'আমার চরিত্র হনন করা হচ্ছে', হিন্ডেনবার্গ রিপোর্ট নিয়ে পাল্টা অভিযোগ সেবিকর্তার
মার্কিন ট্যাবলয়েড হিন্ডেনবার্গে আদানি-সেবি যোগ নিয়ে একের পর এক বিস্ফোরক তথ্য পেশ করা হয়েছে। আদানিদের শেয়ারের অংশিদার সেবি কর্তা। এই বিস্ফোরক তথ্য প্রকাশ্যে আসার পরেই গোটা দেশে তোলপাড় শুরু হয়ে গিয়েছে।
কারণ আদানিদের বিরুদ্ধে শেয়ারের কারচুপির অভিযোগের তদন্ত করেছিল সবিই। আদালতের নির্দেশে সেই তদন্ত করা হয়েছিল। কিন্তে দেখা যাচ্ছে সরষের মধ্যেই ভুত রয়েছে। সেই তদন্তের বিশ্বাসযোগ্যতা আর থাকছে না এই তথ্য প্রকাশ্যে আসার পর। এই নিয়ে বিরোধীরা ইতিমধ্যই সরব হয়েছেন । গতকাল কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশ সোশ্যাল মিডিয়ায় এই নিয়ে সরব হয়েছিলেন।

তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ মহুয়া মৈত্রও সোশ্যাল মিডিয়ায় এই নিয়ে তোপ দেগেছেন। সকলেই প্রশ্ন তুলেছেন বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে । সেবিতেও যদি দুর্নীতি হয়ে যায় তাহলে নজরদারি কে করবে। প্রশ্ন তুলেছেন বিরোধীরা। এদিকে সেবির চেয়ারপার্সন মাধবী পুরী বুচ দাবি করেছেন এই সব মিথ্যে অভিযোগ করে তাঁর চরিত্র হনন করা হচ্ছে।
হিন্ডেনবার্গ রিপোর্টে আদানিদের সঙ্গে তাঁদের গোপন আঁতাতের তথ্য প্রকাশ্যে আসার পরে সেবি কর্তা মাধবী পুরী বুচ এবং তাঁর স্বামী ধবল বুচ যৌথ বিবৃতি দিয়ে দাবি করেছেন, তাঁগের বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ মিথ্যে অভিযোগ করা হচ্ছে। উল্টে তাঁরা দাবি করেছেন মিথ্যে অভিযোগ করা হচ্ছে তাঁদের বিরুদ্ধ। তাঁদের সততা এবং লেনদেন পুরোটাই একটা খোলা বইয়ের মতো। আদানিদের সঙ্গে তাঁদের কোনও যোগ নেই বলে প্রকাশ্যে দাবি করেছেন তিনি। গত ১০ অগাস্ট যে তথ্য দেওয়া হয়েছে হিন্ডেনবার্গ রিপোর্টে পুরোটাই মিথ্যে বলে দাবি করেছেন তিনি। তাঁরা পাল্টা দাবি করেছেন তাঁদের আর্থিক বিনিয়োগের তথ্য তাঁরা এক্ষুনি প্রকাশ করতে পারে এই নিয়ে তাঁরা কোনও কিছু লোকাতে নারাজ। যেকেউ তাঁদের বিনিয়োগ এবং সম্পত্তি বিষয় তথ্য জানতে চাইলে তা পেশ করতে রাজি রয়েছেন বলে জানিয়েছেন।
হিন্ডেনবার্গ রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, আদানিদের বিরুদ্ধে শেয়ার বাজারে কারচুপির যে অভিযোদ করা হয়েছিল তার তদন্ত ভার সেবিকে দেওয়া হয়। কিন্তু ১৮ মাস ধরে সেবি সেই তদন্তে কোনও তৎপরতা দেখায়নি। এতেই স্পষ্ট আদানিদের সঙ্গে পক্ষপাত করা হয়েছে তদন্তে। এবং পুরো দুর্নীতির অভিযোগ ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications