'সন্ত্রাসবাদী যোগ প্রমাণ করুন, নয়তো ক্ষমা চান', নাকভিকে পাল্টা আক্রমণ সাবিরের

প্রমাণ করুণ অথবা ক্ষমা চান, আক্রমণাত্মক ঢংয়ে নাকভির দিকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন সাবির। শনিবার বিজেপির তরফে সাবির আলি সদস্য পদ বাতিল করা হয়। অভিযোগ ওঠে সাবির আলির সঙ্গে সন্ত্রাসবাদীদের যোগ রয়েছে। অভিযোগ তোলেন দলেরই নাকভি-সহ বেশ কিছু নেতা। এমনকী নাকভি টুইটারে টুইট করেন বিজেপি কি এবার তাহলে দাউদ ইব্রাহিমকে দলে যোগ দেওয়াবে।
লোকসভা ভোটের আগে কোনও নতুন বিতর্কের সামনে পড়তে চাইছিলেন না বিজেপি নেতৃত্ব। সেই কারণেই সাবিরের সদস্যপদ বাতিল করা হয়। তাতেই চটেছেন সাবির। সাবির জানিয়েছেন, আমি নিজের গলায় পাঁসির দড়ি পড়ে নেব যদি নাকভি সাহেব আমার সঙ্গে সন্ত্রাসবাদীদের যোগ প্রমাণ করতে পারেন। সোমবার স্ত্রীকে পাশে বসিয়ে সাংবাদিক সম্মেলন ডেকে একথা জানান সাবির আলি।
নাকভির মন্তব্যের জেরে নাকভির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগ দায়ের করবেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি। ২৪ ঘন্টার মধ্যে নাকভি সাহেবের কাছ থেকে আমি লিখিতভাবে ক্ষমা দাবী করছি। নাহলে আমি ওনার বাড়ির সামনেই ধরনায় বসব বলে হুমকি দেন তিনি।
শনিবার অভিযোগ ওঠার পর, অভিযোগ প্রমাণিত হলে তিনি চিরজীবনের মতো রাজনীতির দুনিয়া ছেড়ে দেবেন। এর ঘন্টাখানেকের মধ্যেই বিজেপির তরফে সাবিরকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
শুক্রবার জেডিইউয়ের বহিষ্কৃত নেতা সাবিরকে সদস্যপদ দেয় বিজেপি৷ যদিও, নকভি সহ একাধিক নেতার ক্ষোভের জেরে ২৪ ঘন্টার মাথায় তাঁর বিজেপির সদস্যপদ বাতিল করা হয়। এক সপ্তাহের মধ্যে জাতীয় রাজনীতির দুই দল থেকে বহিস্কৃত হলেন সাবির আলি।
সাবির সংযুক্ত জনতা দলের সদস্য ছিলেন। সম্প্রতি প্রকাশ্য জনসভায় বিজেপির প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী নরেন্দ্র মোদীর উচ্ছ্বসিত প্রসংশা করে দলের রক্তচক্ষুর সামনে পড়েন সাবির। এর পরই তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়।












Click it and Unblock the Notifications