রাশিয়া- ইউক্রেনের যুদ্ধে রক্তক্ষরণ শুরু শেয়ারবাজারে, শেষবেলাতেও ২৭০০ পয়েন্ট পড়ল সেনসেক্স
রাশিয়া- ইউক্রেনের যুদ্ধে রক্তক্ষরণ শুরু শেয়ারবাজারে, শেষবেলাতেও ২৭০০ পয়েন্ট পড়ল সেনসেক্স
যুদ্ধ যত জোরাল হচ্ছে তত শেয়ার বাজারে ধস চওড়া হচ্ছে। সকাল থেকে রক্তক্ষরণ শুরু হয়েছে সেনসেক্সকে। বেলা বাড়তে বাড়তে সেই ক্ষত ২৭০০ পয়েন্টে নেমে গিয়েছে। ভয়ঙ্কর খারাপ পরিস্থিতি দালাল স্ট্রিটের। এদিকে যুদ্ধের কারণে বিশ্বের বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম হু হু করে বাড়তে শুরু করে দিয়েছে।

লাগাতাল ধস শেয়ার বাজারে। একের পর এক সংস্থার শেয়ারের দাম পড়তে শুরু করেছে। সকালে বাজার খোলার পরেই এক ধাক্কায় ১৬০০ পয়েন্ট পড়েছিল সেনসেক্স। তার পর থেকে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে থাকে। একের পর এক বোমা বর্ষণ শুরু হয় ইউক্রেনের উপরে। ইতিমধ্যে দুই দেশের বেশ কয়েকজন সেনার মৃত্যু হয়েছে। ইউক্রেনের রাজধানীতে হামলাচালিয়েছে রুশ সেনা। ইউক্রেনের সীমান্ত পেরিয়ে ঢুকে পড়েশে রুশ সেনা। পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম হু হু করে বেড়ে গিয়েছে। প্রবল অস্থিরতা তৈরি হয়েছে আন্তর্জাতিক বাজারে।
শেয়ার বাজারেও তার প্রভাব পড়তে শুরু করে দিয়েছে। সকাল থেকে পতনের পর দিনের শেষে ৪.৭ শতাংশ পড়েছে শেয়ার বাজার। প্রভাব পড়েছে নিফটিতেও। ৮১৫ পয়েন্ট পড়েছে নিফটি। ৩০টি সংস্থার শেয়ারের দাম লাল দাগের নীচে নেমে গিয়েছে। এদিকে আবার রাশিয়ার সব ব্যাঙ্কের কাজ থামিয়ে দিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলি। কাজেই সেই দিক থেকেও আর্থিক ধাক্কা আসতে শুরু করেছে। রাশিয়ার উপরে অর্থনৈতিক অবরোধ কড়া করার ভাবনা চিন্তা শুরু করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন তার জেরে আবারও শেয়ার বাজারে ধাক্কা আসতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলি অর্থনৈতিক অবরোধ রাশিয়ার উপরে কড়া করলে প্রভাব পড়বে ভারতের অর্থনীতিতেও। কারণ তেলের দাম আগুন হয়ে যাবে। বিশেষ করে আন্তর্জাতির বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম আরও বাড়বে। এদিকে আবার পশ্চিমের দেশগুলিও রাশিয়ার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ােত শুরু করে দিয়েছে। রাশিয়ার বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক অবরোধ গড়ে তুলেছে আমেরিকাও। ব্রিটেন, ফ্রান্স তো আগেই অর্থনৈতিক অবরোধ গড়ে তুলেছিল, আমেরিকাও এবার তাতে সামিল হয়েছে। অর্থনৈতিক অবরোধের অর্থ হল রাশিয়ার সঙ্গে কোনও রকম বাণিজ্যে যাবে না এই দেশগুলি। কোনও রকম বাণিজ্য করবে না তারা। তার প্রভাব পড়বে আন্তর্জাতিক অর্থনীতিতে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের বন্ধু দেশগুলিও সেই পথেই পা বাড়াতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications