উৎসবের আবহে ফের করোনার চোখরাঙানি, জমায়েত ঠেকাতে ১৪৪ ধারা জারি নয়ডায়
উৎসবের আবহে ফের করোনার চোখরাঙানি, জমায়েত ঠেকাতে ১৪৪ ধারা জারি নয়ডায়
একদিকে যেমন মহারাষ্ট্রে লাগামহীন বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা, অপরদিকে সংক্রমণের কবলে পড়ে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে কর্ণাটকের এমআইটির মত শিক্ষাঙ্গন। এহেন পরিস্থিতির মাঝেও সম্বিৎ ফিরছে না উৎসব প্রিয় ভারতীয়র! আর তাই ১৭ই মার্চ থেকে আগামী ৩০শে এপ্রিল পর্যন্ত উত্তরপ্রদেশের নয়ডায় ১৪৪ ধারা জারি করল গৌতম বুদ্ধ নগর পুলিশ। স্বাভাবিকভাবেই করোনাপ্রবাহে আতঙ্কিত নয়ডা সহ গোটা দেশের নাগরিকরা।

আইনের ফাঁসে বন্ধ একগুচ্ছ উৎসব
করোনার প্রকোপ বাড়ার সাথে সাথে আগামীতে উৎসবের উদযাপন নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ। পরপর রয়েছে হোলি, সবেবরাত, গুডফ্রাইডে, নবরাত্রি, আম্বেদকর জয়ন্তী, রাম নবমী, মহাবীর জয়ন্তী ও হনুমান জয়ন্তী। ১৪৪ ধারার নিয়মাবলী অনুসারে, যেকোনো স্থানে মাস্ক পরিধান, শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখা অন্যান্য কোভিডবিধি মেনে চলাটা আবশ্যিক। আইনের শাসন জারি করার সময়ে ডিসিপি আশুতোষ দ্বিভেদীর সাফ বক্তব্য, "কোনোমতেই আইনলঙ্ঘনকারীদের ছেড়ে দেওয়া হবে না।"

অনুমতি ছাড়া জমায়েত নিষিদ্ধ
পুলিশ সূত্রে খবর, খোলা স্থানে জমায়েত করার ক্ষেত্রে অনুমতি নেওয়াটা আবশ্যিক। পাশাপাশি পাবলিক প্লেসে দৃষ্টিহীন বা শারীরিকভাবে পিছিয়ে পড়া ব্যক্তি ছাড়া কোনো সুস্থ সবল মানুষ লাঠি, রড বা আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে ঘোরাফেরা করতে পারবেন না, জানিয়েছেন গৌতম বুদ্ধ নগরের পুলিশ আধিকারিকরা।

সমস্তকমের আন্দোলনে পুলিশি বাধা
এদিকে জন বহুল জায়গায় প্রশাসনিক অনুমতি ব্যতীত আন্দোলন, শোভাযাত্রা বা অনশনের ক্ষেত্রে পুলিশ হস্তক্ষেপ করবে বলেও এদিন সাফ জানালেন গৌতম বুদ্ধ নগরের অ্যাডিশনাল ডিসিপি আশুতোষ দ্বিভেদী। পাশাপাশি ১৪৪ ধারা চলাকালীন কোনোরকম অনুষ্ঠানে আগ্নেয়াস্ত্র চালানো বা খোলা জায়গায় জনসমক্ষে মদ্যপান নিষিদ্ধ বলে জানিয়েছে পুলিশ আধিকারিকরা।

ভারতীয় দণ্ডবিধির ১৮৮ ধারায় শাস্তি
এহেন গুরুত্বপূর্ণ সময়ে কোনোরকমের আমদমূলক উত্তেজন ভিডিও বা অডিও চালানোর ক্ষেত্রেও সাফ নিষেধাজ্ঞা জানিয়েছে প্রশাসন। পুলিশি নিয়মাবলীর উর্দ্ধে গিয়ে ১৪৪ ধারা লঙ্ঘন করলে ভারতীয় দণ্ডবিধির ১৮৮ ধারায় যে জেল হেফাজত পর্যন্ত হতে পারে, তাও জানিয়েছেন পুলিশ আধিকারিকরা। যা নিয়ে ফের আতঙ্ক ছড়াচ্ছে আম-আদমির মনে।












Click it and Unblock the Notifications