জ্যোতিরাদিত্যর দল বদল নিয়ে সিন্ধিয়াদের তোপ কংগ্রেসের! উঠল স্বাধীনতা ইতিহাসের প্রসঙ্গ
জ্যোতিরাদিত্যর দল বদল নিয়ে ১৮৫৭ সালের মহাবিদ্রোহের প্রসঙ্গ তুলল কংগ্রেস! সিন্ধিয়া রাজবংশের কোন ইতিহাস উঠে এল
কংগ্রেস থেকে জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়ার ইস্তফার পরই রীতিমতো তোলপাড় শুরু হয়ে যায় মধ্যপ্রদেশের রাজনৈতিক অলিন্দে। এরপর কংগ্রেস থেকে বহিষ্কার করা হয় জ্যোতিরাদিত্যকে। এদিকে, জ্যোতিরাদিত্যের দল ছাড়ার খবর আসতেই অধীর চৌধুরী সহ একাধিক কংগ্রেস নেতা সিন্ধিয়াকে স্বার্থন্বেষী বলে দাবি করেন। এরপর কংগ্রেস নেতারা সিন্ধিয়া রাজবংশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উজার করে ১৮৫৭ সালের মহাবিদ্রোহের প্রসঙ্গ তোলেন।

সিন্ধিয়ার ইস্তফাপত্র ও কড়া বার্তা সোনিয়াকে
সোনিয়াকে মঙ্গলবারই ইস্তফাপত্র পেশ করে তাতে কড়া বার্তা দেন জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া। জানান, গত এক বছরে তাঁর সমস্যা বেড়েছিল। পরোক্ষে তিনি ইঙ্গিত করে লেখেন যে , সেই সমস্যা নিয়ে দলের হাইকম্যান্ড কোনও সদুত্তর দেয়নি। সমস্যা মেটানোরও চেষ্টা করেনি। এরপর দলের মধ্যে থেকে কাজ করার ক্ষেত্রে জ্যোতিরাদিত্য ও তাঁর সমর্থকরা বিপদে পড়েন। সেকথাও তিনি সোনিয়াকে চিঠিতে জানান। এরপরই কংগ্রেস কর্মীরা ফুঁসে ওঠেন।

কংগ্রেসের অভিযোগ মহাবিদ্রেহ ঘিরে
জ্য়োতিরাদিত্যর দল পরিবর্তন যেন ১৮৫৭ সালে দেশের মহাবিদ্রোহে সিন্ধিয়া রাজবংশের প্রভাবকে মনে করিয়ে দিচ্ছে। এই অভিযোগ তোলেন কংগ্রেস নেতারা। তাঁরা কার্যত সিন্ধিয়া বংশের বিরুদ্ধে 'বিশ্বাসঘাতকতার' প্রসঙ্গ তুলে জ্যোতিরাদিত্যর বিরুদ্ধে তোপ দাগেন।

সিন্ধিয়া বংশ ও ১৮৫৭ সালের মহাবিদ্রেহ
১৮৫৭ সালে যখন দেশ জুড়ে সিপাহী বিদ্রোহের আঁচ , তখন গোটা ভারত একাত্ম হয়ে ইংরেজ শাসন উৎখাতের চেষ্টায় ব্রতী হয়। জানা যায়, সেই সময় সিন্ধিয়া রাজবংশ ইংরেজ সরকারের পাশে ছিল। আর সেই প্রসঙ্গ তুলেই সিন্ধিয়াদের ইতিহাস ঘিরে 'বিশ্বাসঘাতকতা' নিয়ে জ্যোতিরাদিত্যকে তোপ দাগেন কংগ্রেস।

জ্যোতিরাদিত্যর ঠাকুমার প্রসঙ্গ তুলেও তোপ!
উল্লেখ্য, জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়ার ঠাকুমা বিজয়ারাজে সিন্ধিয়া এককালে জনসংঘের সদস্য ছিলেন। যখন অটলবিহারী বাজপেয়ীরা এই জনসংঘের শিবির শুরু করেন, তখন। তার আগে ১৯৬৭ সালে তিনি কংগ্রেসের সদস্য ছিলেন। আর সেই দল পরিবর্তনের প্রসঙ্গকেই টেনে ফের একবার সিন্ধিয়া বংশ ঘিরে কংগ্রেস নেতারা আক্রমণ শানিয়ে দিচ্ছেন জ্যোতিরাদিত্যর দিকে।












Click it and Unblock the Notifications