মাফিয়ার মতো কাজ করছে কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা : সঞ্জয় রাউত
মাফিয়ার মতো কাজ করছে কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা : সঞ্জয় রাউত
আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগে ইডি মহারাষ্ট্রের মন্ত্রী নবাব মালিকের গ্রেফতার করে। এই প্রসঙ্গে, শিবসেনা সাংসদ সঞ্জয় রাউত বুধবার অভিযোগ করেছেন যে কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থাগুলি, একটি "মাফিয়ার" মতো, বিজেপির রাজনৈতিক বিরোধীদের লক্ষ্য করছে এরা।

রাউত বলেন যে ইডি আধিকারিকরা জিজ্ঞাসাবাদের জন্য মালিককে তার বাড়ি থেকে নিয়ে গিয়েছে। শিবসেনার মুখপাত্র বলেছেন, "এটি মহারাষ্ট্র সরকারের কাছে একটি চ্যালেঞ্জ। কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থাগুলি, একটি মাফিয়ার মতো, বিজেপির রাজনৈতিক বিরোধীদের টার্গেট করছে যারা মিথ্যাকে প্রকাশ করে। কিন্তু, সত্যের জয় হবে এবং লড়াই চলবে। এসব ২০২৪ সাল পর্যন্ত চলবে এবং এর পরে বিজেপিকেই এর পরিণতি ভোগ করতে হবে,"।
রাউত বলেন, "কয়েক বছর আগে প্রাক্তন বিজেপি সাংসদ কিরীট সোমাইয়া সহ কিছু নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছিলেন যারা এখন বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। তাদের বিরুদ্ধে সমন জারি হয়নি কেন?' প্রশ্ন তুলেছেন রাজ্যসভার সদস্য। উল্লেখযোগ্যভাবে, সোমাইয়া নারায়ণ রানে সহ বিভিন্ন নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল এমন নানা দুর্নীতি নিয়ে। এরা পরে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন এবং বর্তমানে কেউ কেউ আবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রীও বটে।
রাউত বলেন, "আমি মহা বিকাশ আঘাদি (MVA) এর সমস্ত সিনিয়র নেতাদের সাথে কথা বলেছি। আমি শীঘ্রই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলিকে সব ফাঁস করব," । শিবসেনা, এনসিপি এবং কংগ্রেস ২০১৯ সালে মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরের নেতৃত্বে মহারাষ্ট্রে মহা বিকাশ আঘাদি (এমভিএ) সরকার গঠনের জন্য হাত মিলিয়েছিল। আর্থিক দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার করা হয় এনসিপি মন্ত্রী নবাব মালিককে। বুধবার বাড়িতে বুধবার সকালেই হানা দেয় ইডির তদন্তকারীরা। কুখ্যাত আন্ডারওয়ার্ল্ড ডন দাউদ ইব্রাহিম এবং তাঁর ভাইয়ের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগ ছিল নবাব মালিকের বিরুদ্ধে।
সকালবেলাতেই মন্ত্রী নবাব মালিকের বাড়িতে হাজির হয়েছিলেন ইডির আধিকারীকরা। আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগে তাঁর বাড়িতে হাজির হন ইডির আধিকারীকরা। সূত্রের খবর কুখ্যাত আন্ডারওয়ার্ল্ড ডন দাউদ ইব্রাহিম এবং তাঁর ভাই ইকবাল কাসকারের সঙ্গে যোগাযোগ রয়েছে নবাব মালিকের এমনই অভিযোগ করা হয়। ইডি নাকি নবাব মালিকের সঙ্গে দাউদের যোগাযোগ খুঁজে পেয়েছে। বেশ কিছু সম্পত্তি কেনাবেচায় আর্থিক দুর্নীতি করেছেন মন্ত্রী এমনই অভিযোগ ওঠে।
কয়েকমাস আগে মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবীশ দাবি করেছিলেন, ১৯৯৩ সালের মুম্বই বিস্ফোরণের ঘটনার সময় বেশ কিছু আর্থিক লেনদেন করেছিলেন তিনি। দাউদের ছোট বোন হাসিনা পার্কারের দুই সহযোগী সর্দার শাহআলি খান এবং মহম্মদ সলিম ইস্ক পাটেলের সঙ্গে বেশ কিছু সম্পত্তি কেনাবেচা করেছিলেন। কয়েকদিন আগেই গ্রেফতার করা হয়েেছ দাউদ ইব্রাহিমের ভাই ইকবাল কাস্করকে। আর্থিক দুর্নীতি মামলায় নাম রয়েছে দাউদ ইব্রাহিমেরও। এই মামলার তদন্তে কয়েকদিন আগে মুম্বইয়ে হাসিনা পার্কারের বাড়িতেও হানা দিয়েছিল ইডি। তারপরেই ইডি হানা দেয় নবাব মালিকের বাড়িেত।
সকাল থেকে এনসিপি মন্ত্রীর বাড়িতে তাঁকে দেরা করা হয়। তারপরে দুপুরের দিকে তাঁকে গ্রেফতার করে ইডি।












Click it and Unblock the Notifications