কর্ণাটক ভোটে জিতবে কংগ্রেসই, দাবি বিজেপির দীর্ঘদিনের শরিক শিবসেনা সাংসদের
কর্ণাটক ভোটে জিতবে কংগ্রেসই, সাফ জানিয়ে দিলেন শিবসেনা সাংসদ সঞ্জয় রাউত। তিনি বলেন, কংগ্রেস সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পেলেও, কর্ণাটকে বৃহত্তম দল হবে।
কর্ণাটক ভোটে জিতবে কংগ্রেসই, সাফ জানিয়ে দিলেন শিবসেনা সাংসদ সঞ্জয় রাউত। তিনি বলেন, কংগ্রেস সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পেলেও, কর্ণাটকে বৃহত্তম দল হবে। তার কারণ মানুষ এখন রাহুল গান্ধীর কথা শুনতে শুরু করেছে। তাঁর সঙ্গে লড়াইয়ে পিছিয়ে পড়়ছেন মোদীজিও। তাই কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদেরও তিনি নামিয়ে দিয়েছেন প্রচারে।

তবু তাঁর বিশ্বাস, বিজেপি শেষ রক্ষা করতে পারবে না। কর্ণাটকে জয়ী হবে কংগ্রেসই। কর্ণাটকে ধুলো ঝড় চলছে। সেই ঝড় থেমে গেলে দেখা যাবে কর্ণাটক রাহুল-ময়। শিবসেনা সাংসদের এভাবে রাহুল-বন্দনা শুধু কর্ণাটক ভোটেই নয়, ২০১৯-এর আগেও বিজেপির কাছে যথেষ্ট উদ্বেগের।
কিছুদিন আগেই শিবসেনা বিজেপির সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেছে। তার আগে থেকেই এনডিএ-র প্রধান শরিক বিজেপির সঙ্গে ছোট শরিক শিবসেনা বনিবনা ছিল না। শিবসেনা নেতা-নেত্রীরা বিজেপির বিরুদ্ধে সুযোগ পেলেই বিষোদ্গার করেছেন। তারপর বিজেপির সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার সিদ্ধান্ত নেয় শিবসেনা।
এখন সেই শিবসেনার মুখেই কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধীর প্রশস্তি। এবং কর্ণাটকের ফলাফল নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে বিজেপির ভরাডুবির কথাই শোনালেন তিনি। শিবসেনা সাংসদ বলেন, মহারাষ্ট্র বিধান পরিষদে শিবসেনা-বিজেপি বোঝাপড়া রয়েছে ঠিকই, কিন্তু তার মানে এই নয় যে, আগামী লোকসভা ও বিধানসভা ভোটে বিজেপির সঙ্গে তাঁদের সমাঝোতা হবে।
তিনি বলেন, এ কথা আজ অনস্বীকার্য যে দেশজুড়েই মানুষ কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধীর কথা শুনতে শুরু করেছেন। ফলে তার একটা প্রভাব তো পড়বেই। রাহুল গান্ধীর কাছে পিছিয়ে পড়ছেন বলেই কর্ণাটক বিধানসভায় বিভিন্ন বিজেপি-শাসিত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী, কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের নামিয়ে দেওয়া হয়েছে।
একটা বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে সর্বশক্তি দিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়া দেখেই রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের একটা অংশ মনে করছে, এটা বিজেপির দৈনতাই প্রকট করেছে। সঞ্জয় রাউত এক ধাপ এগিয়ে বলেছেন, এর ফলে রাজ্য ও কেন্দ্র- দু জায়গার প্রশাসনিক কাজকর্মের প্রভূত ক্ষতি হচ্ছে।
ফলে কেন্দ্র ও রাজ্য- দু'জায়গাতেই প্রশাসনিক কাজকর্ম ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। দেশবাসী দেখছেন সব কিছু। এদিন তিনি বিজেপির সমালোচনা করে বলেন, বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতাদের ভরসা নেই রাজ্যের নেতাদের প্রতি। তাই দেশ চালানো বন্ধ রেখে প্রধানমন্ত্রীকে একটার পর একটা সভায় ভাষণ দিয়ে বে়ড়াতে হয়।












Click it and Unblock the Notifications