Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

Saif Ali Khan Case: হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেন সইফ আলি খান, হামলাকারীর বাংলা-যোগ আরও স্পষ্ট

Saif Ali Khan Case: হামলার ৬ দিন পর অবশেষে মুম্বইয়ের লীলাবতী হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেন (Saif Ali Khan Discharged) অভিনেতা সইফ আলি খান। এদিকে সইফের উপর হামলাকারীর বাংলা যোগ আরও স্পষ্ট। সাত মাস আগে মেঘালয়ের দাউকি নদী পেরিয়ে ভারতে অনুপ্রবেশ করে অভিযুক্ত বাংলাদেশি নাগরিক। এরপর পশ্চিমবঙ্গে বেশ কয়েকদিন থেকে স্থানীয় এক বাসিন্দার আধার কার্ড (Aadhar Card) হাতিয়ে সিম কার্ড আদায় করে সে। শেষমেশ কাজের খোঁজে মুম্বই পাড়ি দেয় ধৃত মহম্মদ শরিফুল ইসলাম।

শরিফুলকে গ্রেফতারির পর প্রাথমিক তদন্তে মুম্বই পুলিশ (Mumbai Police) একাধিক চাঞ্চল্যকর তথ্য পেয়েছে। ধৃতের কাছ থেকে যে সিম উদ্ধার হয়েছে তা খুকুমণি জাহাঙ্গির শেখ বলে এক মহিলার নামে নথিভুক্ত রয়েছে। তারই আধার কার্ড হাতিয়ে ওই সিম অভিযুক্ত কিনে থাকতে পারে বলে জানিয়েছে পুলিশ। সেই সিম থেকে একাধিকবার বাংলাদেশে ফোনও গেছিল বলে জানায় পুলিশ।

saif

পশ্চিমবঙ্গের একাধিক জেলায় ঘুরে বেড়িয়েছিল সইফের উপর হামলাকারী। সর্বত্র ঘুরে আধার কার্ড তৈরির চেষ্টা চালালেও তা করতে পারেনি অভিযুক্ত। জেরায় ধৃত জানায়, বাংলাদেশে সে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত পড়াশোনা করেছে। পরিবারে তাঁর দুই ভাই রয়েছে। কাজের খোঁজেই সে ভারতে পালিয়ে আসে। মেঘালয়ে ভারত বাংলাদেশ সীমান্তে দাউকি নদী পেরিয়ে সে এদেশে চলে আসে বলে জেরায় স্বীকার করেছে অভিযুক্ত। ভারতে ঢুকে বিজয় দাস নাম ভাঁড়িয়ে পরিচয় দিত সে।

বাংলাদেশের দুটি থানায় তাঁর বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ-সহ একাধিক মামলা রয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে বেশ কয়েকদিন থাকার পর মুম্বইতে চলে আসে সে। পুলিশ জানিয়েছে, বেছে বেছে এমনকিছু জায়গায় অভিযুক্ত কাজ নেওয়ার চেষ্টা করে, যেখানে পরিচয়পত্রের প্রয়োজন নেই। সূত্রের খবর, থানেতে ও ওরলিতে তাঁকে পানশালায় হাউসকিপিংয়ের কাজ পেতে সাহায্য করেন অমিত পান্ডে নামে এক ঠিকা শ্রমিক।

পুলিশের দাবি, জিজ্ঞাসাবাদে কলকাতায় থাকার কথা উল্লেখ করেছে ধৃত শরিফুল ইসলাম। এরপর ধৃতকে বাংলাদেশে পরিবারের সদস্যদের ফোন করতে বলে পুলিশ। ভাইয়ের সঙ্গে কথা বলে অভিযুক্ত। ধৃত শরিফুলের ভাইয়ের থেকেই তাঁর পরিচয়পত্র আদায় করে পুলিশ। সেই নথিতেই স্পষ্ট হয়ে যায় যে ধৃত আদতে বাংলাদেশের নাগরিক। সইফের বাড়িতে ঢোকার আগে শরিফুল অন্য এক সুপারস্টারের বাড়িতে ঢোকার চেষ্টা করেছিল। যদিও সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয়। কুকুরের ভয়ে পালিয়ে যায় সে।

এদিন মঙ্গলবার শরিফুলকে নিয়ে বান্দ্রার সৎগুরু শরণ বিল্ডিংয়ে যায় মুম্বই পুলিশ। সেখানে শরিফুলের গতিবিধি বুঝতে ঘটনার পুনর্নির্মাণ করে মুম্বই পুলিশ। মঙ্গলবার ভোর সাড়ে পাঁচটা থেকে প্রায় ১ ঘণ্টা তারা সেখানে ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে মুম্বইয়ের লীলাবতী হাসপাতাল থেকে ছাড়া পান সইফ। সম্পূর্ণ বিশ্রাম নিতে হবে সইফকে। ক্ষতস্থানে সংক্রমণ এড়াতে এখন বাইরের কারও সঙ্গে দেখাও করতে পারবেন না তিনি। সম্পূর্ণ চিকিৎসদের তত্ত্বাবধানেই থাকতে হবে তাঁকে।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+