বাংলায় নির্মমভাবে অত্যাচারিত তপশিলী জাতি-উপজাতিরা, ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে রাষ্ট্রপতিকে চিঠি
বাংলায় নির্মমভাবে অত্যাচারিত তপশিলী জাতি-উপজাতিরা, ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে রাষ্ট্রপতিকে চিঠি
বাংলায় ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে অভিযোগ জানিয়ে রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোভিন্দকে চিঠি দিলেন বুদ্ধিজীবীরা। প্রায় ১০০ জন বুদ্ধিজীবী সেই চিঠি পাঠিয়েছেন বুদ্ধিজীবীরা। চিঠিতে তাঁরা অভিযোগ করেছে, ভোটে তৃণমূল কংগ্রেসের জয়ের পর থেকে নির্মম ভাবে অত্যাচারের শিকার হচ্ছে বাংলার তপশিলি জাতি-উপজাতির মানুষ। পুলিশও এই কাজে শাসক দলকে সাহায্য করছে বলে চিঠিতে লেখা হয়েছে।

বাংলায় ভোটপরবর্তী হিংসা
একুশের ভোটে ১০০ পার করতে পারেনি বিজেপি। ২০০-র বেশি আসন পেয়ে বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। তারপর থেকেই জেলায় জেলায় ভোট পরবর্তী হিংসা শুরু হয়ে গিয়েছে। অসংখ্য মানুষ ভোট পরবর্তী হিংসার শিকার হয়েছে। বিজেপি কর্মীদের খুন করা হয়েছে। তাঁদের বাড়ি ঘর জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে। বিজেপির পার্টি অফিসে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে। অসংখ্য বিজেপি কর্মী ঘরছাড়া বলে অভিযোগ করেছেন দিলীপ ঘোষরা

রাষ্ট্রপতিকে চিঠি
বাংলায় ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে এবার রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোভিন্দকে চিঠি দিলেন প্রায় ১০০ বুদ্ধিজীবী। চিঠিতে রীতিমত পরিসংখ্যান দিয়ে জানানো হয়েছে ভোট পরবর্তী হিংসায় বাংলায় ঘরছাড়া ১১০০০ বিজেপি কর্মী। তারমধ্যে সিংহভাগই তপশিলি জাতি-উপজাতির। ঘরছাডা হয়ে রয়েছেন তাঁরা। ৪০০০-র বেশি বিজেপি কর্মী আক্রান্ত হয়েছে। ১৬২৬টি নৃশংস হামলার ঘটনা ঘটেছে।

তৃণমূলের সঙ্গে পুলিশের যোগ
বুদ্ধিজীবীরা চিঠিতে উল্লেখ করেছেন শাসক দলের সঙ্গে হিংসায় সহযোগিতা করছে পুলিশও। তপশিলি-জাতি-উপজাতিকে টার্গেট করে নির্বিচারে চলছে লুঠ,ধর্ষণ,জমি ও বাড়ি দখল। তাঁদের নিজের জমি জায়গা থেকে উৎখাত করা হচ্ছে। ৫০০০ বাড়ি ভেঙে দেওয়া হয়েছে। ১৪২ জন মহিলা লাঞ্ছনার শিকার হয়েছেন। ২৬ জন খুন হয়েছে। এরা সকলেই তপশিলিজাতি-উপজাতির।

হুমকি দিয়ে ভয় দেখানো হচ্ছে
চিঠিতে তাঁরা লিখেছেন প্রায় ২০০০ মানুষ ঘরছাড়া। তাঁরা অসম,ওড়িশা এবং ঝাড়খণ্ডে গিয়ে আশ্রয় নিয়েছেন। গ্রামে গ্রামে ঢুকে তপশিলী জাতি উপজাতির লোকেদের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। তাঁদের দোকান জ্বালিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে অবিলম্বে রাষ্ট্রপতির হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন তাঁরা। যাঁরা চিঠি লিখেছেন তাঁদের মধ্যে রয়েছেন রাজস্থানের রাজেশ পাইলট গভর্নমেন্ট কলেজের অধ্যাপক সুভাস পাহাড়িয়া, দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের মতিলাল নেহরু কলেজের অধ্যাপক পুনিত কুমার। তাঁদের দাবি নির্বাচনে যে রাজনৈতিক দলই জিতুক এই ধরনের নির্মম অত্যাচার কখনও গ্রহণযোগ্য নয়।












Click it and Unblock the Notifications