Safety Of Meiteis: হুমকি-আতঙ্কে রাজ্য ত্যাগ! মেইতেইদের নিরাপত্তার আশ্বাস মিজোরাম প্রশাসনের
Safety Of Meiteis: রাজ্য ছাড়তে হুমকি দিয়েছিল মিজোরামের প্রাক্তন বিদ্রোহীরা। তারপর থেকেই দক্ষিণ অসম এবং মিজোরাম ছেড়ে মেইতেইরা মণিপুরের উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন। যে কোনও মূল্যে অনেকে বিমানে করেই মণিপুরে ফিরতে চাইছেন। এরই মধ্যে মিজোরাম সরকারের তরফে মেইতেইদের জন্য নিরাপত্তার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
৩ মে হিংসা শুরু হওয়ার পরে ৪ মে দুই কুকি মহিলাকে নগ্ন করে নিয়ে যাওয়ার দৃশ্য ভাইরাল হওয়ার পরেই মণিপুরে উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। তারপরেই মিজোরামের প্রাক্তন বিদ্রোহীদের তরফে মেইতেইদের উদ্দেশে 'পরামর্শ' দেওয়া হয়। মিজোরামের স্বরাষ্ট্রসচিব সেখানকার মেইতেই সম্প্রদায়ের নেতাদের সঙ্গে দেখা করে নিরাপত্তার আশ্বাস দিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।

সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, কাজের জন্য মিজোরাম জুড়ে অন্তত দেড় হাজার মেইতেই পরিবার সেই রাজ্যে বসবাস করছেন। প্রাক্তন বিদ্রোহীদের হুমকির পরে এঁরাই আইজল থেকে বিভিন্ন পরিবহণের মাধ্যমে সবকিছু ফেলে মণিপুর ফিরছেন বলে জানা গিয়েছে। পরিস্থিতি খারাপ হলে চাটার্ড ফ্লাইটে মেইতেইদের (Safety Of Meiteis) রাজ্যে ফেরানো হবে বলে আশ্বাস দিয়েছে মণিপুর সরকার।
মিজোরামের বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের তরফে সেখানে মেইতেইরা যাতে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করতে পারে, তার জন্য আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে ৩ মে মণিপুরে হিংসা শুরু হওয়ার পর থেকে মিজোরামে পালিয়ে যাওয়া অন্তত ১২ হাজারের বেশি কুকি ও জোমি মানুষজনকে আশ্রয় দিয়েছে সেখানকার প্রশাসন।
শুক্রবার পিস অ্যাকর্ড এনএনঅফ রিটার্নস অ্যাসোসিয়েশন বিবৃতি জারি করে বলেছে, মেইতেইদের নিজেদের নিরাপত্তার জন্য (Safety Of Meiteis) মিজোরাম ত্যাগ করা উচিত। তারপর থেকেই মেইতেইদের মণিপুরে ফেরার চাপ বেড়েছে।
৩ মে মণিপুরে জাতিগত হিংসা শুরু হওয়ার পর থেকে অন্তত ১৩০ জনের মৃত্যু হয়েছে। প্রায় ৪০ হাজারের বেশি মানুষ তাঁদের বাড়ি ঘর ছেড়ে পালিয়েছেন। মেইতেইদের উপজাতি ভুক্ত করার দাবি নিয়ে এই হিংসা শুরু। এই মুহূর্তে ৩২ লক্ষের মণিপুরবাসীর জন্য সেখানে আধাসামরিক ও সামরিক বাহিনী মিলিয়ে প্রায় ১ লক্ষ সদস্য শান্তি রক্ষায় দায়িত্বে রয়েছেন।












Click it and Unblock the Notifications