রাম মন্দির নির্মাণের উগ্র আন্দোলন যাঁর হাত ধরে, কী ছিল সেই সাধু অভিরাম দাসের ইতিহাস
রাম মন্দির নির্মাণের উগ্র আন্দোলন যাঁর হাত ধরে, কী ছিল সেই সাধু অভিরাম দাসের ইতিহাস
অযোধ্যার ইতিহাস বদলে ফেলেিছলেন তিনি। তাঁর উদ্যোগেই আরও জেগে উঠেছিল অযোধ্যার রাম মন্দির নির্মাণের জিগির। তিনি সাধু অভিরাম দাস। অযোধ্যায় রাম মন্দির নির্মাণ আন্দোলনে অন্যতম পথিকৃত বলা চলে তাঁকে। তিনিই বাবরি মসজিদের ভেতরে রাম লাল্লার মূর্তি বসিয়েছিলেন বলে অভিযোগ করা হয়েছিল। অযোধ্যার এই মাহেন্দ্রক্ষণে অভিরাম দাসের সম্পর্কে কয়েকটি কথা জেনে রাখা জরুরি।

কে এই অভিরাম দাস
সাধু অভিরাম দাসকে ঋষি দুর্বাশার সঙ্গে তুলনা করে থাকেন অনেকেই। বদ মেজাজি, অল্পেই রেগে যান। ভীষণ উগ্র তাঁর আচরণ। বিহারের দ্বারভাঙা জেলার বাসিন্দা তিনি। রাম মন্দির এবং বাবরি মসজিত মামলার প্রতিটি ঘটনায় তাঁর নাম জড়িয়ে রয়েছে। এই উগ্র আচরণের জন্য নিজের গ্রাম থেকে পালিয়ে আসতে বাধ্য হয়েছিলেন অভিরাম দাস। অযোধ্যায় আসার পর বিভিন্ন আখাড়ায় জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিলেন তিনি।

অযোধ্যায় রাম মন্দির নিয়ে ভীষণ উদ্যোগী
অযোধ্যায় রাম মন্দির নির্মাণ নিয়ে তিনিই প্রথম ভীষণভাবে উদ্যোগী হয়ে উঠেছিলেন। অযোধ্যার বিভিন্ন সরকারি আধিকারিকদের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছিলেন তিনি। তিনি প্রথম দাবি করেছিলেন ভগবান রাম তাঁকে স্বপ্নাদেশ গিয়ে জানিয়েছেন কোথায় জন্মেছিলেন তিনি। তিনিই প্রথম দাবি করেছিলেন বাবরি মসজিদের মূল গম্বুজের মধ্যেই জন্মেছিলেন ভগবান রাম।

বাবরি মজসিদে রাম লাল্লার মূর্তি বসিয়েছিলেন
নিজের এই স্বপ্নের কথা ফৈজাবাদের জেলা শাসক কে কে নায়ারকে জানিয়েছিলেন অভিরাম দাস। কে কে নায়ার ছিলেন রাম ভক্ত। তিনি প্রায়ই অভিরাম দাসের কাছে যেতেন। অভিরাম দাসই প্রথম বাবরি মসজিদের ভেতরে রাম লাল্লার মূর্তি বসিয়েছিলেন। সেই মূর্তি তাঁকে এনে দিয়েছিলেন নির্বানী আখাড়ার আরেক সাধু বৃন্দাবন দাস। সেই অভিযোগে আজও এফআইআরে নাম রয়েছে অভিরাম দাসের।

অযোধ্যায় ভূমি পুজো
অবশেষে অভিরাম দাসের সেই স্বপ্ন পূরণ হল। রাম তাঁকে যে স্বপ্ন দিয়েছিলেন সেই স্থানেই অবশেষে হতে চলেছে রাম মন্দিরের নির্মাণ। বুধবার গোটা দেশ তার সাক্ষী থাকল। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করে রাম মন্দির নির্মাণের সূচনা করেন।












Click it and Unblock the Notifications