বাবরি মসজিদ ধ্বংসের ২৭তম বার্ষিকীতে নিরাপত্তার চাদরে অযোধ্যা
শুক্রবার বাবরি মসজিদ ধ্বংসের ২৭তম বার্ষিকী। এই দিনটি ঘিরে নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছে গোটা অযোধ্যাকে।
শুক্রবার বাবরি মসজিদ ধ্বংসের ২৭তম বার্ষিকী। এই দিনটি ঘিরে নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছে গোটা অযোধ্যাকে। উত্তরপ্রদেশ পুলিশের এক শীর্ষ আধিকারিক জানাচ্ছেন, রামমন্দির সংক্রান্ত মামলার রায়দানের আগে থেকেই প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল। এই ক্ষেত্রেও একই ভাবে তৈরি রয়েছে পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসন।

অঞ্চলভিত্তিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা
পুরো অযোধ্যাকে ১০টি সেক্টর ও ১৪টি সাবসেক্টরে বিভক্ত করা হয়েছে। এলাকায় ৭৮টি ব্যাগ পোস্ট তৈরি করা হয়েছে। ২৬৯ পুলিশ পিকেট তৈরি করা হয়েছে। পাশাপাশি অস্থায়ী ১০টি জেল তৈরি করা হয়েছে।

মোতায়েন পর্যাপ্ত পুলিশ
আপাতত এলাকায় পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক। ৬০ কম্পানি প্যারামিলিটারি ফোর্স মোতায়েন করা আছে এলাকায়। পাশাপাশি রেল পুলিশ ও পিএসি-র ১২০০ জন কনস্টেবলও মোতায়েন রয়েছেন। এছাড়াও পুলিশের ২৫০জন সাব ইনস্পেক্টর, ২০জন ডিএসপি ও দুই জন এসপি রয়েছেন অযোধ্যায়। দুটি স্তরে ব্যারিকেড তৈরি করা হয়েছে। মাইক বসানো হয়েছে জায়গায় জায়গায়। সিসিটিভি ও দ্রোন-এর মাধ্যমে এলাকায় নজরদারি চালানো হচ্ছে।

৩০৫ জন গোলযোগ সৃষ্টিকারীকে চিহ্নিত করা হয়েছে
অযোধ্যা মামলার রায় নিয়ে যাতে কোনও অশান্তির পরিস্থিতির সৃষ্টি না হয় তার জন্য ১৪৪ ধারা জারি করে দেওয়া হয়েছিল। আর ৬ ডিসেম্বরের আগে এলাকায় মোট ৩০৫ জন গোলযোগ সৃষ্টিকারীকে চিহ্নিত করা হয়েছে। অযোধ্যায় কোনও ব্যক্তি নিজের কাছে কোনও ধরনের অস্ত্র, লাঠি, বিস্ফোরক রাখতে পারবেন না। লাইসেন্সধারী অস্ত্রও জনসমক্ষে আনা যাবে না।

সোশ্যাল মিডিয়ার উপর নজরদারি
সোশ্যাল মিডিয়াতে কোনও ধর্মকে অপমান করে কোনও কিছু পোস্ট করলে সেই ব্যক্তির বিরুদ্ধেও আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনও রকমের বিক্ষোভ প্রদর্শনও করা যাবে না। আইনবিরোধী যে কোনও কার্যকলাপকে শক্ত হাতে দমন করা হবে বলে জানানো হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications