চিনের তৈরি বিশ্বের দ্বিতীয় বড় মূর্তি ভারতবাসীকে উৎসর্গ করলেন মোদী! পড়ুন খুঁটিনাটি তথ্য
উচ্চতার সন্ত রামানুচার্যের মূর্তি উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর। এটি বিশ্বের দ্বিতীয় উচু মূর্তি। যা স্ট্যাচু অব ইক্যুয়ালিটি নামে পরিচিত। হায়দরাবাদের মুচিন্তন এলাকায় হওয়া বৈষ্ণব সন্ত রামানুচার্যের মূর্তির Sta
আজ শুক্রবার সামশাবাদে ২১৬ ফুট উচ্চতার সন্ত রামানুচার্যের মূর্তি উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর। এটি বিশ্বের দ্বিতীয় উচু মূর্তি। যা স্ট্যাচু অব ইক্যুয়ালিটি নামে পরিচিত। হায়দরাবাদের মুচিন্তন এলাকায় হওয়া বৈষ্ণব সন্ত রামানুচার্যের মূর্তির Statue of Equality নাম দেওয়া হয়েছে।

আর এই অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজ মা সরস্বতী পুজোর দিন। মা সারদার বিশেষ কৃপা অবতার রামানুচার্যের প্রতিমা এমন একটা দিনে স্থাপিত হচ্ছে তা সত্যিই ভালো।
এদিন প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য একাধিক বিষয় উঠে আসে। তিনি আরও বলেন, রামানুচার্যের এই মূর্তি তাঁর জ্ঞান, বৈরাগ্য এবং আদর্শের প্রতীক। ভারত এমন একটা দেশ যেখানে মনিষীদের উচ্চস্তরের ভাবনা ছিল। যা সবকিছু ছাপিয়ে গিয়েছিল বলে মত তাঁর।
শুধু তাই নয়, প্রধানমন্ত্রী তাঁর ভাষনে আরও বলেন, আজ গোটা পৃথিবীতেই সামাজিক পরিবর্তনের কথা বলা হয়, প্রগতিশীলতার কথা বলা হয়। কিন্তু যখন সন্ত রামানুচার্যের কথা মাথায় আসে তখন মনে হয় প্রগতিশীলতা এবং প্রাচীনতার মধ্যে কোনও বিরোধ নেই।
আর সেই বার্তাকে নিয়েই সবকা সাথ, সবকা বিকাসশ, সবকা বিশ্বাস এবং সবকা প্রয়াসের মন্ত্রেই দেশ এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ভাবনা বলে জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর।
অন্যদিকে, ২১৬ ফুট উচ্চতার সন্ত রামানুচার্যের এই মূর্তি চিনে বানানো হয়েছে। প্র্য ১৩৫ কোটি টাকা খরচ করে এটি বানানো হয়। যদিও এই ভারতীয় সংস্থা এই মূর্তি তৈরি করার বরাত পাওয়ার দৌড়ে ছিল। কিন্তু ২০১৫ সালের চিনের erosan corporation-সংস্থাকে অর্ডার দেওয়া হয়। এক হাজারেরও বেশি টুকরো করে এই মূর্তি ভারতে নিয়ে আসা।
২০১৭ থেকে ১৮ সাল অর্থাৎ ১৫ মাসের মধ্যে এই মূর্তি স্থাপন করা হয়। ২০১৬ ফুটের এই মূর্তি বিশ্বের দ্বিতীয় বড় মূর্তি। এটি পঞ্চলোহা ( পাঁচ ধাতুর সঙ্গে যুক্ত এক মিশ্র ধাতু) দিয়ে বানানো হয়েছে। যেমন এতে রয়েছে তামা, রুপো, সোনা, দস্তা এবং টাইটেনিয়ম বলে একটি ধাতুও রয়েছে।
তবে এই মূর্তি উদ্বোধন ঘিরেও বিতর্ক তৈরি হয়েছে। তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী কেসি রাও এদিন এই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে থাকার কহা ছিল। কিন্তু তিনি সেখানে ছিলেন না। সিএমও সুত্রের খবর, শারীরিক ভাবে অসুস্থ মুখ্যমন্ত্রী। আর এই কারণে বিমানবন্দরেও উপস্থিত থাকতে পারেননি নাকি রাও।
তবে শুক্রবারই সেখান থেকে ঘুরে এসেছিলেন তিনি। কাজ খতিয়ে দেখেন সবকিছু। যদিও এই বিষয়ে এদিন প্রধানমন্ত্রী একটা শব্দও খরচ করেননি। তাঁর এদিনের বক্তব্যে সবটাই জুড়ে ছিল সন্ত রামানুচার্যের কথা।












Click it and Unblock the Notifications