চিনকারা কাণ্ড : সলমনই হরিণ শিকার করেছিলেন, দাবি অন্যতম সাক্ষীর
নয়াদিল্লি, ২৮ জুলাই : কৃষ্ণসার ও চিনকারা হরিণ হত্যা মামলায় গত সোমবারই যোধপুরের আদালত বলিউড সুপারস্টার সলমন খানকে নির্দোষ বলে ঘোষণা করেছে। তবে ব্যক্তির নাম যখন সলমন খান, তখন বিতর্ক কি আর সহজে পিছু ছাড়ে! [কৃষ্ণসার হরিণ সহ দুটি পশু হত্যা মামলায় বেকসুর খালাস সলমন খান]
১৯৯৮ সালে সলমন ও অন্যান্য অভিনেতারা যখন রাজস্থানে সিনেমার শুটিংয়ে গিয়েছিলেন তখন ২৬ ও ২৮ সেপ্টেম্বর এই দু'দিন কৃষ্ণসার ও চিনকারা হরিণ মারার ঘটনা ঘটে। সেই ঘটনায় সলমনকেই ফের দায়ী করেছেন এই মামলার অন্যতম প্রধান সাক্ষী হরিশ দুলানি। [২০০২ সালের 'হিট অ্যান্ড রান' মামলায় ফের বিপদে সলমন খান!]

তিনি জানিয়েছেন, সেই সপ্তাহে সলমন সহ তারকাদের গাড়ির চালক তিনিই ছিলেন। সলমনই গাড়ি থেকে নেমে এসে হরিণটিকে গুলি করে মারেন। এই সাক্ষ্যই ১৮ বছর আগে তিনি ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে দিয়েছিলেন এবং এখনও তাতেই তিনি অনড় রয়েছেন। [দাবাং সলমনের সুপার ফ্লপ সিনেমার তালিকা]
ঘটনা হল, দুলানির বক্তব্যকে অবিশ্বাসযোগ্য বলে উড়িয়ে দিয়ে সলমনকে বেকসুর খালাস করেছে যোধপুরের উচ্চ আদালত। এছাড়া দীর্ঘদিন দুলানি আদালতে না আসায় তাকে জেরা করা যায়নি। ফলে তার বক্তব্যকে গ্রহণ করতে পারেনি আদালত। [বলিউড তারকাদের বিদেশি প্রেম]
বুধবার হঠাৎ করে হরিশ দুলানি সংবাদমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিয়ে জানিয়েছেন, আমি পালিয়ে যাইনি। আমি যা বলার আগেই আদালতকে বলে দিয়েছি। আমাকে এবং আমার বাবাকে বারবার হুমকি দেওয়া হয়েছে। আমরা নিরাপত্তার অভাব বোধ করছি। আমাদের নিরাপত্তা চাইছি। আমি আদালতে আগে যা বলেছি, সেই বক্তব্যে অনড় রয়েছি।
প্রসঙ্গত, ১৯৯৮ সালে এই হরিণ হত্যার ঘটনা ঘটলে হরিশ দুলানিই বন দফতরকে খবর দেয়। এবং ভারতীয় দণ্ডবিধির ১৬৪ ধারা অনুযায়ী ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে জবাববন্দি রেকর্ড করে। পরে ২০০৬ সালে রাজস্থানের নিম্ন আদালত সলমনকে দোষী সাব্যস্ত করে।
সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে উচ্চ আদালতে মামলা করেন সলমন খান। এরপর সবদিক খতিয়ে দেখে সলমনকে বেকসুর খালাস করে আদালত। সাক্ষীর বয়ানে নানা অসঙ্গতি থাকায় তা মেনে কাউকে শাস্তি দেওয়া যায় না বলেই পর্যবেক্ষণ ছিল আদালতের। এছাড়া বন দফতরের অধীনে থাকাকালীন হরিশ দুলানি নিজের বক্তব্য রেকর্ড করেন বলেও জানিয়েছে আদালত।
এখন নতুন করে হরিশের এই বক্তব্য সলমনের জন্য কি বিতর্কের সূত্রপাত করে এখন সেটাই দেখার।












Click it and Unblock the Notifications