'ক্ষতি' সত্ত্বেও মসৃণ আসনরফা! ২০১৯-র নির্বাচনে এই রাজ্যে শরিকি সমঝোতা চূড়ান্ত করল মোদীর দল
বিজেপির সঙ্গে বিহারে আসন রফা চূড়ান্ত করে ফেললেন মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার। বেশ কয়েক সপ্তাহ ধরে দুপক্ষের ঠাণ্ডা যুদ্ধ চলার পর বিহারে সম্মানজনক আসনে লড়াইয়ে নিজের দাবি বজায় রাখতে পেরেছেন নীতীশ কুমার।
বিজেপির সঙ্গে বিহারে আসন রফা চূড়ান্ত করে ফেললেন মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার। বেশ কয়েক সপ্তাহ ধরে দুপক্ষের ঠাণ্ডা যুদ্ধ চলার পর বিহারে সম্মানজনক আসনে লড়াইয়ে নিজের দাবি বজায় রাখতে পেরেছেন নীতীশ কুমার। জানা গিয়েছে, রাজ্যের ৪০ টি আসনের মধ্যে নীতীশের দল লড়াই করবে ১৬ টি আসনে। ১৭ টি আসনে লড়াই করবে বিজেপি। বাকি ৭ টি আসনে অন্য সহযোগী দল লড়াই করবে।

এনডিএ-র আসন রফা চূড়ান্ত বিহারে
দীর্ঘ দিন ধরে প্রধান দুই পক্ষের দড়ি টানাটানির পর ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনের জন্য বিহারের আসন রফা চূড়ান্ত করে ফেললেন নীতীশ কুমার এবং অমিত শাহরা। সূত্রের খবর অনুযায়ী, সেপ্টেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে দিল্লিতে নীতীশ কুমার এবং অমিত শাহ ও নরেন্দ্র মোদীর বৈঠকে আসন রফা চূড়ান্ত হয়েছে। ৪০ আসনের মধ্যে ১৬ টিতে লড়াই করবে নীতীশের দল। একটি মাত্র বেশি অর্থাৎ ১৭ টি আসনে লড়াই করবে বিজেপি। রামবিলাসের দল লড়াই করবে ৫ টি আসনে। আর বাকি দুটি আসনে লড়াই করবে উপেন্দ্র কুশওয়াহার দল।

এই সপ্তাহেই ঘোষণার সম্ভাবনা
আসন সমঝোতা নিয়ে এই সপ্তাহেই ঘোষণার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে অন্য শরিকদের মতের জন্য কিছুটা সময় নেওয়া হচ্ছে। যদি উপেন্দ্র কুশওয়াহা এই সমঝোতা মানতে না চান, তারও বিকল্প ভেবে রাখা হয়েছে। সেক্ষেত্রে ওই দলের জন্য বরাদ্দ দুটি আসন ভাগ করে নেবে জেডিইউ এবং বিজেপি।

লাভ নীতীশের, বিজেপির ক্ষতি
২০১৯-এর জন্য জোটে নীতীশ কুমারকে জায়গা করে দিতে নিজেদের বর্তমান সদস্য সংখ্যার থেকেও কম সংখ্যক আসন বরাদ্দ হয়েছে শরিকদলগুলির জন্য। কেননা ২০১৪-র নির্বাচনে দুটি আসন পেয়েছিল নীতীশের দল। সে জায়গায় বিজেপি পেয়েছিল ২২ টি আসন। এবার বিজেপি জন্য বরাদ্দ রয়েছে ১৭ টি আসন। ফলে বিজেপির সব থেকে বেশি ক্ষতি হচ্ছে। এরপরেও বর্তমানের থেকে একটি করে কম আসন বরাদ্দ করা হয়েছে রামবিলাস এবং উপেন্দ্র কুশওয়াহার দলের জন্য।
যদিও বর্ষীয়ান বিজেপি নেতা ভূপেন্দ্র যাদবের দাবি সমঝোতা চূড়ান্ত হয়নি। চূড়ান্ত হয়ে গেলে সবাই তা জানতে পারবেন।

২০১৫-র মহাজোটের সূত্র অনুসরণ
২০১৯-এর জন্য সমঝোতায় কার্যত ২০১৫-র মহাজোটের সূত্র অনুসরণ করা হয়েছে। ওই বিধানসভা নির্বাচনে ১২২ টি আসন থাকা সত্ত্বেও ১০১ টি আসনে লড়াই করেছিলেন নীতীশ। লালুর দল ১০১ টি আসনে লড়াই করে পেয়েছিল ২২ টি। অন্যদিকে কংগ্রেসের ৪ বিধায়ক থাকলেও, ৪৩ টি আসনে জয় পেয়েছিল তারা।
এবারের লড়াইয়ে অপর একটি সুবিধাও পেতে যাচ্ছে বিজেপি। ১৯৯৬ সালের পর এই প্রথমবার লোকসভা নির্বাচনে নীতীশের দলের সঙ্গে সমঝোতা করে লড়াইয়ে নামতে যাচ্ছে বিজেপি। সেক্ষেত্রে ২০টিরও কম আসনে লড়াই করছে তারা।












Click it and Unblock the Notifications