করোনা ভ্যাকসিন ডোজে রেকর্ড তৈরির পরও দেশে কোথায় খামতি থেকে যাচ্ছে! সরকারি তথ্য একনজরে
সদ্যই ভারত ১০০ কোটি ভ্যাকসিন ডোজ সম্পন্ন করেছে। আর করোনার বিরুদ্ধে লড়াইতে সেই পদক্ষেপ বড় জয় বলে ঘোষিত হয়েছে। এদিকে, এই পরিস্থিতিতে করোনা ইস্যুতে যখন দেশে দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমাগত নিম্নমুখী দিকে যেতে শুরু করেছে,তখনই এসেছে এক আশঙ্কার বার্তা। দেখা যাচ্ছে ১১ কোটি মানুষ যাঁরা করোনার প্রথম ভ্যাকসিন নিয়েছেন তাঁরা তাঁদের দ্বিতীয় ভ্যাকসিন ডোজ নেওয়ার তারিখ পেরিয়ে গেলেও তা পাননি। সেই জায়গা থেকে শুরু হয়েছে নানান ধরণের আশঙ্কা।

ভ্যাকসিন ডোজ সম্পর্কে সরকারি তথ্য যা জানিয়েছে, তাতে ভারতের ৩.৯২ কোটি মানুষ যাঁরা তাঁদের প্রথম ডোজের ভ্যাকসিন নিয়েছেন, তাঁরা পরের দ্বিতীয় ডোজের ভ্যাকসিন ছয় সপ্তাহ পার হয়ে গেলেও পাননি। এখানেই শেষ নয় দেশের ১.৫৭ কোটি মানুষ প্রথম ডোজ পাওয়ার পর যেদিন দ্বিতীয় ডোজ পাওয়ার কথা তার থেকে একমাস পার হয়ে গেলেও তা পাননি। দ্বিতীয় ডোজ পেতে দুই থেকে তিন সপ্তাহ দেরি হচ্ছে ১.৫০ কোটি মানুষের। দেশের এই ভ্যাকসিন মানচিত্র নিয়ে রীতিমতো শঙ্কায় রয়েছেন বহু বিশেষজ্ঞ। ভারত সরকারের তরফে প্রকাশিত করা তথ্যে এই পরিসংখ্যানের মাঝেই দেখা গিয়েছে , মধ্যপ্রদেশে দুটি ভ্যাকসিন নিয়েও এক নতুন ভ্যারিয়েন্টের শিকার হয়েছেন ৬ জন । এই পরিস্থিতিতে যেখানে দেশ ভ্যাকসিনেশনে নতুন রেকর্ড কায়েম করেছে, সেখানে কোভ্যাক্সিন বা কোভিশিল্ড দুটি ভ্যাকসিনের ক্ষেত্রেই ডোজের এই পরিস্থিত নিয়ে উদ্বেগ শুরু হয়েছে।
এছাড়াও সরকারি হিসাব বলছে ৩.৩৮ কোটি মানুষ যেদিন দ্বিতীয় করোনা ডোজ পাওয়ার কথা সেদিন থেকে দুই সপ্তাহ দেরিতে চলছেন ডোজ প্রাপ্তির থেকে। এদিন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডিয়ার সঙ্গে বৈঠকে বসে এই বিষয়ে আলোচনা করেন স্বাস্থ্যসচিবরা। বিভিন্ন রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের সচিবদের সঙ্গে বৈঠক করে এই বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার মীমাংসার রূপরেখা তৈরি করেন বলে জানা গিয়েছে। মূলত কেন্দ্রের তরফে সেই রকমের ব্যক্তিত্বদের দিকে নডর দিতে বলা হয়েছে যাঁদের ভ্যাকসিন ডোজের তরিখ পেরিয়ে গেলেও তাঁরা পাননি। এই দুটি ডোজের প্রয়োজন রয়েছে করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলার ক্ষেত্রে। মূলত, উত্তরপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান, মহারাষ্ট্র, বিহারে এমন ধরনের ঘটনার আধিক্য বাড়তে শুরু করেছে। মধ্যপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র সহ গোটা গোবলয়ে মিলিয়ে ৪৯ শতাংশ এমন ব্যক্তি রয়েছেন যাঁদের দ্বিতীয় ডোজের প্রাপ্তির কথা থাকলেও, তা হয়নি নির্দিষ্ট দিনে। উল্লেখ্য, সরকারি পরিসংখ্যান বলছে, দেশের ৭৬ শতাংশ জনজাতি কোভিডের একটি ভ্যাকসিন পেয়ে গিয়েছেন বলে জানিয়েছে সরকারি পরিসংখ্যান।












Click it and Unblock the Notifications