দেশকে ঐক্যবদ্ধ করতে শশী থারুর, ইশিতা গাঙ্গুলি নতুন আঙ্গিকে পেশ করলেন জাতীয় সঙ্গীতকে
দেশকে ঐক্যবদ্ধ করতে শশী থারুর, ইশিতা গাঙ্গুলি নতুন আঙ্গিকে পেশ করলেন জাতীয় সঙ্গীতকে
প্রবীণ কংগ্রেস নেতা শশী থারুরকে দেখা গেল এক অন্য ভূমিকায়। রবীন্দ্রসঙ্গীতের ফিউশন শিল্পী জনপ্রিয় ইশিতা গাঙ্গুলী করোনা ভাইরাস সঙ্কট মোকাবিলায় ভারতীয়দের ঐক্যবদ্ধ করার আহ্বান জানিয়ে জাতীয় সঙ্গীতের আন্তরিক উপস্থাপনা করেন, যাতে যোগ দেন এই কংগ্রেস সাংসদ।

রবীন্দ্রনাথের কবিতা আবৃত্তি করেন শশী থারুর
ইশিতা দুই মিনিটের এই দীর্ঘ ভিডিওতে জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার পাশাপাশি লকডাউনে মুম্বই মরুভূমিতে পরিণত হয়েছে এই দৃশ্যও দেখিয়েছেন। এই ভিডিওর শেষে শশী থারুরকে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘চিত্ত যেথা ভয়শূণ্য' কবিতাটি আবৃত্তি করতে শোনা যাবে। থারুর টুইটারে টুইট করে বলেছেন, ‘ইশিতা গাঙ্গুলির সঙ্গে সহযোগিতা করতে পেরে সন্তুষ্ট। ‘জন গণ মন'-এর একটি পরিবেশনার পরিপূরক হিসাবে ‘লেট মাই কান্ট্র অ্যাওয়েক'-এর আবৃত্তি সত্যি কোভি-১৯-এর লকডাউনের সময় দেশবাসীকে একত্রিত করবে।'

দেখানো হয়েছে মুম্বইয়ের বিভিন্ন জায়গা
এই ভিডিওর ধারণা ও সম্পাদনা করেছেন ১২ বছরের আদর্শ দাস। ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, লকডাউনের কারণে চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি হওয়ায় মরুভূমিতে পরিণত হয়েছে মুম্বই। দেশের সবচেয়ে ব্যস্ততম নগরী এবং সাধারণত ট্রাফিক, ট্রেন ও মানুষের কারণে এই শহর পরিচিত ‘রাতজাগা' শহর হিসাবে। ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়াম, মেরিন ড্রাইভ, সিদ্ধিবিনায়ক গণপতি মন্দির, সিএসটি, বান্দ্র-ওয়ারলি সি-লিঙ্কের মতো এই ভিডিওতে কিছু অসাধারণ লোকেশন দেখানো হয়েছে।

আজকের সময় উপযুক্ত ইশিতার গান
তিরুবন্তপুরমের সাংসদ শশী থারুর বলেন, ‘ইশিতার কন্ঠে জাতীয় সঙ্গীত শোনার পর গুরুদেব রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অমর কথাগুলো নিজে বলার পর এটা অনুভব করলাম যে কোভিড-১৯ মহামারি কিভাবে আমাদের দেশকে গ্রাস করে রেখেছে। আমাদের মন বর্তমানে অজানা ভয়ের সঙ্গে লড়াই করছে, সম্ভাব্য আক্রমণ ভাইরাসের। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শ্লোকটি ভারতকে এইরকম ভয় ও সংকীর্ণ বিভাজনে বিস্তৃত আত্ম-উপলব্ধির দিকে নিয়ে যাওয়ার কথা বলেছে। আমি অনুভব করেছি যে ইশিতার হৃদয়গ্রাহী জাতীয় সংগীত পরিবেশন আজকের সময়ের চেয়ে উপযুক্ত হতে পারে না।' সঙ্গীত শিল্পী ইশিতা জানিয়েছেন যে এখন দেশের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার সময় এসেছে ও সামনের সারিতে যাঁরা রয়েছেন এবং করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করছেন তাঁদের সমর্থন করতে হবে। এই জাতীয় সঙ্গীত প্রত্যেক প্রদেশ ও দেশজুড়ে সামাজিক-অর্থনীতি দলের প্রত্যেক ব্যক্তির কথা বলে। এই গানটি আবার ফিরে দাঁড়ানোর আশা জাগায়।












Click it and Unblock the Notifications