এনআরসি থেকে আবারও বাদ স্বাধীনতা সংগ্রামী! বাদ পড়েছেন সাহিত্য একাডেমি প্রাপকও
অসমের দীর্ঘদিনের বাসিন্দা সাহিত্য একাডেমি পুরস্কার প্রাপক দুর্গা খাটিওয়াদা, অসম বিক্ষোভে প্রথম মহিলা শহিদ বৈজয়ন্তী দেবীর পরিবারের সদস্য বাদ পড়েছে এনআরসির তালিকা থেকে।
অসমের দীর্ঘদিনের বাসিন্দা সাহিত্য একাডেমি পুরস্কার প্রাপক দুর্গা খাটিওয়াদা, অসম বিক্ষোভে প্রথম মহিলা শহিদ বৈজয়ন্তী দেবীর পরিবারের সদস্য বাদ পড়েছে এনআরসির তালিকা থেকে। তালিকা থেকে বাদ পড়েছেন স্বাধীনতা সংগ্রামী ছবিলাল উপাধ্যায়ের আত্মীয় মঞ্জু দেবীর নামও। এই ক্ষেত্রগুলিতে অসমে বসবাসকারী গোর্খাদের নাম জড়িয়ে গিয়েছে।

ভারতীয় গোর্খা পরিসংঘের জাতীয় সভাপতি নন্দকিরাটি দেওয়ানের অভিযোগ উপরের তিনটি ঘটনায় ইচ্ছা করে গোর্খাদের এনসিআর থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এই বাদ দিয়ে তাঁদের অপমান করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন নন্দ দেওয়ান। সাধারণভাবে এর সমাধান না হলে বিষয়টিতে আদালত পর্যন্ত টেনে নিয়ে যাবেন বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। এই ঘটনা শুধু গোর্খাদের প্রতি অপমান নয়, স্বাধীনতা সংগ্রামী এবং শহিদদের প্রতিও অপমান। অভিযোগ করেছেন তিনি।
১৯৭৯ সালে অসমে অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করতে আন্দোলন শুরু করে অল অসম স্টুডেন্টস ইউনিয়ন। ১৯৮৫ সালের ১৫ অগাস্ট অসম চুক্তির মাধ্যমে সেই আন্দোলন শেষ হয়।
ভারতীয় গোর্খা পরিসংঘের জাতীয় সভাপতি নন্দকিরাটি দেওয়ান জানিয়েছেন, ২৬ জুন প্রকাশিত এনআরসির প্রকাশিত তালিকায় সাহিত্য একাডেমি পুরস্কার প্রাপক এবং অসম নেপালি সাহিত্য সভার সভাপতি দুর্গা খাটিওয়াদার নাম বাদ পড়েছে।
১৯৫১ সালের এনআরসি তালিকায় খাটিওয়াদার বাবার নাম ছিল। পরিবারের সবার নাম তালিকায় থাকলেও, তাঁর নাম তালিকা থেকে বাদ পড়েছে। অন্যদিকে, বৈজয়ন্তী দেবীর বাবা অমর উপাধ্যায় বলেছেন, তাঁর দুই নাতি রহিতআকাশ এবং মিহিরান এবং তাদের মা নির্মলা দেবীর নাম তালিকা থেকে বাদ পড়েছে। তিনি বলেছেন, তাদের বাবা এবং ঠাকুরদাদার নাম ড্রাফট এনআরসিতে ছিল। মঞ্জু দেবীকে বলা হয়েছে, ২০০৫-এ ডাউটফুল ভোটারের তালিকায় নাম ছিল তাঁর। ফলে ছেলে মেয়েদের সঙ্গে তাঁর নামও তালিকা থেকে বাদ পড়েছে।
ভারতীয় গোর্খা পরিসংঘের তরফে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। বলা হয়েছে সেখানে এনআরসি নিয়ে শুনানির সময় তারাও একপক্ষ হিসেবে আবেদন জানাতে চায়।












Click it and Unblock the Notifications