Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

রাজ্যে অনেকটাই নিয়ন্ত্রনে করোনা! কয়েকটি খুলে রেখে সমস্ত সেফ হোম-করোনা ওয়ার্ড বন্ধ করার বিজ্ঞপ্তি

যেমনটা আশঙ্কা করা হয়েছিল তেমন কিছু ঘটেনি! উৎসবের মরশুমে কোভিড বিধিকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে যেভাবে মানুষ রাস্তায় নেমেছিল তাতে ভয় ধরে গিয়েছিল চিকিৎসকদের। শুধু তাই নয়, উতসব মিটতেই হু হু করে বাড়তে থাকে সংক্রমণ। আর সেই গ্রাফ দেখে

যেমনটা আশঙ্কা করা হয়েছিল তেমন কিছু ঘটেনি! উৎসবের মরশুমে কোভিড বিধিকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে যেভাবে মানুষ রাস্তায় নেমেছিল তাতে ভয় ধরে গিয়েছিল চিকিৎসকদের। শুধু তাই নয়, উতসব মিটতেই হু হু করে বাড়তে থাকে সংক্রমণ। আর সেই গ্রাফ দেখে নতুন করে সেফ হোমগুলি খুলতে শুরু করেছিল। এমনকি হাসপাতালগুলিকে তৈরি থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়।

রাজ্যে অনেকটাই নিয়ন্ত্রনে করোনা!

কিন্তু ওই যতটা আশঙ্কা করা হয়েছিল তেমন ভাবে সংক্রমন বাড়েনি। এখনও পর্যন্ত রাজ্যে নিয়ন্ত্রনের মধ্যেই রয়েছে সংক্রমণ। আর সেদিকে তাকিয়ে হাসপাতালগুলির বেড ছাড়তে বলল রাজ্য সরকার। শুধু তাই নয়, সাময়িক ভাবে সেফ হোমগুলিও বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে স্বাস্থ্য ভবনের তরফে।

এই বিষয়ে স্বাস্থ্য ভবনের তরফে বিস্তারিত জানিয়ে বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে স্বাস্থ্য ভবনের তরফে দাবি, এই মুহূর্তে রাজ্যে করোনা পরিস্থিতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রনে রয়েছে। সেখানে দাঁড়িয়ে সাধারন রোগীদের জন্যে আটকে রাখা বেড-হাসপাতাল ছেড়ে দেওয়ার পক্ষে স্বাস্থ্য ভবন।

শুধু তাই নয় বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, প্রত্যেক জেলাতে একটি কিংবা দুটি করোনা হাসপাতাল বা ওয়ার্ড রাখা হচ্ছে করোনা আক্রান্তদের জন্যে। বাকিগুলি সাময়িক ভাবে বন্ধ করবে প্রশাসন। স্বাস্থ্য দফতরের এই বিজ্ঞপ্তি ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। একাংশের মতে, হঠাত করে সংক্রমণ বাড়লে তা সামলানোর ব্যবস্থা থাকছে না। এতে সমস্যা হতে পারে। কিন্তু স্বাস্থ্য ভবনের মতে, সবদিক চিন্তা করেই এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। শুধু তাই নয়, সাধারন রোগীর কথা ভেবেই এই পদক্ষেপ।

যুদ্ধকালীন তৎপরতায় করোনা ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে। বাংলাতেও ব্যাপক হারে ভ্যাকসিনেশন দেওয়ার কাজ হয়েছে। জার ফল পাচ্ছে সাধারন মানুষ। থার্ড ওয়েভ আছড়ে পড়ার আশঙ্কা থাকলেও তেমনটা প্রভাব দেখা যাচ্ছে না। আর সেদিকে তাকিয়েই সেফ হোম বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কলকাতা সহ প্রত্যেকটি জেলাতে সেফ হোমগুলি একটি-দুটি খুলে রেখে বাকি সব বন্ধ করে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

শুধু তাই নয়, সরকারি হাসপাতালের করোনা ওয়ার্ডগুলিতে শয্যা কমিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অতিরিক্ত শয্যাগুলিতে সাধারন রোগী ভর্তির সুযোগ পায় সেই বিষয়টি নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে স্বাস্থ্য দফতরের তরফে। যদিও এই বিষয়ে চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ভার সংশ্লিষ্ট জেলার জেলাশাসককে দেওয়া হয়েছে।

পরিস্থিতি বুঝে, আলোচনার মাধ্যমেই এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করতে বলা হয়েছে স্বাস্থ্য দফতরের তরফে। অন্যদিকে কোভিড ওয়ার্ডে যে সমস্ত কর্মীরা কাজ করতেন তাঁদের দ্রুত স্বাভাবিক কাজে ফিরতে বলা হয়েছে।

উল্লেখ্য, থার্ড ওয়েভ আছড়ে পড়তে পারে। সবথেকে বেশি আক্রান্ত হতে পারে শিশুরাই। সেদিকে তাকিয়ে দ্রুত কলকাতা এবং জেলার সরকারি হাসপাতালগুলিকে পরিকাঠামো তৈরির নির্দেশ দেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুধু তাই নয়, বেসরকারি হাসপাতালগুলিকেও পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্যে তৈরি থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়। কিন্তু আজ পর্যন্ত রাজ্যে সংক্রমণ অনেকটাই নিয়ন্ত্রনে। আর সেদিকে তাকিয়েই এই সিদ্ধান্ত স্বাস্থ্য দফতরের।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+