ভুল্লারের ফাঁসি রদ করে যাবজ্জীবনের নির্দেশ দিল শীর্ষ আদালত

শীর্ষ আদালতের মুখ্য বিচারপতি পি সদাশিবন এদিন ভুল্লারের স্ত্রী নভনীত কউরের আর্জিতেও রায় দিয়েছেন। নভনীত আর্জি জানিয়েছেন ভুল্লারের মৃত্যুদণ্ডের যে আদেশ আদালত দিয়ে তা নিয়ে পুনর্বিবেচনা করা হোক।
ভুল্লারের প্রাণ ভিক্ষা আর্জিতে অনাবশ্যক দেরী, তার অসুস্থতার কারণে আদালতের এই রায়
১৯৯৩ সালের সেপ্টেম্বরে দিল্লিতে এক বিস্ফোরণে ৯ জনের মৃত্যু হয়, আহত হন ২৫ জন। আহতদের মধ্যে ছিলেন তত্কালীন যুব কংগ্রেস সভাপতি এম এস বিট্টা। বিস্ফোরণের ঘটনায় অভিযুক্ত ভুল্লারকে ১৯৯৩ সালে মৃত্যুদণ্ডের নির্দেশ দেয় দিল্লি হাইকোর্ট। পরে পঞ্জাব সরকারের কাছে ক্ষমাপ্রার্থনার আবেদন করে ভুল্লার। আবেদনের জবাব না পেয়ে সুপ্রিম কোর্টে মৃত্যুদণ্ড খারিজের আবেদন করেন।
২০০৩ সালে রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণ ভিক্ষার আবেদন জানিয়েছিল ভুল্লার । তবে আট বছর পরে সেই আবেদন খারিজ হয়ে যায়। ভুল্লারের পরিবার আদালতে জানায় তিনি মানসিক ভাবে অসুস্থ। ভুল্লারের স্বাস্থ্যের কারণে তাঁর ফাঁসির আদেশ রদ করা যেতে পারে বলে গত সপ্তাহেই শীর্ষ আদালতে জানিয়েছিল কেন্দ্র।
কেন্দ্র ও দিল্লি সরকারকে নভনীতের পিটিশনের বিষয়ে জানানো হয়। মানসিক অবস্থা কতটা খারাপ, চিকৎসায় কতটা উন্নতি হয়েছে প্রভৃতি জানতে ইনস্টিটিউট অফ হিউম্যান বিহেভিয়ার অ্যান্ড অ্যালায়েড সায়েন্সেস, যেখানে ভুল্লারের চিকিৎসা চলছে সেখান থেকে তার মানসিক অবস্থার বিস্তারিত মেডিক্যাল রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে।
এদিকে আট বছর অনাবশ্যক দেরি করা হয়েছে প্রাণভিক্ষার সিদ্ধান্ত নিয়ে তাই ভুল্লারের মৃত্যুদণ্ড রদ করা যেতে পারে বলে গত ২১ জানুয়ারি জানিয়েছিল শীর্ষ আদালত।












Click it and Unblock the Notifications