। দৈনিক গড়ে ১৬.২ কোটি। যে হারে টিকাকরণ চলছে তাতে এই মাসের শেষ পর্যন্ত গোটা মাসের হিসাবে ৫ কোটি করোনা টিকা দেওয়া সম্ভব হবে বলে মনে করা হচ্ছে। যা লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় অনেকটাই কম।












Click it and Unblock the Notifications