শিশুদের কোভিড আক্রান্তের সম্ভাবনা বাড়লেও হাসপাতালের প্রয়োজন নগন্যের, বলছেন বিশেষজ্ঞ
শিশুদের কোভিড আক্রান্তের সম্ভাবনা থাকলেও হাসপাতালের প্রয়োজন নগন্যের
করোনা ভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউয়ে শিশুদের আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বাড়লেও তারা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই লক্ষণহীন হন। কোভিড ১৯ আক্রান্ত শিশুদের মধ্যে মাত্র ১ থেকে ২ শতাংশকে হাসপাতালে ভর্তি করার প্রয়োজন পড়ে বলে ইন্ডিয়ান অ্যাকাডেমি অফ পেডিয়াট্রিক্সের এগজিকিউটিভ বোর্ড মেম্বার আর সোমাসেকার। শনিবার ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দেশবাসীকে তিনি আশ্বস্ত করেছেন।

শিশুদের আক্রান্ত হওয়ার হার বেড়েছে
করোনা ভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউ বা সার্স-কোভ-২ ভ্যারিয়েন্টে শিশুরা যে বেশি আক্রান্ত হচ্ছে, তা মেনে নিয়েছেন ইন্ডিয়ান অ্যাকাডেমি অফ পেডিয়াট্রিক্সের এগজিকিউটিভ বোর্ড মেম্বার আর সোমাসেকার। তবে তাতে আশঙ্কিত হওয়ার কোনও কারণ নেই বলেও তিনি আশ্বস্ত করেছেন। শনিবার এক ভিডিও বার্তায় সোমাসেকার জানিয়েছেন, অধিকাংশ ক্ষেত্রে শিশুর করোনা আক্রান্ত হওয়ার লক্ষণ ধরাই পড়ে না। ধরা পড়লেও তার মধ্যে এক থেকে দুই শতাংশ শিশুকে হাসপাতালে ভর্তি করার প্রয়োজন পড়ে বলে জানিয়েছেন এই শিশু বিশেষজ্ঞ।

কীভাবে আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা
অধিকাংশ ক্ষেত্রে বাবা-মায়ের থেকেই শিশুরা করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয় বলে জানিয়েছেন ইন্ডিয়ান অ্যাকাডেমি অফ পেডিয়াট্রিক্সের এগজিকিউটিভ বোর্ড মেম্বার আর সোমাসেকার। তাই অভিভাবকদের তিনি সাবধান হতে বলেছেন। সোমাসেকারের কথায়, শিশুদের আচরণের দিকে নিয়মিত নজর রাখলেই কোভিড ১৯ আক্রান্ত হওয়ার লক্ষণগুলি বোঝা সম্ভব। সাধারণত জ্বর, কাশি, পেট খারাপই শিশুদের কোভিড ১৯-এ সংক্রমিক হওয়ার প্রাথমিক লক্ষণ বলে তিনি জানিয়েছেন।

কর্নাটকের ওপর প্রভাব বেশি
ইন্ডিয়ান অ্যাকাডেমি অফ পেডিয়াট্রিক্সের এগজিকিউটিভ বোর্ড মেম্বার আর সোমাসেকারের কথায় এখনও পর্যন্ত কর্নাটকেই শিশুদের ওপর করোনা ভাইরাসের প্রভাব পড়েছে। দক্ষিণের এই রাজ্যে এখনও ২০২০ সালের শুরু থেকে এখনও পর্যন্ত ৬৮,৬৩৫ জন ১০ বছরের নিচে থাকা শিশু কোভিড ১৯-এ সংক্রামিত হয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন। তাতে কোনও মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি বলে কর্নাটক সরকারের দেওয়া তথ্য তাই বলে।

করোনার তৃতীয় ঢেউ আরও ভয়ঙ্কর
করোনা ভাইরাসের তৃতীয় ঢেউয়ে শিশুরা আরও বেশি করে আক্রান্ত হবে বলে কেন্দ্রের তরফে আগেই আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। একই কথা শোনা গেল ইন্ডিয়ান অ্যাকাডেমি অফ পেডিয়াট্রিক্সের এগজিকিউটিভ বোর্ড মেম্বার আর সোমাসেকারের গলাতেও। তাঁর কথায়, কেবল কর্নাটক নয়, কোভিড ১৯-এর তৃতীয় ঢেউ দেশের সব প্রান্তের শিশুদের ওপর প্রভাব বিস্তার করবে। তবে বাবা-মায়েরা সাবধানে চললে সেই বিপদ থেকে মুক্ত হওয়া সম্ভব বলেও মনে করেন ওই শিশু বিশেষজ্ঞ।












Click it and Unblock the Notifications