সংক্রমণের গতি বাড়াচ্ছে নয়া করোনা, প্রথমবারের থেকেও ভয়ানক হতে পারে দ্বিতীয় পর্বের সংক্রমণ
সংক্রমণের গতি বাড়াচ্ছে নয়া করোনা, প্রথমবারের থেকেও ভয়ানক হতে পারে দ্বিতীয় পর্বের সংক্রমণ
ক্রমশ তীব্র থেকে তীব্রতর হচ্ছে করোনা দানবের মরণ কামড়! ইতিমধ্যেই প্রায় ১৯টি রাজ্যে কোভিডের বাড়বাড়ন্তে নাভিশ্বাস উঠেছে রাজ্য স্বাস্থ্য মন্ত্রকগুলির। আগের চাইতেও যে অধিক ভয়ংকর এবারের কোভিড জোয়ার, সে সম্পর্কেও সকলকে অবগত করছেন গবেষকরা। পাশাপাশি কোভিড ভাইরাসের 'রিপ্রোডাকশন রেট' বা 'প্রতিলিপি হার' (আর.ও.) বৃদ্ধির ফলে যে ভেঙে পড়তে পারে দেশের স্বাস্থ্য পরিকাঠামো, শুক্রবার তাও স্পষ্ট করেছেন অভিজ্ঞ মহামারী বিশেষজ্ঞ ডাঃ গিরিধর বাবু।

তীব্র বেগে সংক্রমণ ছড়াচ্ছে নয়া করোনা স্ট্রেনে
একজন করোনাক্রান্তের কারণে গড়ে যতজন সংক্রামিত হতে পারেন, তাই হল করোনার রিপ্রোডাকশন নম্বর বা প্রতিলিপি হার। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্যানুসারে বর্তমানে জাতীয় রিপ্রোডাকশন নম্বরের হার ১.৬৫ জন। অন্যদিকে গত ৭ই মার্চ কর্ণাটকের রিপ্রোডাকশন নম্বর ১.২৩ জন হলেও বর্তমানে তা প্রায় ১.৬৬ জন, জানিয়েছেন ডাঃ গিরিধর। অন্যদিকে পাঞ্জাবে গোষ্ঠী সংক্রমণে ব্রিটেনের স্ট্রেনের অংশ নেওয়ার ঘটনায় আশঙ্কার বাণী শুনিয়েছেন ডাঃ বাবু।

বেঙ্গালুরুতে দাপট বাড়াচ্ছে নয়া করোনা
সম্প্রতি বেঙ্গালুরুতে এক নয়া করোনা স্ট্রেনের খোঁজ পেয়েছে সেখানকারই নিমহাঁস গবেষণাগার। বিজ্ঞানীরা নব স্ট্রেনের নামকরণ করেছেন বি.১.৩৬। বেঙ্গালুরুর প্রায় ৪৩.৭%-ই যে এই স্ট্রেনে আক্রান্ত, তা জানিয়েছেন ডঃ বাবু। পাশাপাশি পূর্বে সংক্রমণের জেরে তৈরি হওয়া দুর্বল অ্যান্টিবডিগুলিই যে নব স্ট্রেনে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বাড়াচ্ছে, তাও স্পস্ট করেন এই মহামারীবিদ।

এখনই প্রয়োজন নেই লকডাউনের
দেশজুড়ে করোনার দাপট বাড়লেও জনসাধারণকে বাঁচাতে যে কার্যকরী নয় লকডাউন, তা স্পষ্ট করেছেন ডাঃ বাবু। তাঁর মতে, "২০২০ সালে রাজ্য তথা দেশের স্বাস্থ্য পরিকাঠামোর উন্নয়নের জন্য দরকারি ছিল লকডাউন। কিন্তু বর্তমান সংক্রমণের দাওয়াই কখনই লকডাউন হতে পারে না!" পাশাপাশি করোনার অগ্রগতি রুখতে ১৮ বছরের উর্দ্ধের সকল নাগরিকেরই যে টিকাকরণ প্রয়োজন, সে বক্তব্যও প্রশাসনের নজরে এনেছেন ডাঃ বাবু।

সকল নিরাপদ ভ্যাকসিন সংস্থাকেই ছাড়পত্র দেওয়ার দাবি
১৮ বছরের উর্দ্ধের সকল নাগরিককে ভ্যাকসিন দিতে গেলে যে পরিমাণ ডোজ প্রয়োজন, তার ব্যবস্থা কিভাবে করবে কেন্দ্র! এহেন প্রশ্নের উত্তরে ডাঃ গিরিধরের সাফ জবাব, "ফাইজার, মডার্না, জনসন অ্যান্ড জনসন, নোভাভ্যাক্স, স্পুটনিক ভি বা অন্যান্য নিরাপদ চিনা ভ্যাকসিনগুলিকে জরুরিভিত্তিতে ছাড়পত্র দেওয়ার বন্দোবস্ত এখনই করা উচিত!" পাশাপাশি নিজেকে মারণব্যাধির হাত থেকে রক্ষার জন্য যদি কেউ ফাইজারের ভ্যাকসিন নিতে চায়, সেক্ষেত্রে সরকারের যে সদর্থক ভূমিকা নেওয়া উচিত, তাও স্পষ্ট বলেছেন ডাঃ গিরিধর।












Click it and Unblock the Notifications