করোনায় আর্থিক সঙ্কট! বিপুল সোনা বন্ধক রাখার সিদ্ধান্ত সরবিমালা মন্দিরের
করোনায় আর্থিক সঙ্কট! বিপুল সোনা বন্ধক রাখার সিদ্ধান্ত সরবিমালা মন্দিরের
করোনা ভাইরাস মহামারির জেরে বিশাল আর্থিক সঙ্কটের উত্তাপ অনুভব করে কেরলের পাথানামিথিট্টা জেলার সরবিমালা মন্দিরের কতৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে মন্দিরের বিরাট স্বর্ণভাণ্ডার ভল্টে সংরক্ষণ করে রাখবে। ত্রাবনকোর দেবস্বম বোর্ড (টিডিবি) পরিকল্পনা করেছে যে স্বর্ণ ঋণের জন্য ভারতের রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার কাছে প্রস্তাব রাখবে।

পাহাড়ি এলাকায় পেরিয়ার ব্যাঘ্র সংরক্ষণের ভেতর অবস্থিত ভগবান আয়াপ্পার মন্দির সরবিমালা। ভারতীয় মন্দিরগুলির মধ্যে এই মন্দিরটিকে ধনী মন্দিরের মধ্যে ধরা হয়। গত এক বছরে ভক্তদের কাছ থেকে প্রচুর সোনা দান করা হয়েছে এই মন্দিরে। এই মন্দিরে বছরে ৩০ মিলিয়ন ভক্তের সমাগম হয়। এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, টিডিবির অন্তর্গত কেরলে ১২০০–র বেশি মন্দির রয়েছে, যারা স্বর্ণ ঋণ থেকে অর্থ সংগ্রহ করার পরিকল্পনা করেছে। অর্থ সঙ্কটের কারণেই মন্দির কর্তৃপক্ষ বাধ্য হচ্ছে স্বর্ণ ঋণ নিতে।
জানা গিয়েছে, ভারতের কিছু ধনবান মন্দির, যেমন অন্ধ্রপ্রদেশের তিরুমালার শ্রী ভেঙ্কটেশ্বর মন্দির থেকে কেরলের গুরুবায়ুরের কৃষ্ণ মন্দির কর্মীদের বেতন দেওয়ার জন্য সংগ্রাম করছে। মে মাসেই টিডিবি পরিকল্পনা করেছিল যে এই অর্থ সংগ্রহের জন্য অব্যবহৃত প্রদীপ ও ঐতিহ্যশালী পিতলের বাসন বিক্রি করে দেবে।
আরবিআইয়ের সোনার নগদীকরণ প্রকল্পটি ব্যাঙ্কের গ্রাহকদের সুদের জন্য ২.২৫ শতাংশ থেকে ২.৫০ শতাংশের সুদের বিনিময়ে একটি নির্ধারিত সময়ের জন্য তাদের সোনার জিনিস বা গয়না জমা দিতে হয়। টিডিবি প্রেসিডেন্ট এন বাসু বলেন, '২২ অগাস্ট কেন্দ্র সরকারের অধিকর্তাদের সঙ্গে বিশিষ্ট মন্দির বোর্ডের বৈঠক হয়। কমপক্ষে ১০টি বোর্ড এতে অংশ নেয়। তারা আমাদের বিদ্যমান সোনার নগদীকরণ প্রকল্প (২০১৫ সালে তৈরি) ব্যবহার করতে উৎসাহিত করেছিল, যেখানে আমরা ব্যাঙ্কগুলির মাধ্যমে আরবিআইতে জমা হওয়া স্বর্ণ ঋণের বিপরীতে ২.৫% সুদ নিতে পারি।’












Click it and Unblock the Notifications