করোনার ভারতীয় নমুনা থেকে মিলেছে ৪১ শতাংশ জিনোম, দাবি বিজ্ঞানীদের
করোনার ভারতীয় নমুনা থেকে মিলেছে ৪১ শতাংশ জিনোম, দাবি বিজ্ঞানীদের
করোনা ভাইরাস সংক্রমণ ভারতে ক্রমশই বাড়ছে। বিশ্বেরর বিভিন্ন দেশের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে এ দেশেও প্রতিদিনই বিপুল পরিমাণ নতুন করোনা আক্রান্তের খবর শোনা যাচ্ছে। এরই মধ্যে আবার নতুন তথ্যের সন্ধান দিলেন বিজ্ঞানীরা। তাঁরা জানিয়েছেন, করোনার ভারতীয় নমুনায় ৪১ শতাংশ সার্স–কোভ২ জিনোম পাওয়া গিয়েছে। যদিও বিশ্বব্যাপী নমুনায় এই জিনোম রয়েছে ৩.৫ শতাংশ

ফেব্রুয়ারিতে উৎপত্তি হয় ক্ল্যাড এ৩আই জিনোমের
বিজ্ঞানিদের মতে, এক-একটি দেশে করোনা ভাইরাসের চরিত্র ভিন্ন ভিন্ন। যেমন ভারতে ক্লেড এ৩আই নামে পরিচিত এই গোষ্ঠীটির চরিত্র বোঝা যায়নি, তবে ফেব্রুয়ারিতে তার উৎপত্তি হয় এবং গোটা ভারতে ছড়িয়ে পড়ে বলে জানিয়েছেন সিএসআইআর সেন্টারের সেলুলার অ্যান্ড মলিকিউলার বায়োলজির বিজ্ঞানীরা। ভারত থেকে বিচ্ছিন্ন জিনোমগুলি পাঁচটি ক্লাস্টারের অধীনে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়েছিল, সেগুলি হল ক্লেডস এ২এ, এ৩, এ৩আই, বি এবং বি৪। সার্স-কোভ২-এর জিনোম নিয়ে গবেষণার সময় উঠে এসেছে যে ভারতে পাওয়া সব জিনোমগুলির মধ্যে ১৪৫টি (৪১.২ শতাংশ) জিনমোই ক্লেড এ৩আই-কে প্রতিনিধিত্ব করে এবং ১৯টির মধ্যে ৬টি রাজ্যে এই জিনোমের উৎপত্তি হয়েছিল।

করোনায় শীর্ষ রাজ্যে প্রসার বেশি
ভৌগলিক বিতরণ এবং ক্ল্যাড এ৩আই বিচ্ছিন্নতার অনুপাত অনুযায়ী তামিলনাড়ু, তেলেঙ্গনা, মহারাষ্ট্র ও দিল্লিতে এর সর্বাধিক প্রসার দেখা যায়। এরপরই তালিকায় রয়েছে বিহার, কর্নাটক, উত্তরপ্রদেশ, পশ্চিমবঙ্গ, গুজরাত ও মধ্যপ্রদেশের নাম। ক্লেড এ৩আই-এর অন্তর্গত একটি করে জিনোম রয়েছে হরিয়ানা, জম্মু-কাশ্মীর, মধ্যপ্রদেশ, ওড়িশা ও রাজস্থানে।

দক্ষিণের রাজ্যে বেশি প্রভাব ফেলে ক্ল্যাড এ৩আই জিনোম
এ প্রসঙ্গে এক বিজ্ঞানী বলেন, ‘ফেব্রুয়ারিতে করোনার এ ধরনের ক্লাস্টারের উৎপন্ন হয় এবং এরপর গোটা দেশে ছড়িয়ে পড়ে। দক্ষিণের রাজ্যগুলি বেশি প্রভাবিত হয়। আমাদের বিশ্লেষণ থেকে বোঝা যাচ্ছে যে জিনোমগুলি প্রাম প্রত্যেকটি রাজ্যে ক্ল্যাড এ৩আই-কে প্রতিনিধিত্ব করছিল। কয়েকটি রাজ্য বাদে।'

ধারাবাহিকভাবে বিকশিত হচ্ছে
ভাইরাসটি কমপক্ষে ১০ টি ক্ল্যাডে বিভক্ত হয়ে বিকশিত হচ্ছে। এটি জিনগতভাবে মহামারি, নজরদারি, যোগাযোগের সন্ধান, দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগুলির বিকাশের ক্ষেত্রে জড়িত।












Click it and Unblock the Notifications