রাত পোহালেই ভোট, তার আগে নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হল দিল্লি, ৩৫ হাজারেরও বেশি পুলিশ মোতায়েন
রাত পোহালেই দিল্লিতে মহাযুদ্ধ। মুখোমুখি হতে চলেছে বিজেপি-আপ-কংগ্রেস। শেষ হয়ে গেছে সমস্ত দলের ভোট প্রচার। এবার শুধু সময়ের অপেক্ষা। তবে দিল্লি ভোট ঘিরে যেহেতু উত্তাপ অনেক বেশি, তাই দিল্লিতে নিয়ম নিয়েও রয়েছে ছড়াছড়ি। বেশ কিছু কঠোর নিয়ম লাগু হয়েছে রাজধানী জুড়ে। ভোটের দিন থেকেই কার্যকরী হবে এই সব নিয়ম।
৫ ফেব্রুয়ারি দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণের আগে, সোমবার সন্ধ্যা ৬টার পর থেকে রাজধানীতে নির্বাচনী প্রচার বন্ধ হয়ে গেছে। দিল্লি পুলিশ শহরজুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা কঠোর করেছে এবং আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে ব্যাপক টহলদারি ও পতাকা মিছিল চালাচ্ছে।

নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা ও মোতায়েন -
টহল ও পতাকা মিছিল: নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় কোনো হস্তক্ষেপ যাতে না হয়, তা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন এলাকায় দিল্লি পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনী টহল দিচ্ছে।
উন্নত নজরদারি: নিরাপত্তা জোরদার করতে সিসিটিভি, এআই-চালিত ক্যামেরা, ড্রোন ও ফেস রেকোগনিশন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে।
পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনী: নির্বাচনের জন্য ৩৫,৬২৬ জন পুলিশ সদস্য এবং ৬,৫২৫ জন প্রশিক্ষিত কর্মকর্তা মোতায়েন করা হয়েছে।
এছাড়াও, কর্তৃপক্ষ ইতিমধ্যেই উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বাজেয়াপ্ত করেছে মদ ও নগদ টাকা। যার মধ্যে রয়েছে ৭ জানুয়ারি থেকে ২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ১১.২৩ কোটি টাকা মূল্যের নগদ অর্থ এবং ৩.৫৯ কোটি টাকা মূল্যের ১ লক্ষ ৮ হাজার ২৫৮ লিটার মদ। আদর্শ আচরণবিধি প্রয়োগের অংশ হিসেবে, দিল্লি পুলিশ এই সময়ের মধ্যে ১,৩১৫টি এফআইআর নথিভুক্ত করেছে এবং ১,৩৫৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে।
দক্ষিণাঞ্চলীয় রেঞ্জের যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (জেসিপি) এসকে জৈন উল্লেখ করেছেন, যে গত ২৪ দিনে অভূতপূর্ব পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, যা ২০২০ সালের বিধানসভা এবং ২০২৪ সালের সংসদ নির্বাচনের রেকর্ডকে ছাড়িয়ে গেছে।
দিল্লি পুলিশ ও নির্বাচন কমিশন ভোটারদের শান্তিপূর্ণভাবে ভোট দিতে উৎসাহিত করছে এবং যেকোনো সন্দেহজনক কার্যকলাপ দেখলে পুলিশকে সমগ্র বিষয়টি জানানোর আহ্বান জানিয়েছে। অতএব ৫ ফেব্রুয়ারি দিল্লির নির্বাচনের ফলাফল জাতীয় রাজনীতিতেও গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।












Click it and Unblock the Notifications