গোধরাকাণ্ড পরবর্তী দাঙ্গায় সাজাপ্রাপ্ত ১৪ জনকে জামিন সুপ্রিমকোর্টের
গোধরাকাণ্ড পরবর্তী দাঙ্গায় সাজাপ্রাপ্ত ১৪ জনকে জামিন সুপ্রিমকোর্টের
গোধরাকাণ্ড পরবর্তী দাঙ্গায় সাজাপ্রাপ্ত ১৪ জনকে জামিন দিল সুপ্রিমকোর্ট। তাদের জামিন দেওয়ার পর শীর্ষ আদালত অভিযুক্তদের আধ্যাত্মিক ও সমাজিক কাজে যুক্ত থাকার নির্দেশ দেয়। এর আগে ২০০২ সালে মোট ১৭ জনকে দাঙ্গায় যুক্ত থাকার দায়ে জাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় শোনায় গুজরাত আদালত।

আধ্যাত্মিক ও সমাজিক কাজে যুক্ত থাকার নির্দেশ
এদিকে জামিনে মুক্তদের আধ্যাত্মিক ও সমাজিক কাজে যুক্ত থাকার যে নির্দেশ শীর্ষ আদালত দিয়েছে, তার তদারকির দায়িত্ব বর্তিয়েছে স্থানীয় প্রশাসনের উপর। পাশাাপশি স্থানীয় প্রশাসনকে এই অভিযুক্তদের কর্মসংস্থান খুঁজে দেওয়ার বিষয়েও নির্দেশ দিয়েছে আদালত। এই বিষয়ে মধ্যপ্রদেশের ইন্দোর এবং জব্বলপুরের জেলা আইনজীবী কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করেছে সুপ্রিম কোর্ট। সুপ্রিম কোর্ট রাজ্য প্রশাসনকে তাঁদের জীবিকার জন্য কাজের সন্ধান দিতেও বলেছে। রাজ্যের আইনি পরিষেবা কর্তৃপক্ষকে ওই ১৪ জনের আচরণের বিষয়ে একটি শংসাপত্র দাখিল করতেও বলা হয়েছে।

গোধরায় পুড়েছিল এস৬ কামরাটি
২০০২ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি গুজরাতের গোধরা এলাকায় আগুন লাগানো হয় সবরমতী এক্সপ্রেসে। ওই ট্রেনের ঝলসে যাওয়া এস৬ কামরায় ছিলেন ৫৯ করসেবক। ট্রেনে আগুন লাগানোর ঘটনা পরবর্তী উত্তেজনার আবহে ৩ দিন ধরে গুজরাত জুড়ে প্রাণ যায় মুসলিম ও হিন্দু সম্প্রদায়ভুক্ত হাজারের বেশি মানুষের। এই প্রেক্ষাপটে এক লক্ষ মুসলিম ও ৪০ হাজার হিন্দু ঘর ছাড়া হন।

মোট ৭৬ জনকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ
এই দাঙ্গায় যুক্ত থাকার দায়ে মোট ৭৬ জনকে গ্রেফতার করেছিল গুজরাত পুলিশ। এই মামলা চলাকালীনই তাদের মধ্যে ২ জন মারা গিয়েছিল। এরপর ৩১ জনকে দোষী সাব্যস্ত করে আদাল।বাকি ৪২ জনকে ছেড়ে দেওয়া হয়। দোষী সাব্যস্ত ৩১ জনের মধ্যে ১৪ জনকে জাবজ্জীবনের রায় শোনায় আদালত। তাদের বিরুদ্ধে খুন ও খুনের চেষ্টার মামলা দায়ের করা হয়েছিল।












Click it and Unblock the Notifications